জ্বালানি খাতে মাসে ১৫০ মিলিয়ন ইউরো ভর্তুকি দেবে পর্তুগাল সরকার

সংগৃহীত ছবি
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে সৃষ্ট অর্থনৈতিক চাপ মোকাবিলায় জ্বালানি খাতে বিশেষ ভর্তুকি দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে পর্তুগাল সরকার। এই ভর্তুকির জন্য প্রতি মাসে সরকারের প্রায় ১৫০ মিলিয়ন ইউরো ব্যয় হবে বলে জানানো হয়েছে।
পর্তুগালের প্রধানমন্ত্রী লুইস মন্টিনিগ্রো বুধবার মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর দেশবাসীর উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে এই প্যাকেজ ঘোষণা করেছেন।
প্রধানমন্ত্রী লুইস মন্টিনিগ্রো বলেছেন, জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির নেতিবাচক প্রভাব থেকে জনগণকে সুরক্ষা দিতে ইউরোপে পর্তুগালই প্রথম কার্যকর পদক্ষেপ নিয়েছে। আগামী ১ এপ্রিল থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত কার্যকর থাকবে জ্বালানি খাতের বিশেষ প্যাকেজে।
স্বেচ্ছাসেবক ফায়ার ফাইটার অ্যাসোসিয়েশন, ট্যাক্সি কোম্পানি এবং বেসরকারি সামাজিক প্রতিষ্ঠান, ৩৫ টনের বেশি ওজনের পণ্যবাহী ট্রাক এবং ২২ সিটের বেশি যাত্রীবাহী বাস, কৃষি, বনজ এবং মৎস্য খাতে ব্যবহৃত ‘ডাইড ডিজেলের’ওপরও প্রতি লিটারে অতিরিক্ত ১০ সেন্ট সহায়তা দেওয়া হবে।
এদিন সরকার আবাসন খাতেও বড় ধরনের কর-ছাড়ের ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী লুইস মন্টিনিগ্রো। তিনি স্থায়ী বসবাসের জন্য বাড়ি নির্মাণ বা সাশ্রয়ী ভাড়ার বাসস্থান প্রদানের ক্ষেত্রে ভ্যাট কমানোর কথা জানান। পাশাপাশি বাড়ি বিক্রির লভ্যাংশ পুনরায় সাশ্রয়ী ভাড়ার বাড়িতে বিনিয়োগ করলে ‘ক্যাপিটাল গেইন ট্যাক্স’ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হবে।
এ ছাড়া আবাসন ও ভবন নির্মাণের আইনি প্রক্রিয়া সহজ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যাতে সময় ও খরচ কমে আসে। উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া কোনো সম্পত্তি দুই বছর ধরে জটিলতার কারণে খালি থাকলে, যেকোনো অংশীদার তা বিক্রির উদ্যোগ নিতে পারবেন—এমন বিধানও আনা হচ্ছে। এতে ভাড়ার বাড়ির সরবরাহ বাড়বে বলে আশা করছে সরকার।

