Agamir Somoy E-Paper
সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬
আগামীর সময়
চিকিৎসা ওষুধ, ভাড়াও দেন আলতাফ
সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় মতামত

বিনিয়োগ প্রণোদনা সংকুচিত, বাড়তি বোঝা করদাতার

ফয়সাল ইসলাম এফসিএ
agamir somoy
প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ২০:২৫
বিনিয়োগ প্রণোদনা সংকুচিত, বাড়তি বোঝা করদাতার

ফয়সাল ইসলাম এফসিএ

জাতীয় বাজেট ও অর্থ বিল শুধু সরকারের আয়-ব্যয়ের হিসাব নয়; এগুলো দেশের অর্থনীতির ভবিষ্যৎ গতিপথ নির্ধারণের গুরুত্বপূর্ণ নীতিদলিল। করনীতির মাধ্যমে সরকার যেমন রাজস্ব সংগ্রহ করে, তেমনি নাগরিকের সঞ্চয়, বিনিয়োগ ও ভোগের আচরণেও প্রভাব ফেলে। তাই কোনো কর-সুবিধা কমানো বা বাড়ানোর বিষয়কে নিছক হিসাবের পরিবর্তন হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। অর্থ বিল ২০২৬-এ ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের বিনিয়োগজনিত কর-রেয়াত সংকোচনের প্রস্তাবটি সে বিবেচনায় পুনর্বিবেচনার দাবি রাখে।

বর্তমান ব্যবস্থায় একজন করদাতার বিনিয়োগজনিত রেয়াত নির্ধারিত হয় তিনটি অঙ্কের মধ্যে যেটি সর্বনিম্ন, তার ভিত্তিতে— রেয়াত গণনার জন্য প্রযোজ্য মোট আয়ের ৩ শতাংশ, আইনে অনুমোদিত বিনিয়োগ ও ব্যয়ের ১৫ শতাংশ অথবা ১০ লাখ টাকা। প্রস্তাবিত অর্থ বিলে যোগ্য বিনিয়োগ ও ব্যয়ের বিপরীতে রেয়াত গণনার হার ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ এবং রেয়াতের সর্বোচ্চ অঙ্ক ১০ লাখ টাকা থেকে সাড়ে ৭ লাখ টাকা করার কথা বলা হয়েছে। প্রযোজ্য মোট আয়ের ৩ শতাংশের সীমাটি অপরিবর্তিত থাকছে। প্রথম দেখায় পরিবর্তনটি সামান্য মনে হলেও সাধারণ করদাতার হিসাবে এর প্রভাব মোটেও সামান্য নয়।

ধরা যাক, একজন ব্যক্তির রেয়াত গণনার জন্য প্রযোজ্য মোট আয় ১০ লাখ টাকা। এক্ষেত্রে আয়ের ৩ শতাংশ হিসাবে তার সম্ভাব্য সর্বোচ্চ বিনিয়োগ রেয়াত হবে ৩০ হাজার টাকা। বর্তমান নিয়মে এই রেয়াত পেতে যোগ্য খাতে ২ লাখ টাকা বিনিয়োগ করলেই যথেষ্ট; কারণ ২ লাখ টাকার ১৫ শতাংশ হলো ৩০ হাজার টাকা। প্রস্তাবিত নিয়ম কার্যকর হলে একই ৩০ হাজার টাকা রেয়াত পেতে তাকে বিনিয়োগ করতে হবে ৩ লাখ টাকা। অর্থাৎ কর-সুবিধার অঙ্ক একই রাখতে প্রয়োজনীয় বিনিয়োগ বাড়বে ১ লাখ টাকা বা ৫০ শতাংশ।

অন্যভাবে হিসাবটি আরও স্পষ্ট হয়। ওই করদাতা যদি আগের মতো ২ লাখ টাকাই বিনিয়োগ করেন, তাহলে বর্তমান ব্যবস্থায় তার রেয়াত ৩০ হাজার টাকা হলেও নতুন ব্যবস্থায় তা নেমে আসবে ২০ হাজার টাকায়। অন্যান্য বিষয় অপরিবর্তিত থাকলে তার প্রদেয় কর ১০ হাজার টাকা বেড়ে যাবে। ঘোষিত করহার না বাড়লেও কর-সুবিধা সংকোচনের কারণে কার্যকর করভার বাড়বে।

এখানে দুটি পরিবর্তনের প্রভাব আলাদাভাবে বোঝা দরকার। সর্বোচ্চ রেয়াতের সীমা ১০ লাখ থেকে সাড়ে ৭ লাখ টাকায় নামানোর বিষয়টি প্রধানত উচ্চ আয় ও বড় অঙ্কের বিনিয়োগকারী করদাতাদের প্রভাবিত করবে। কিন্তু যোগ্য বিনিয়োগের বিপরীতে রেয়াত গণনার হার ১৫ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশে নামানোর প্রভাব পড়বে তুলনামূলক বেশি সংখ্যক করদাতার ওপর। বেতনভোগী ও মধ্যম আয়ের করদাতাদের জন্য মূল চাপটি আসবে এই হার কমানোর কারণেই।

এই হিসাবই পরিবর্তনটির প্রকৃত চরিত্র স্পষ্ট করে। একদিকে রেয়াতের হার কমানো হচ্ছে, অন্যদিকে একই সুবিধা পাওয়ার শর্ত কঠিন করা হচ্ছে। যারা বাড়তি অর্থ বিনিয়োগ করতে পারবেন না, তাদের কর-সাশ্রয় কমে যাবে। ফলে ঘোষিত করহার অপরিবর্তিত থাকলেও কার্যত তাদের করভার বাড়বে। এটিকে করহারের সরাসরি বৃদ্ধি না বলে কর-সুবিধা সংকোচনের মাধ্যমে পরোক্ষ করবৃদ্ধি বলা যায়।

তাছাড়া কর-রেয়াতের এই পরিবর্তনের ফলে করদাতাদের কার্যকর করভার (Effective Tax Burden) বৃদ্ধি পাবে। কারণ একজন ব্যক্তি পূর্বে যে পরিমাণ বিনিয়োগ করে নির্দিষ্ট পরিমাণ কর-সুবিধা পেতেন, এখন একই সুবিধা পেতে তাকে অনেক বেশি বিনিয়োগ করতে হবে। আর যদি অতিরিক্ত বিনিয়োগ করতে না পারেন, তাহলে তার কর-সাশ্রয়ের পরিমাণ কমে যাবে। অর্থাৎ এটি করহারের সরাসরি বৃদ্ধি না হলেও কর-সুবিধা সংকোচনের মাধ্যমে পরোক্ষ করবৃদ্ধি।

বেতনভোগী মানুষের বড় অংশের মাসিক আয় নির্দিষ্ট হলেও ব্যয় নির্দিষ্ট নয়। খাদ্য, বাসাভাড়া, চিকিৎসা, শিক্ষা, পরিবহন ও অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচ মেটানোর পর তাদের সঞ্চয়ের সুযোগ এমনিতেই সীমিত। এ অবস্থায় একই কর-সুবিধা পেতে ৫০ শতাংশ বেশি অর্থ বিনিয়োগ করা অধিকাংশ মধ্যবিত্ত পরিবারের পক্ষে সহজ নয়। বিশেষ করে বিনিয়োগের অর্থ কয়েক বছর আটকে রাখতে হলে সমস্যাটি আরও প্রকট হবে।

জীবন বীমা, প্রভিডেন্ট ফান্ড, ডিপিএস, সঞ্চয়পত্র এবং আইনে অনুমোদিত পুঁজিবাজারভিত্তিক বিভিন্ন বিনিয়োগে কর-রেয়াত দীর্ঘদিন ধরে একটি কার্যকর প্রণোদনা হিসেবে কাজ করেছে। সবাই শুধু কর বাঁচানোর জন্য সঞ্চয় করেন— এ কথা ঠিক নয়। তবে কর-সুবিধা অনেক মানুষকে নিয়মিত, আনুষ্ঠানিক ও দীর্ঘমেয়াদি সঞ্চয়ে অভ্যস্ত হতে উৎসাহিত করে। এই সুবিধার মূল্য কমে গেলে কিছু করদাতা বিনিয়োগ কমাতে বা পরে করতে পারেন, আবার কেউ কেউ অর্থ অনানুষ্ঠানিক খাতে রাখতে পারেন।

এ ধরনের আচরণগত পরিবর্তনের বৃহত্তর অর্থনৈতিক প্রভাবও রয়েছে। ব্যক্তিগত সঞ্চয় ব্যাংক আমানত, বীমা তহবিল, সরকারি সঞ্চয় কর্মসূচি ও পুঁজিবাজারের মাধ্যমে বিনিয়োগযোগ্য মূলধনে পরিণত হয়। দেশের শিল্পায়ন ও উন্নয়ন অর্থায়নে অভ্যন্তরীণ সঞ্চয়ের পরিমাণ যত বাড়বে, ব্যাংকঋণ ও বিদেশি অর্থায়নের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমানোর সুযোগ তত তৈরি হবে। ফলে দীর্ঘমেয়াদি মূলধন গঠনের প্রয়োজনের সঙ্গে সঞ্চয়ের কর-প্রণোদনা দুর্বল করার নীতি কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ, সেটি গভীরভাবে বিবেচনা করা প্রয়োজন।

অবশ্য কর-রেয়াত থাকলেই সঞ্চয় বাড়বে এবং রেয়াত কমলেই সঞ্চয় কমবে— সম্পর্কটি এত সরল নয়। আয়, মূল্যস্ফীতি, সুদের হার, বিনিয়োগের নিরাপত্তা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রতি আস্থাও সঞ্চয়ের সিদ্ধান্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তবু সীমিত উদ্বৃত্ত আয়ের করদাতাদের ক্ষেত্রে কর-রেয়াত একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রণোদনা। সেই প্রণোদনা হঠাৎ দুর্বল করা হলে আনুষ্ঠানিক সঞ্চয়ে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা অমূলক নয়।

বাংলাদেশের কর-জিডিপি অনুপাত দীর্ঘদিন ধরেই কম। সরকারের রাজস্ব বাড়ানোর প্রয়োজন তাই অনস্বীকার্য। কিন্তু রাজস্ব বাড়ানোর অর্থ শুধু বিদ্যমান ও সহজে শনাক্তযোগ্য করদাতাদের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করা নয়। প্রয়োজন করযোগ্য অথচ করের বাইরে থাকা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে করের আওতায় আনা, কর ফাঁকি ও অর্থপাচার প্রতিরোধ, কর প্রশাসনের ডিজিটাল রূপান্তর, তথ্যভান্ডারগুলোর কার্যকর সমন্বয় এবং অপ্রয়োজনীয় কর-অব্যাহতি পর্যালোচনা করা।

নিয়মিত কর প্রদানকারী বেতনভোগীদের কর-সুবিধা কমানো প্রশাসনিকভাবে সহজ হতে পারে, কিন্তু সহজ পথ সব সময় ন্যায়সংগত বা অর্থনীতির জন্য কল্যাণকর নয়। বিদ্যমান করদাতারা যদি দেখেন যে নিয়মিত কর পরিশোধের পরও তাদের প্রণোদনা ধারাবাহিকভাবে কমছে, তাহলে করব্যবস্থার প্রতি আস্থা ও স্বেচ্ছায় কর দেওয়ার আগ্রহ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। কর-জাল সম্প্রসারণের লক্ষ্যেও এটি ভুল বার্তা দিতে পারে।

অর্থ বিল ২০২৬-এর প্রস্তাবিত পরিবর্তন অনুযায়ী বিনিয়োগজনিত কর-রেয়াতের হার ১৫ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশে নামিয়ে আনা এবং রেয়াতের সর্বোচ্চ সীমা কমিয়ে দেওয়ার ফলে একই পরিমাণ কর-সুবিধা পেতে করদাতাদের উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি বিনিয়োগ করতে হবে। বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায়, যখন মূল্যস্ফীতি সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার ওপর চাপ সৃষ্টি করছে, তখন এই পরিবর্তন বিশেষ করে মধ্যবিত্ত ও বেতনভোগী করদাতাদের জন্য বাড়তি আর্থিক বোঝা হয়ে দাঁড়াতে পারে। একই সঙ্গে কর-রেয়াতের আকর্ষণ কমে গেলে ব্যক্তিগত সঞ্চয় ও দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ নিরুৎসাহিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, যা দেশের মূলধন গঠন ও সামগ্রিক বিনিয়োগ সক্ষমতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

অর্থ বিল চূড়ান্ত করার আগে তাই বিনিয়োগজনিত কর-রেয়াতের প্রস্তাবিত হার ও সর্বোচ্চ সীমা নতুন করে পর্যালোচনা করা প্রয়োজন। রাজস্ব আহরণের লক্ষ্য বজায় রেখেই এমন একটি ভারসাম্যপূর্ণ নীতি প্রণয়ন করা সম্ভব, যা নিম্ন ও মধ্যম আয়ের করদাতাদের ওপর অযৌক্তিক চাপ সৃষ্টি করবে না এবং দীর্ঘমেয়াদি সঞ্চয় ও উৎপাদনশীল বিনিয়োগকেও উৎসাহিত করবে।

করনীতি শুধু রাষ্ট্রীয় কোষাগার পূরণের যন্ত্র নয়; এটি মানুষের অর্থনৈতিক আচরণ পরিচালনারও শক্তিশালী মাধ্যম। একদিকে নাগরিককে সঞ্চয় ও বিনিয়োগে উৎসাহিত করার কথা বলা হবে, অন্যদিকে সেই সঞ্চয়ের প্রণোদনাই কমিয়ে দেওয়া হবে— এটি স্ববিরোধী নীতি। স্বল্পমেয়াদে কিছু অতিরিক্ত রাজস্বের আশায় দীর্ঘমেয়াদি মূলধন গঠনের পথ সংকুচিত করা দূরদর্শী সিদ্ধান্ত হতে পারে না।

লেখক: আর্থিক খাত বিশ্লেষক

ই-মেইল: [email protected]

আয়করসরকার
    শেয়ার করুন:
    advertisement
    advertisement
    ২২ জুন ২০২৬
    রাত ১:০০ টা
    বেলজিয়াম
    ০
    ইরান
    ০
    ২২ জুন ২০২৬
    রাত ৪:০০ টা
    উরুগুয়ে
    ২
    কেপ ভার্দে
    ২
    ২২ জুন ২০২৬
    সকাল ৭:০০ টা
    নিউজিল্যান্ড
    ১
    মিসর
    ৩
    ২২ জুন ২০২৬
    রাত ১১:০০ টা
    আর্জেন্টিনা
    ০
    অস্ট্রিয়া
    ০
    আসলেন পাথরকাণ্ডে, গেলেন মাজার বিতর্কে

    আসলেন পাথরকাণ্ডে, গেলেন মাজার বিতর্কে

    ২২ জুন ২০২৬, ০০:২৯

    আর্জেন্টিনা সমর্থকের বিরুদ্ধে ব্রাজিল সমর্থকের লিগ্যাল নোটিশ

    আর্জেন্টিনা সমর্থকের বিরুদ্ধে ব্রাজিল সমর্থকের লিগ্যাল নোটিশ

    ২২ জুন ২০২৬, ০০:৩৩

    চিকিৎসা ওষুধ, ভাড়াও দেন আলতাফ

    চিকিৎসা ওষুধ, ভাড়াও দেন আলতাফ

    ২২ জুন ২০২৬, ০৫:০১

    বাবার স্থায়ী অনুপস্থিতিই তাকে মহান করে

    বাবার স্থায়ী অনুপস্থিতিই তাকে মহান করে

    ২২ জুন ২০২৬, ০১:০০

    দু’হাজার প্রবাসী বাংলাদেশি আটক, দেশে ফিরতে পারছে না

    দু’হাজার প্রবাসী বাংলাদেশি আটক, দেশে ফিরতে পারছে না

    ২২ জুন ২০২৬, ০১:২৬

    আ. লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার

    আ. লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার

    ২২ জুন ২০২৬, ০১:৪৮

    খুনের রাজনীতি পরিহার না করলে বিএনপিকেও দেশছাড়া করবে জনগণ

    খুনের রাজনীতি পরিহার না করলে বিএনপিকেও দেশছাড়া করবে জনগণ

    ২২ জুন ২০২৬, ০২:২২

    ইরানের সঙ্গে ড্র করল ১০ জনের বেলজিয়াম

    ইরানের সঙ্গে ড্র করল ১০ জনের বেলজিয়াম

    ২২ জুন ২০২৬, ০৩:১৫

    মেসিকে ছাড়িয়ে গেলেন ইয়ামাল

    মেসিকে ছাড়িয়ে গেলেন ইয়ামাল

    ২২ জুন ২০২৬, ০২:৫৬

    দুপুরের মধ্যে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের আভাস

    দুপুরের মধ্যে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের আভাস

    ২২ জুন ২০২৬, ০৭:৫৮

    অবশেষে বিশ্বকাপের গ্যালারিতে ভোজিনহার মা

    অবশেষে বিশ্বকাপের গ্যালারিতে ভোজিনহার মা

    ২২ জুন ২০২৬, ১১:০৯

    আজ আর্জেন্টিনার অস্ট্রিয়া চ্যালেঞ্জ

    আজ আর্জেন্টিনার অস্ট্রিয়া চ্যালেঞ্জ

    ২২ জুন ২০২৬, ০৭:০৮

    ছোট দলগুলোকে সুবিধা দেওয়ার অভিযোগ স্কালোনির

    ছোট দলগুলোকে সুবিধা দেওয়ার অভিযোগ স্কালোনির

    ২২ জুন ২০২৬, ০৯:০৯

    রাজধানীসহ সারা দেশে ভূমিকম্প অনুভূত

    রাজধানীসহ সারা দেশে ভূমিকম্প অনুভূত

    ২২ জুন ২০২৬, ২১:৩১

    আজকের নামাজের সময়সূচি (২২ জুন)

    আজকের নামাজের সময়সূচি (২২ জুন)

    ২২ জুন ২০২৬, ০৭:৩৮

    advertiseadvertise