Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় জাতীয়

কাফরুলে গুলি করে যুবদল কর্মীকে হত্যা

ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী হতে চাওয়ায় হত্যার অভিযোগ

আগামীর সময় প্রতিবেদক
agamir somoy
প্রকাশ: ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪:২৪
ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী হতে চাওয়ায় হত্যার অভিযোগ

সংবাদ সম্মেলনে কাফরুল থানা যুবদলের সদস্যসচিব হাফিজুল ইসলাম বাবু - আগামীর সময়

রাজধানীর মিরপুরের কাফরুল এলাকায় গুলি করে যুবদলের কর্মী ইউসুফকে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এক সংবাদ সম্মেলনে এলাকার আধিপত্য ও বিভিন্ন ব্যবসাকে হত্যার কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হলেও, মূলত ওয়ার্ড কাউন্সিলর নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশের কারণেই এই হামলা ও হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (ক্র্যাব) মিলনায়তনে পল্লবীতে যুবদল নেতা ইউসুফ হত্যা-সংক্রান্ত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন কাফরুল থানা যুবদলের সদস্যসচিব হাফিজুল ইসলাম বাবু।

হাফিজুল ইসলাম বাবু বলেন, গত শুক্রবার রাতে রাজধানীর মিরপুর এলাকায় এক নারকীয় গুলির ঘটনা ঘটে। এই হামলায় নিহত হন কাফরুল থানা যুবদলের কর্মী ইউসুফ। গুলিতে গুরুতর আহত হন আরও দুজন। এ ঘটনায় ইতিমধ্যে একটি হত্যা মামলা হয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আটজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

তিনি বললেন, ওই হামলার মূল লক্ষ্য ছিলাম আমি নিজেই। আমাকে চিরতরে সরিয়ে দিতে ২৫ লাখ টাকার বিনিময়ে ভাড়াটে শুটার নিয়োগ করা হয়েছিল। কিন্তু আমি অলৌকিকভাবে বেঁচে যাই।

গত সোমবার ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) এই মামলা-সংক্রান্ত এক সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেছে, স্থানীয় আধিপত্য বিস্তার, ময়লার টেন্ডার, ফুটপাতের দোকান, ডিস-ইন্টারনেট ব্যবসা কিংবা জমি দখলকে কেন্দ্র করে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এই বক্তব্যের সঙ্গে প্রকৃত সত্যের কোনো মিল নেই বলে অভিযোগ তুলে হাফিজুল ইসলাম বাবু বলেন, আসন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ৪ নম্বর ওয়ার্ডে আমি কাউন্সিলর পদে প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলাম। আমার এই প্রার্থিতার আগ্রহই আমার ও আমার সহকর্মীদের জীবনের জন্য কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমি যাতে নির্বাচনে অংশ নিতে না পারি, সেই উদ্দেশ্যে অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে আমাকে হত্যার নীলনকশা করা হয়। মূল চক্রান্তকারী নিজে আড়ালে থেকে হাফিজুর রহমান হাফিজকে (সিএনজি হাফিজ) সামনে রেখে এই কিলিং মিশন পরিচালনা করেছে। মূল ঘটনা ও অপরাধীদের আড়াল করতে ব্যবসায়িক দ্বন্দ্ব ও আধিপত্যের গল্প সাজিয়ে পুরো বিষয়টিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।

পরে কিলিং মিশনে অংশ নেওয়া গ্রেপ্তার হওয়া আসামিদের সঙ্গে কাফরুল থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সাব্বির দেওয়ান জনির বেশ কয়েকটি ছবি দেখিয়ে তিনি দাবি করেন, হাফিজকে সামনে রেখে মূল ঘাতককে আড়াল করার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন পাঁয়তারা চলছে। এতক্ষণ যে ছবিগুলো দেখেছি, তিনজন ঘাতকের সঙ্গে একই নেতার ছবি। তাহলে কি সেই নেতাকে জিজ্ঞাসাবাদ করাটা আইনের দায়িত্ব নয়? এখনো কি আইন সেই নেতাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে? সেই নেতাকে জিজ্ঞাসাবাদ না করে আইন কী করল? হাফিজকে মূল আসামি করে প্রেস ব্রিফিং করে দিল। হাফিজ তো এখনো গ্রেপ্তারও হলো না। তাহলে এত তড়িঘড়ি করে প্রেস ব্রিফিং করার মানে কী—এমন প্রশ্ন তোলেন হাফিজুল ইসলাম বাবু।

নিজের জীবনের শঙ্কা প্রকাশ করে ভুক্তভোগী বাবু বলেন, আমি এখনো শঙ্কিত আছি।

হত্যাকারীর নাম মুখে আনাও অপরাধ হয়ে গেছে উল্লেখ করেন তিনি, ‘আগে মা-খালাদের মুখে শুনেছি, ভাসুরের নাম মুখে আনা যায় না। ভাসুরের নাম মুখে আনলে অপরাধ। এখন এমন এক পরিস্থিতিতে পড়েছি, হত্যাকারীর নাম মুখে আনাটাও আমার জন্য নাকি অপরাধ। আমি অবশ্যই আমার জীবন নিয়ে শঙ্কিত। রাষ্ট্র ও প্রশাসনের কাছে আমার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জোর দাবি জানাচ্ছি।’

হত্যার ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারী সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি উল্লেখ করলেন, কাফরুল থানার বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সাব্বির দেওয়ান জনি এ ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী ও অর্থদাতা বলে আমি ধারণা করছি। আবির, হাফিজ ও জিয়ারুল—এই তিন ঘাতকের সঙ্গে সাব্বির দেওয়ান জনির ছবি পাওয়া গেছে। তদন্তে অবশ্যই বের হয়ে আসবে, অন্যান্য ঘাতকের সঙ্গেও তার ছবি আছে কি না। এটি প্রমাণ করার দায়িত্ব রাষ্ট্র ও প্রশাসনের। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি, কিলিং মিশনের নেপথ্যে থাকা মূল নির্দেশদাতা ও পরিকল্পনাকারীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হোক।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত কাফরুল থানার বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সাব্বির দেওয়ান জনির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে তার জবাব, আমি প্রথম থেকেই এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের ভিত্তিতে বিচার চেয়ে আসছি। এ ঘটনায় যে বা যারাই অপরাধী হোক, তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। তদন্তে যদি আমার নামও আসে, তাহলে দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী যে সাজা হবে, তা মেনে নিতে আমি প্রস্তুত।

এ ঘটনায় প্রধান আসামি বা পরিকল্পনাকারী হিসেবে উল্লেখ করা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা হাফিজের সঙ্গে আপনার একাধিক ছবি রয়েছে—এমন প্রশ্নের জবাবে জনি বললেন, হাফিজ এখন কিলার বা হত্যাকাণ্ডের মূল আসামি বলা হলেও ২০১৫ সাল থেকে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। সেই সুবাদে তার সঙ্গে আমার ছবি থাকতেই পারে। এতে দোষের কিছু দেখছি না।

গুলিযুবদল কর্মীকে হত্যাকাফরুলহত্যা
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise