নাকবার ৭৮ বছর পালন করলেন লাখ লাখ ফিলিস্তিনি

পশ্চিম তীরের রামাল্লায় এক বিক্ষোভ সমাবেশে বিশাল একটি ফিলিস্তিনি পতাকা বহন করছেন আন্দোলনকারীরা। ছবি : সংগৃহীত
লাখ লাখ ফিলিস্তিনি আজ শনিবার তাদের ইতিহাসের সবচেয়ে কলঙ্কময় দিন নাকবার ৭৮তম বার্ষিকী পালন করছেন। আরবি শব্দ নাকবা অর্থ মহাবিপর্যয়। ১৯৪৮ সালে ইসরায়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সময় প্রায় ৭ লাখ ৫০ হাজার ফিলিস্তিনিকে তাদের পৈতৃক ভিটেমাটি থেকে জোরপূর্বক উচ্ছেদ ও বিতাড়ন করার ঘটনাকে স্মরণ করে প্রতি বছর এই দিনটি পালন করা হয়।
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ ভূখণ্ড গাজায় ইসরায়েলের চালানো ভয়াবহ যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এটি তৃতীয় নাকবা বার্ষিকী। বর্তমানে এই অবরুদ্ধ উপত্যকার ২০ লাখেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়ে চরম অমানবিক পরিস্থিতির মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।
গত বছরের অক্টোবরে যুদ্ধবিরতি চুক্তি হওয়ার পর ছয় মাসেরও বেশি সময় পার হয়ে গেছে। কিন্তু এখনো গাজার বিশাল জনসংখ্যা ভূমধ্যসাগর উপকূলের মাত্র ৪০ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি সংকীর্ণ উপত্যকার অর্ধেকেরও কম জায়গায় গাদাগাদি করে বাস করতে বাধ্য হচ্ছেন। বাকি পুরো এলাকাটি এখন ইসরায়েলি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

১৯৪৮ সালের নাকবার সময় নিজের পৈতৃক ভিটেমাটি ছেড়ে পালিয়ে আসা ৮৩ বছর বয়সী বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনি মুস্তফা আল-জাজার। দক্ষিণ গাজা উপত্যকার খান ইউনিসের একটি শরণার্থী শিবিরে নিজের পরিবার ও নাতি-নাতনিদের সঙ্গে বসে আছেন তিনি। ছবি : সংগৃহীত

ইসরায়েল-অধিকৃত পশ্চিম তীরের রামাল্লায় নাকবার ৭৮তম বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক সমাবেশে একটি বিশাল পতাকা বহন করেছেন বিক্ষোভকারীরা। এতে ফিলিস্তিনিরা ১৯৪৮ সালে জোরপূর্বক উচ্ছেদ হওয়া বাড়িঘরের প্রতীকি চাবি বহন করছেন। ছবি : সংগৃহীত

ফিলিস্তিন এবং এর পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতে অবস্থিত অন্তত ৫৮টি শরণার্থী শিবিরে বর্তমানে প্রায় ৬০ লাখ নিবন্ধিত ফিলিস্তিনি শরণার্থী বসবাস করছেন। ছবি : সংগৃহীত

দক্ষিণ গাজা উপত্যকার খান ইউনিসের একটি শিবিরে আশ্রয় নিয়ে আছেন বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিরা। গাজার ৭০ শতাংশেরও বেশি বাসিন্দা মূলত শরণার্থী। যাদের মধ্যে প্রায় ১৫ লাখ মানুষ এই ভূখণ্ডের আটটি জনাকীর্ণ শিবিরে বসবাস করছেন। ছবি : সংগৃহীত





