Agamir Somoy E-Paper
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় বিশ্বের ছবি

নাকবার ৭৮ বছর পালন করলেন লাখ লাখ ফিলিস্তিনি

অনলাইন ডেস্ক
agamir somoy
প্রকাশ: ১৬ মে ২০২৬, ১৪:০৩
নাকবার ৭৮ বছর পালন করলেন লাখ লাখ ফিলিস্তিনি

পশ্চিম তীরের রামাল্লায় এক বিক্ষোভ সমাবেশে বিশাল একটি ফিলিস্তিনি পতাকা বহন করছেন আন্দোলনকারীরা। ছবি : সংগৃহীত

লাখ লাখ ফিলিস্তিনি আজ শনিবার তাদের ইতিহাসের সবচেয়ে কলঙ্কময় দিন নাকবার ৭৮তম বার্ষিকী পালন করছেন। আরবি শব্দ নাকবা অর্থ মহাবিপর্যয়। ১৯৪৮ সালে ইসরায়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সময় প্রায় ৭ লাখ ৫০ হাজার ফিলিস্তিনিকে তাদের পৈতৃক ভিটেমাটি থেকে জোরপূর্বক উচ্ছেদ ও বিতাড়ন করার ঘটনাকে স্মরণ করে প্রতি বছর এই দিনটি পালন করা হয়।

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ ভূখণ্ড গাজায় ইসরায়েলের চালানো ভয়াবহ যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এটি তৃতীয় নাকবা বার্ষিকী। বর্তমানে এই অবরুদ্ধ উপত্যকার ২০ লাখেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়ে চরম অমানবিক পরিস্থিতির মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।

গত বছরের অক্টোবরে যুদ্ধবিরতি চুক্তি হওয়ার পর ছয় মাসেরও বেশি সময় পার হয়ে গেছে। কিন্তু এখনো গাজার বিশাল জনসংখ্যা ভূমধ্যসাগর উপকূলের মাত্র ৪০ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি সংকীর্ণ উপত্যকার  অর্ধেকেরও কম জায়গায় গাদাগাদি করে বাস করতে বাধ্য হচ্ছেন। বাকি পুরো এলাকাটি এখন ইসরায়েলি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।


ফিলিস্তিননাকবাইসরায়েল
১
১৯৪৮ সালের নাকবার সময় নিজের পৈতৃক ভিটেমাটি ছেড়ে পালিয়ে আসা ৮৩ বছর বয়সী বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনি মুস্তফা আল-জাজার। দক্ষিণ গাজা উপত্যকার খান ইউনিসের একটি শরণার্থী শিবিরে নিজের পরিবার ও নাতি-নাতনিদের সঙ্গে বসে আছেন তিনি। ছবি : সংগৃহীত

১৯৪৮ সালের নাকবার সময় নিজের পৈতৃক ভিটেমাটি ছেড়ে পালিয়ে আসা ৮৩ বছর বয়সী বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনি মুস্তফা আল-জাজার। দক্ষিণ গাজা উপত্যকার খান ইউনিসের একটি শরণার্থী শিবিরে নিজের পরিবার ও নাতি-নাতনিদের সঙ্গে বসে আছেন তিনি। ছবি : সংগৃহীত

২
ইসরায়েল-অধিকৃত পশ্চিম তীরের রামাল্লায় নাকবার ৭৮তম বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক সমাবেশে একটি বিশাল পতাকা বহন করেছেন বিক্ষোভকারীরা। এতে ফিলিস্তিনিরা ১৯৪৮ সালে জোরপূর্বক উচ্ছেদ হওয়া বাড়িঘরের প্রতীকি চাবি বহন করছেন। ছবি : সংগৃহীত

ইসরায়েল-অধিকৃত পশ্চিম তীরের রামাল্লায় নাকবার ৭৮তম বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক সমাবেশে একটি বিশাল পতাকা বহন করেছেন বিক্ষোভকারীরা। এতে ফিলিস্তিনিরা ১৯৪৮ সালে জোরপূর্বক উচ্ছেদ হওয়া বাড়িঘরের প্রতীকি চাবি বহন করছেন। ছবি : সংগৃহীত

৩
ফিলিস্তিন এবং এর পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতে অবস্থিত অন্তত ৫৮টি শরণার্থী শিবিরে বর্তমানে প্রায় ৬০ লাখ নিবন্ধিত ফিলিস্তিনি শরণার্থী বসবাস করছেন। ছবি : সংগৃহীত

ফিলিস্তিন এবং এর পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতে অবস্থিত অন্তত ৫৮টি শরণার্থী শিবিরে বর্তমানে প্রায় ৬০ লাখ নিবন্ধিত ফিলিস্তিনি শরণার্থী বসবাস করছেন। ছবি : সংগৃহীত

৪
দক্ষিণ গাজা উপত্যকার খান ইউনিসের একটি শিবিরে আশ্রয় নিয়ে আছেন বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিরা। গাজার ৭০ শতাংশেরও বেশি বাসিন্দা মূলত শরণার্থী। যাদের মধ্যে প্রায় ১৫ লাখ মানুষ এই ভূখণ্ডের আটটি জনাকীর্ণ শিবিরে বসবাস করছেন। ছবি : সংগৃহীত

দক্ষিণ গাজা উপত্যকার খান ইউনিসের একটি শিবিরে আশ্রয় নিয়ে আছেন বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিরা। গাজার ৭০ শতাংশেরও বেশি বাসিন্দা মূলত শরণার্থী। যাদের মধ্যে প্রায় ১৫ লাখ মানুষ এই ভূখণ্ডের আটটি জনাকীর্ণ শিবিরে বসবাস করছেন। ছবি : সংগৃহীত

৫
পশ্চিম তীরের বেথলেহেমে নাকবার ৭৮তম বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে ঐতিহ্যবাহী প্রদর্শনী, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এবং লোকনৃত্যে অংশ নিচ্ছেন ফিলিস্তিনিরা। ছবি : সংগৃহীত

পশ্চিম তীরের বেথলেহেমে নাকবার ৭৮তম বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে ঐতিহ্যবাহী প্রদর্শনী, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এবং লোকনৃত্যে অংশ নিচ্ছেন ফিলিস্তিনিরা। ছবি : সংগৃহীত

    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise