Agamir Somoy E-Paper
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় মতামত

মাজার ভাঙা মব এবং বিপন্ন বিচারিক স্বাধীনতার আখ্যান

চারু হক
agamir somoy
প্রকাশ: ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১৮:৩৪
মাজার ভাঙা মব এবং বিপন্ন বিচারিক স্বাধীনতার আখ্যান

চারু হক

বাংলাদেশে মব সহিংসতার শিকার শুধু মাজার, দরগাহ আর এগুলোকে আঁকড়ে ধরা প্রান্তিক মানুষেরা নন। এই সহিংসতার আগুনে আজ একইসঙ্গে পুড়ছে রাষ্ট্রের সবচাইতে স্পর্শকাতর স্তম্ভ- বিচার বিভাগ। মাজারকেন্দ্রিক মবের বিরুদ্ধে এ দেশের ইতিহাসে প্রথম বারের মতো যে বিচারক স্বপ্রণোদিত হয়ে ‘সুমোটো’ মামলা করেছিলেন। সেই বিচারকও স্বয়ং মব-সহিংসতার শিকারে পরিণত হয়েছেন।

নিঃসন্দেহে এটুকু পর্যবেক্ষণ থেকেই পরবর্তী বাস্তবতাও সহজে অনুমান করা যেতে পারে। সেটা হচ্ছে, দিনশেষে এই জনপদে মবকারী ব্যক্তিদেরই বিজয় নিশ্চিত হয়েছে; বিপরীতে, মবের বিরুদ্ধে মেরুদণ্ড সোজা করে দাঁড়ানো বিচারককে রাজধানী থেকে সুদূর সুনামগঞ্জে বদলি হতে হয়েছে। শুধু তাই নয়; ক্ষমতার অদৃশ্য নির্দেশে তাকে বিচারকের মর্যাদাপূর্ণ আসন থেকে সরিয়ে একজন লিগ্যাল এইড অফিসারের পদে অবনমিত করা হয়েছে।

অথচ, ভুক্তভোগী সেই বিচারকের সপক্ষে ডিজিটাল নথি থেকে শুরু করে জাতীয়ভিত্তিক পত্রিকা, টেলিভিশন ও ইউটিউবে বিস্তর তথ্যপ্রমাণসহ নিজ পেশাগত সংগঠনের জোরালো বিবৃতি আছে। কিন্তু তথ্য উপাত্তের এই পর্যাপ্ততা তো সম্প্রতি মাজার কেন্দ্রিক মব সহিংসতায় প্রাণ হারানো পীর শামীম আল জাহাঙ্গীরের ক্ষেত্রেও আছে। এ সত্ত্বেও চিহ্নিত হত্যাকারীরা আজ পুলিশের সামনে প্রকাশ্য দিবালোকেই ঘুরে বেড়াচ্ছে।

যখন এতসব অকাট্য তথ্যপ্রমাণ থাকার পরেও দেশের আইন ও তার রক্ষাকারী বাহিনী নির্বিকার নিষ্ক্রিয় থাকে এবং অপরাধ দমনে আগ্রহী ব্যক্তিদের জীবনই উল্টো বিপন্ন হয়ে পড়ে, তখন এটা বুঝে উঠতে বাকি থাকে না যে- ন্যায়বিচারের দাঁড়িপাল্লা এখন মব-উন্মাদনা ও রাজনৈতিক প্রভাবশালীদের হাতের মুঠোয় আটকে আছে।

ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে গিয়ে ক্ষমতা কাঠামোর রোষানল ও মব-সন্ত্রাসের মুখে পড়া এই বিচারকের নাম মো. জুনাইদ। গত ২০২৫-এর জানুয়ারিতে ঢাকার ধামরাইয়ে ‘বুচাই পাগলা’র মাজার বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়ার বিরুদ্ধে নেওয়া সাহসী আইনি পদক্ষেপই যেন আজ তাঁর পেশাগত জীবনের কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ঘটনার বীভৎসতা জাতীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলেও ধামরাই থানা পুলিশ যখন রহস্যজনক নীরবতা পালন করছিল, তখন বিচারক জুনাইদ অন্যান্যদের মতো হাত গুটিয়ে বসে না থেকে স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে বা ‘সুমোটো’ আদেশে ঘটনার তদন্তভার পিবিআই-এর ওপর ন্যস্ত করেন। শুধু তা-ই নয়, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নিয়মিত মামলা রুজু করে জড়িতদের চিহ্নিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) কড়া নির্দেশ প্রদান করেন।

এর আগে রাষ্ট্রীয় বাহিনীর নিষ্ক্রিয়তাকে চ্যালেঞ্জ করে এবং প্রশাসনের নাকের ডগা দিয়ে নদী থেকে প্রভাবশালীদের অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধেও তিনি একইরকম খড়্গহস্ত হয়েছিলেন।

তবে মো. জুনাইদ কোনো বিচ্ছিন্ন বা আকস্মিক দৃষ্টান্ত নন; নূরে আলম জিকু কিংবা আবু সাঈদ শুভর মতো নীতিবান বিচারকদের পরিণতিও একই সূত্রে গাঁথা। বিচারকের এজলাসও যে আজ আর কোনো সুরক্ষিত দুর্গ নয়, এগুলো তার নগণ্য কিছু নজির মাত্র। ঢাকার সাইবার অপরাধ ট্রাইব্যুনালে রাজনৈতিক তদ্বির ও অন্যায্য চাপ প্রত্যাখ্যান করায় বিচারক জিকুর বিরুদ্ধে সুপরিকল্পিতভাবে মব লেলিয়ে দেওয়া হয়েছিল, যার প্রতিক্রিয়ায় রাষ্ট্র কাঠামো তাঁকে সুরক্ষা দেয়ার বদলে পাবনায় বদলি করে দায় সেরেছে। অন্যদিকে, অ্যাটর্নি জেনারেলের এক অসাংবিধানিক ও এখতিয়ারবহির্ভূত বক্তব্যের আইনি প্রতিবাদ করায় বিচারক আবু সাঈদ শুভকে মাত্র চব্বিশ ঘণ্টার নোটিশে ঢাকা ছাড়তে বাধ্য করে সুদূর চাঁপাইনবাবগঞ্জে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

এই বিচারকগণ কোনো সুনির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের হয়ে না লড়ে, আইনের শাসনের মর্যাদা রক্ষায় লড়েছিলেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে, বর্তমান রাষ্ট্রব্যবস্থা এঁদের পরিবর্তে সম্ভবত এমনসব বিচারককে প্রত্যাশা করে, যারা আইন ও ন্যায়বিচারের চেয়ে রাজনৈতিক নেতার নির্দেশকে মেনে চলবেন।

নীতিনিষ্ঠ বিচারকদের এই পেশাগত বিড়ম্বনার সমান্তরালে সমাজে জেঁকে বসেছে এক ভয়াবহ সামাজিক দায়মুক্তির সংস্কৃতি। সুফি সমাজকেন্দ্রিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘মাকাম’-এর সাম্প্রতিক (৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬) তথ্য অনুযায়ী, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী দেড় বছরে দেশজুড়ে অন্তত ৯৭টি মাজারে হামলার ঘটনা ঘটলেও অধিকাংশের তদন্ত প্রক্রিয়া আজ হিমাগারে সমাহিত।

তথ্যপ্রযুক্তির এই স্বর্ণযুগে প্রতিটি হামলার ঘটনার যখন পর্যাপ্ত ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট ও ভিডিও ফুটেজ ইন্টারনেটে ভাসছে, তখন পুলিশের এই রহস্যজনক নির্লিপ্ততা মূলত মব-সন্ত্রাসীদের আরও বেপরোয়া হওয়ার লাইসেন্স জোগায়। রাষ্ট্র চিহ্নিত অপরাধীকে গ্রেপ্তার না করে উল্টো তাদেরকে আড়াল করতে চাইলে, জনমনে এই আশঙ্কাই প্রবল হয়- আইন সবার জন্য সমান নয়।

সবচাইতে দুর্ভাগ্যজনক বিষয় হলো, বিচারক লাঞ্ছনা কিংবা এই ধারাবাহিক মব-সহিংসতার বিরুদ্ধে আসক বা ব্লাস্টের মতো প্রভাবশালী মানবাধিকার সংগঠনগুলোও সেই মবের ভয়েই কুঁকড়ে আছে। যে সিভিল সোসাইটি বা নাগরিক সমাজের কণ্ঠস্বর অন্যায়ের বিরুদ্ধে গর্জে ওঠার কথা ছিল, তারা আজ মবের রোষানলে পড়ার ভয়ে কৌশলী নীরবতা পালন করছে। এইসব নীরবতা প্রকারান্তরে মবতন্ত্রকেই প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি দিচ্ছে।

প্রশ্ন হচ্ছে, বিচারকরা যদি আইনের শাসন কায়েম করতে গিয়ে নিজেরাই বিচারপ্রার্থী হয়ে ওঠেন এবং রাষ্ট্রের কাছে সুরক্ষা না পেয়ে লাঞ্ছিত হতে থাকেন- তবে সাধারণ মানুষ কাদের কাছে গিয়ে ভরসা খুঁজবে? বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে এক অদ্ভুত ও সংক্রামক ব্যাধি বাসা বেঁধেছে। যখন যারা ক্ষমতার কাছাকাছি থাকে, তারা বিচার বিভাগকে তাদের ব্যক্তিগত সম্পত্তি বা দলীয় কার্যালয়ের বর্ধিতাংশ মনে করতে শুরু করে। এই পেশিকেন্দ্রিক অপসংস্কৃতির বর্তমান পর্যায়ে আইনের ভাষায় কথা বলা ব্যক্তিকে ‘শত্রু’ বা ‘বিগত ফ্যাসিবাদের দোসর’ হিসেবে চিহ্নিত করে একঘরে করার চেষ্টা চলে।

বিচারক জুনাইদ, জিকু কিংবা আবু সাঈদ শুভরা শুধু তাঁদের পেশাগত শপথ রক্ষা করতে চেয়েছিলেন। তাঁরা চেয়েছিলেন ক্ষমতার তল্পিবাহক না হয়ে আইনের নিরপেক্ষ ভাষ্যকার হতে। কিন্তু আমাদের ক্ষমতা কাঠামো যেন চায় বিচারকরাও বিবেকহীন এক একটি ছকবন্দি ঘুঁটি হয়ে উঠুন, যারা কেবল নির্দেশিত পথে রায় প্রদান করবেন। এই ধরণের নীতিবান বিচারকদের ওপর নেমে আসা মানসিক, সামাজিক ও পেশাগত খড়্গ মূলত তাঁদের বিবেক ও সততা বিক্রি করতে না চাওয়ারই এক চড়া মাশুল। রাষ্ট্র তার সৎ কর্মীদের সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ হলে, সেই শূন্যস্থানে অপরাধীরাই তাদের রাজত্ব কায়েম করে।

মানবিক ও বিচারিক সংকটের প্রতি রাষ্ট্রের এই চরম উদাসীনতাই বর্তমান সময়ের সবচাইতে বড় ট্র্যাজেডি হয়ে দাঁড়িয়েছে। রাষ্ট্র তার নাগরিকদের বিশ্বাস ও ভরসার মর্যাদা রক্ষা করার পাশাপাশি খোদ বিচারকদের সম্মান সুরক্ষিত রাখতে ব্যর্থ হচ্ছে। এতে করে রাষ্ট্রকে আক্ষরিক অর্থেই এক গভীর খাদের দিকে ধাবিত হতে হচ্ছে।

মব-সন্ত্রাসীরা যখন দেখে বুলডোজার দিয়ে মাজার গুঁড়িয়ে দিলে কিংবা প্রকাশ্য দিবালোকে মানুষকে পিটিয়ে ও পুড়িয়ে মারলেও কোনো জবাবদিহি নেই, উল্টো প্রশাসন তাদের সুরক্ষা দিয়ে চলছে- তখন তারা গোটা জনপদকেই এক জাহান্নামে পরিণত করার আস্ফালন লাভ করে। অন্যদিকে, বিচারকগণ যখন দেখেন যে, ন্যায়বিচার করতে চাওয়ার অর্থ হলো সুনামগঞ্জ বা চাঁপাইনবাবগঞ্জে নির্বাসিত হওয়া- তখন তাঁদের অনেকেরই বুকের ভেতরের সাহস ও বিবেক অবশ হয়ে আসে। আত্মরক্ষার তাগিদে তাঁরা তখন মেরুদণ্ড নুইয়ে দিতে বাধ্য থাকে, আর এভাবেই একটি জনপদের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎ বিনষ্ট হতে শুরু করে। নীতিনিষ্ঠ বিচারকদের এই পরিস্থিতি শুধু বিচার বিভাগের ক্ষতি করছে না; সাধারণ মানুষের শেষ আশ্রয়স্থলটিকেও ধ্বংস করে দিচ্ছে।

চারিদিকে মেরুদণ্ডহীন সুবিধাবাদীদের ভিড়ে প্রকাশ্য-অপ্রকাশ্য নানাবিধ নিগ্রহ সহ্য করেও জুনাইদ, জিকু কিংবা শুভর মতো কিছু অকুতোভয় বিচারক আজও আইনের মর্যাদা রক্ষায় ঢাল হয়ে দাঁড়িয়ে আছেন। তাঁদের এই একলা লড়াই-ই অন্ধকারের মধ্যে বিরলপ্রজ কিছু প্রদীপ হয়ে জ্বলছে। সমাজ ও সাধারণ মানুষের ন্যায়বিচারের অধিকার রক্ষার এই সংগ্রাম শুধু তাঁদের ব্যক্তিগত ক্যারিয়ারের কোনো বিষয় নয়; এটি সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশের বিচার বিভাগের অস্তিত্ব ও মর্যাদা রক্ষার লড়াই। জুলাই অভ্যুত্থানে যারা বুক পেতে দিয়েছিল এবং যারা এক নতুন বৈষম্যহীন দেশের স্বপ্ন দেখেছিল, সেই হাজারো শহীদের রক্তের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেই এই লড়াই জারি রাখতে হবে। ক্ষমতার আপাত স্বাদ খুব মধুর হতে পারে এবং মব দিয়ে ক্ষমতা সংহত করা খুব সহজ মনে হতে পারে, কিন্তু সেই ক্ষমতার ভিত্তি যদি হয় বিচারহীনতা আর প্রতিহিংসা- তবে তা বালুর বাঁধের মতো যেকোন সময় ধসে পড়ার আশঙ্কায় থাকবে।

এইসব সংকটের দীর্ঘমেয়াদী সমাধান শুধু বিচার বিভাগকে স্বাধীন ঘোষণা করলেই সম্ভব হবে না। আমাদের প্রচলিত রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে প্রত্যাশিত পরিবর্তন আনতে হবে। রাজনৈতিক পরিচয়ের চেয়ে বিচারক ও আইনজীবীদের পেশাদারিত্ব এবং আইনি ন্যায্যতাকে সর্বাগ্রে রাখার সময় এসেছে। এ ছাড়া, একজন বিচারককে তাঁর প্রাপ্য সম্মান দেওয়া মানে কোনো রাষ্ট্রের আইন, সংবিধান এবং মানুষের ন্যায়বিচারের অধিকারকে সম্মান দেওয়া। এর বিপরীতে, আজ যারা কৌশলের দেওয়ালে জনআকাঙ্ক্ষাকে রুদ্ধ করার প্রয়াস অব্যাহত রাখছেন, তাঁদের উপলব্ধি করা প্রয়োজন যে- এ সমস্ত প্রয়াস আখেরে আরেকটি রক্তাক্ত ইতিহাসের পুনরাবৃত্তিকেই আহ্বান জানাবে।

জেগে ওঠা জনতার শক্তি যেমন অনিয়ন্ত্রিত হওয়া বিপজ্জনক, তেমনি সেই শক্তির দোহাই দিয়ে বিচারহীনতাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়াও একপ্রকার আত্মঘাতের নামান্তর। বিচারব্যবস্থাকে যদি মবতন্ত্র আর রাজনৈতিক শৃঙ্খল থেকে মুক্ত করা না যায়, তবে আমরা যে স্বাধীনতার স্বপ্ন দেখেছি- তা সহজেই পথ হারিয়ে ফেলতে পারে অভাবিত কোনো গোলকধাঁধায়।

লেখক: গবেষক ও অনুবাদক। তিনি বর্তমানে আয়ারল্যান্ডভিত্তিক একটি কনসালটেন্সি সংস্থায় কর্মরত। নাগরিক অধিকার ও উন্নয়ন বিষয়ে নিয়মিত লেখালেখি করেন।

চারু হকমাজার ভাঙাস্বাধীনতা
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise