Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
সবুজ স্বপ্ন বুনছেন শাকির
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় জাতীয়

আজ ফ্যামিলি কার্ডের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

  • প্রথম ধাপে ফ্যামিলি কার্ড পাচ্ছেন ৩৭৫৬৭ নারী
নিজস্ব প্রতিবেদক
agamir somoy
প্রকাশ: ১০ মার্চ ২০২৬, ০৯:০১
আজ ফ্যামিলি কার্ডের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

সংগৃহীত ছবি

নারীর ক্ষমতায়ন, অর্থনৈতিক মুক্তি এবং সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সরকার চালু করেছে নতুন ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি। এই কর্মসূচির আওতায় নারীপ্রধান পরিবারগুলোকে মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে ভাতা দেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল ১০টায় রাজধানীর বনানীর টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে (কড়াইল বস্তি-সংলগ্ন) আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন।

এর আগে সোমবার সচিবালয়ে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সমাজকল্যাণমন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন, অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমসহ দুই মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানান, নির্বাচনী অঙ্গীকারের অংশ হিসেবে এই গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সুফল যেন সব মানুষের ঘরে পৌঁছে, সে লক্ষ্যেই ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু করা হয়েছে। সুবিধাভোগী নির্বাচন প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের রাজনৈতিক বা দলীয় প্রভাব রাখা হয়নি বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

জানা গেছে, পাইলটিং পর্যায়ে দেশের ১৩টি জেলার ১৫টি ওয়ার্ডে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রতিটি পরিবারের আর্থসামাজিক অবস্থা যাচাই করতে জেলা থেকে ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে কমিটি গঠন করা হয়। তারা সরেজমিনে বাড়ি বাড়ি গিয়ে পরিবারের সদস্যসংখ্যা, শিক্ষা, বাসস্থান ও গৃহস্থালি সম্পদের তথ্য সংগ্রহ করেছেন।

প্রাথমিকভাবে সারাদেশে ৬৭ হাজার ৮৫৪টি নারীপ্রধান পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। পরে স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে ‘প্রক্সি মিনস টেস্ট’ পদ্ধতিতে দারিদ্র্য সূচক নির্ধারণ করে পরিবারগুলোকে শ্রেণিভুক্ত করা হয়। যাচাই-বাছাই শেষে সরকারি চাকরি, পেনশন বা একাধিক ভাতা গ্রহণের বিষয়গুলো বাদ দিয়ে চূড়ান্তভাবে ৩৭ হাজার ৫৬৭টি পরিবারকে এই কর্মসূচির আওতায় আনা হয়েছে।

পুরো প্রক্রিয়াটি সফটওয়্যারভিত্তিক হওয়ায় এতে কোনো ধরনের স্বজনপ্রীতি বা ম্যানুয়াল হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

এই কর্মসূচির আওতায় প্রতিটি পরিবারকে একটি করে আধুনিক ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে। স্পর্শবিহীন চিপসংবলিত এই কার্ডে কিউআর কোড ও এনএফসি প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে, যা নিরাপদ ও দীর্ঘস্থায়ী। সাধারণত পাঁচ সদস্যের একটি পরিবারের জন্য একটি কার্ড দেওয়া হবে। সদস্যসংখ্যা বেশি হলে প্রয়োজন অনুযায়ী একাধিক কার্ড দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।

নির্বাচিত নারী গৃহপ্রধান অন্য কোনো সরকারি ভাতা পেলে তা বাতিল হবে। তবে পরিবারের অন্য সদস্যদের প্রাপ্য সুবিধা অব্যাহত থাকবে।

প্রাথমিকভাবে সুবিধাভোগীরা মাসিক ২ হাজার ৫০০ টাকা নগদ সহায়তা পাবেন। ভবিষ্যতে সমমূল্যের খাদ্য সহায়তাও যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

জি-টু-পি (গভর্নমেন্ট টু পারসন) পদ্ধতিতে সরাসরি সুবিধাভোগী নারীর পছন্দ অনুযায়ী মোবাইল ওয়ালেট বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ভাতার টাকা জমা হবে। ফলে মধ্যস্বত্বভোগীর হস্তক্ষেপ বা বিলম্বের সুযোগ থাকবে না।

পাইলট প্রকল্পের জন্য আগামী জুন পর্যন্ত ৩৮ কোটি ৭ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর মধ্যে ২৫ কোটি ১৫ লাখ টাকা সরাসরি নগদ সহায়তা হিসেবে দেওয়া হবে এবং বাকি অর্থ ব্যয় হবে অনলাইন সিস্টেম ও কার্ড প্রস্তুতের কাজে।
কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড পাইলটিং বাস্তবায়ন গাইডলাইন, ২০২৬’ প্রণয়ন করা হয়েছে।

তারেক রহমানমোবাইল ব্যাংকিংপ্রধানমন্ত্রীফ্যামিলি কার্ডসমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়অর্থ মন্ত্রণালয়
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise