Agamir Somoy E-Paper
রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬
আগামীর সময়
জিলিয়ানের মানবসেবার পাঁচ যুগ
রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় জাতীয়

৬৩৪৫ কোটির সুফল নিয়ে শঙ্কা

৬৩ পৌরসভার ভাগ্যবদল প্রকল্পের ভাগ্যবিপর্যয়

  • সর্বনিম্ন দরদাতাকে না দিয়ে বহিষ্কৃত ঠিকাদারকে কাজ প্রদান
  • উচ্চমূল্যে কেনা হয়েছে নিম্নমানের ডাস্টবিন
  • পাঁচ বিশেষজ্ঞ নিয়োগ হলেও হয়নি ভূমি অধিগ্রহণ
হামিদ-উজ-জামান
হামিদ-উজ-জামান
agamir somoy
প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ২২:৪৮
৬৩ পৌরসভার ভাগ্যবদল প্রকল্পের ভাগ্যবিপর্যয়

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

স্বপ্ন ছিল আধুনিক নগর গড়ার। তাগিদ ছিল নাগরিক সেবা বাড়ানোর। সে তাগিদ থেকে শুরু হয় বিশাল এক কর্মযজ্ঞ। কিন্তু মাঝপথে এসে খেই হারিয়েছে সব। অনিয়ম আর অব্যবস্থাপনায় জলে যেতে বসেছে হাজার হাজার কোটি টাকা। জনগণের করের টাকার সুফল মেলা নিয়ে দেখা দিয়েছে বড় ধরনের সংশয়। এ চিত্র ‘নগর পরিচালন ও অবকাঠামো উন্নয়ন’ (আইইউজিআইপি) প্রকল্পের।

দেশের ৬৩টি পৌরসভার আধুনিকায়নে নেওয়া হয় এ উদ্যোগ, যা বাস্তবায়ন করছে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)। ২০২৩ সালের জুলাইয়ে শুরু হওয়া এ প্রকল্পের মেয়াদ ২০২৮ সালের জুন পর্যন্ত। কিন্তু পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) দ্বিতীয় খসড়া প্রতিবেদন বলছে, জনস্বার্থের এ মেগা প্রকল্প এখন গভীর সংকটে। তিন বছরে ভৌত অগ্রগতি মাত্র ২৯ দশমিক ৫০ শতাংশ। এ প্রকল্পের ওপর নিবিড় পরিবীক্ষণ সমীক্ষা করেছে আইএমইডি।

প্রকল্পের টাকা কীভাবে খরচ হচ্ছে, তার এক অভিনব চিত্র মিলেছে বাজার নির্মাণ ও নকশা উপখাতে। এখানে নকশা ও তদারকির জন্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছে আট পরামর্শক। এর মধ্যে শুধু একজন টিম লিডারের (সিনিয়র অবকাঠামো বিশেষজ্ঞ) বেতনই ধরা হয়েছে ২ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। বাকি বিশেষজ্ঞদের পেছনে বরাদ্দ ৪ কোটি ৫৬ লাখ টাকা।

প্রকল্পের কাঙ্ক্ষিত সফলতা নিয়ে শঙ্কা আছে। কেননা, একদিকে অগ্রগতি কম, অন্যদিকে যা বাস্তবায়ন তারও মান নিয়ে প্রশ্ন। সে সঙ্গে বিপুল পরামর্শকের বহর থাকলেও কাজের কাজ কিছুই দেখা যাচ্ছে না।

এত বিপুল টাকা ঢালার পরও কাজের কাজ হয়নি কিছুই। গত দুই বছর ১০ মাসে শুরু হয়েছে ছয়টি পৌরসভার মাত্র ছয়টি মার্কেট ও একটি পার্কের কাজ। এর মধ্যে দুটি মার্কেটের কাজ এখনো কাগজেই সীমাবদ্ধ। সুপরিকল্পিত ভাবনার অভাবে বারবার পরিবর্তন করতে হচ্ছে নকশা। মাঠপর্যায়ের কাজের সঙ্গে কোনো মিল নেই মূল নকশার। নিয়মিত তদারকি না থাকায় ধসে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে নির্মাণাধীন এসব স্থাপনা।

প্রকল্পের আরেকটি বড় অসংগতি হলো, ভূমি অধিগ্রহণ খাত। এ কাজের জন্য নিয়োগ করা হয়েছে পাঁচজন বিশেষ বিশেষজ্ঞ। তাদের মোট বেতন ধরা হয়েছে ৩ কোটি ৫৪ লাখ টাকা। অথচ বাস্তব চিত্র হলো, এখন পর্যন্ত ১ ইঞ্চি ভূমিও অধিগ্রহণ করা সম্ভব হয়নি। কোনো কাজ ছাড়াই মাসের পর মাস হাত গুটিয়ে বসে বেতন নিচ্ছেন এই বিশেষজ্ঞরা। অন্যদিকে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার অনুমোদন মিলছে না দীর্ঘসূত্রতার কারণে। ফলে প্রকল্পের এই গুরুত্বপূর্ণ অংশটির কাজ শুরু করা যায়নি এখনো।

প্রকল্পটি নিয়ে পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ অডিট আপত্তি দিয়েছে আইএমইডি। এগুলো হলো— সর্বনিম্ন দরদাতাকে না দিয়ে বহিষ্কৃত ঠিকাদারকে কাজ প্রদান, সরকারি স্থাপনায় থাকা পরামর্শককে অফিস ভাড়া পরিশোধ, পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের বিলের টাকা থেকে আয়কর কেটে না নেওয়া, সময়মতো কাজ করতে না পারায় ঠিকাদারের কার্যসম্পাদন জামানত বাজেয়াপ্ত না করা এবং অস্বাভাবিক বেশি দামে নিম্নমানের ডাস্টবিন কেনা। এসব কারণে আর্থিক ক্ষতি হয়েছে ২০ কোটি ৯৯ লাখ টাকা। প্রকল্পসংশ্লিষ্টরা বলছেন, ব্রডশিটে উত্তর দেওয়া হলেও এখনো অডিট আপত্তির নিষ্পত্তি হয়নি।

বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিসের সাবেক লিড ইকোনমিস্ট ড. জাহিদ হোসেন আগামীর সময়কে বললেন, ‘বাস্তবায়নের যে অবস্থা, এতে প্রকল্পের কাঙ্ক্ষিত সফলতা নিয়ে শঙ্কা আছে। কেননা, একদিকে অগ্রগতি কম, অন্যদিকে যা বাস্তবায়ন তারও মান নিয়ে প্রশ্ন। সে সঙ্গে বিপুল পরামর্শকের বহর থাকলেও কাজের কাজ কিছুই দেখা যাচ্ছে না।’

আইইউজিআইপি প্রকল্প হাতে নেওয়ার ক্ষেত্রে বিবেচনা বোধেরও ঘাটতি দেখছেন ড. জাহিদ। তিনি বলছিলেন, ‘এখানে যেটি বলা যায়, তা হলো প্রকল্পটির রেডিনেস ছিল না। অর্থাৎ অনুমোদনের সময় দেখা হয়নি এটি বাস্তবায়নের যোগ্য কি না, ফলে যা হওয়ার তা-ই হয়েছে। এক্ষেত্রে পরিকল্পনা কমিশন দায় এড়াতে পারে না।’

জানা যায়, দ্রুত নগরায়ণ ও নাগরিক চাহিদার প্রেক্ষাপটে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অবকাঠামো উন্নয়নে প্রকল্পটি হাতে নেওয়া হয়। ২০২৩-এর জুলাই থেকে শুরু হয়ে ২০২৮ সালের জুনের মধ্যে এটি বাস্তবায়নের কথা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের। মূল উদ্দেশ্য হলো, দেশের ৬৩ পৌরসভার সড়ক, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, পানি সরবরাহ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও স্যানিটেশন সুবিধার উন্নয়নের মাধ্যমে নাগরিকদের জীবনমান উন্নত করা। আইএমইডির প্রতিবেদনের খসড়ায় বলা হয়েছে, প্রকল্পের আওতায় রাস্তা ও ড্রেনেজ নির্মাণের সুবিধার্থে দুটি অঙ্গকে একত্র করে নির্মাণকাজ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। যদিও ডিপিপিতে (উন্নয়ন প্রস্তাব) আলাদা প্যাকেজ ছিল। সার্বিকভাবে নির্মাণকাজ গুণগত গ্রহণযোগ্য মাত্রায় থাকলেও প্রকল্পের বিভিন্ন অঙ্গের নির্মাণকাজে বেশ কিছু ত্রুটি-বিচ্যুতি পাওয়া গেছে। নকশা প্রস্তুতি ও নির্মাণকাজে নির্মাণসামগ্রীর ব্যবহারের ক্ষেত্রে অনেক স্থানে স্পেসিফিকেশনের ব্যত্যয় হয়েছে। রাস্তার পাশে নির্মিত ফুটপাতে এবং শেষ প্রান্তে যেসব স্থানে গভীর গর্ত রয়েছে, সেখানে কংক্রিটের খুঁটি বা প্রান্ত নির্দেশক বোলার্ড স্থাপন করা হয়নি। কিছু স্থানে ফুটপাতের টাইলস নির্দেশিত স্থান থেকে সরে যাওয়ায় এর মধ্যে চলাচল বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

ভূমি অধিগ্রহণের জন্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছে পাঁচজন বিশেষজ্ঞ। ধাপ অনুযায়ী তাদের বেতন ধরা হয়েছে মোট ৩ কোটি ৫৪ লাখ টাকা। কিন্তু এখনো কোনো ভূমি অধিগ্রহণ করা হয়নি। ফলে হাত গুটিয়ে বসে রয়েছেন বিশেষজ্ঞ পরামর্শকরা।

আরও বলা হয়েছে, প্রকল্পের কাজে কর্মরত শ্রমিকদের নিরাপত্তা সরঞ্জাম ব্যবহারে আগ্রহ ও প্রয়োজনীয়তা অনুধাবনের ঘাটতি রয়েছে। দেশব্যাপী প্রকল্পের কাজ করতে গিয়ে প্রকল্প পরিকল্পনায় স্থানীয় চাহিদার তুলনায় কম বরাদ্দ রেখে খণ্ডকালীন উন্নয়নের প্রচেষ্টা উন্নয়নবিষয়ক সমস্যা বলে মনে হয়েছে। নির্মাণ বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় অনুমোদনে দীর্ঘসূত্রতার কারণে প্রকল্পের এ গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গটির বাস্তবায়ন কাজ এখনো শুরু হয়নি। অবকাঠামো নির্মাণে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী ইটের পরিবর্তে ব্লক বা পরিবেশবান্ধব সামগ্রী ব্যবহার করা হচ্ছে না। অন্তত ৪০ শতাংশের বেশি ক্ষেত্রে রাস্তা নির্মাণে যথাযথ স্লোপ এবং সুপার অ্যালিডেশন (গাড়ি যাতে বাঁক নিতে গিয়ে বাইরে চলে না যায়, সেজন্য রাস্তার বাইরের অংশ উঁচু করা) বজায় রাখা হয়নি।

শুরু থেকে গত এপ্রিল মাস পর্যন্ত প্রকল্পের পেছনে খরচ হয়েছে ১ হাজার ১৪৯ কোটি টাকা, ক্রমপুঞ্জীভূত আর্থিক অগ্রগতি দাঁড়িয়েছে ১৮ দশমিক ১১ শতাংশ। এ ছাড়া ভৌত অগ্রগতি ২৯ দশমিক ৫০ শতাংশ। এটির ধীরগতি ও রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের ফলে স্থানীয় কিছু ঝুঁকিকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবেদনে।

প্রতিবেদন পর্যালোচনায় দেখা যায়, প্রকল্পের আওতায় মার্কেট নির্মাণে নকশা-সংক্রান্ত কাজের জন্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছে আটজনকে। এর মধ্যে টিম লিডারের (সিনিয়র অবকাঠামো বিশেষজ্ঞ) মোট বেতন বাবদ ধরা হয়েছে ২ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। বাকি বিভিন্ন পর্যায়ের বিশেষজ্ঞ ও প্রকৌশলীদের বেতন বাবদ ধরা হয়েছে ৪ কোটি ৫৬ লাখ টাকা। কিন্তু ২ বছর ১০ মাস পার হলেও এখন পর্যন্ত ছয়টি পৌরসভার ছয়টি মার্কেট ও একটি পার্কের কাজ চলছে। ছয়টি মার্কেটের মধ্যে দুটির কাজ শুরুই হয়নি। কেননা সুপরিকল্পিত পরিকল্পনার অভাবে বারবার নকশা পরিবর্তন করতে হচ্ছে। এ ছাড়া নকশায় নানা ধরনের অসংগতি রয়েছে। নকশার স্পেসিফিকেশনের সঙ্গে মাঠপর্যায়ে কাজের অসংগতি পাওয়া গেছে। পাশাপাশি নিয়মিত তদারকির অভাবে ঝুঁকিপূর্ণ নির্মাণকাজ হচ্ছে।

প্রতিবেদনে দেখা যায়, ভূমি অধিগ্রহণের জন্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছে পাঁচজন বিশেষজ্ঞ। ধাপ অনুযায়ী তাদের বেতন ধরা হয়েছে মোট ৩ কোটি ৫৪ লাখ টাকা। কিন্তু এখনো কোনো ভূমি অধিগ্রহণ করা হয়নি। ফলে হাত গুটিয়ে বসে রয়েছেন বিশেষজ্ঞ পরামর্শকরা।

প্রকল্পটির সার্বিক চিত্র সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের নজরে আনার কথা জানালেন আইএমইডির সচিব সিরাজুন নূর চৌধুরী। তিনি আগামীর সময়কে বললেন, ‘আমরা শুধু প্রতিবেদন দিয়েই দায়িত্ব শেষ করব না। এ বছর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে সুপারিশসহ প্রতিবেদন তো দেওয়া হবেই, পাশাপাশি বই আকারে প্রতিবেদন তৈরি করা হবে। এটি আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে ধরার পাশাপাশি সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের নজরেও আনা হবে।’

পৌরসভাপ্রকল্পভাগ্যবিপর্যয়
    শেয়ার করুন:
    advertisement
    advertisement
    ২১ জুন ২০২৬
    রাত ২:০০ টা
    জার্মানি
    ০
    আইভরি কোস্ট
    ০
    ২১ জুন ২০২৬
    রাত ৪:০০ টা
    ইকুয়েডর
    ০
    কুরাসাও
    ০
    ২১ জুন ২০২৬
    সকাল ১০:০০ টা
    তিউনিশিয়া
    ০
    জাপান
    ০
    ২১ জুন ২০২৬
    রাত ১০:০০ টা
    স্পেন
    ০
    সৌদি আরব
    ০
    হরমুজ বন্ধের ঘোষণার পরপরই লেবাননে হামলা বন্ধে নেতানিয়াহুর নির্দেশ

    হরমুজ বন্ধের ঘোষণার পরপরই লেবাননে হামলা বন্ধে নেতানিয়াহুর নির্দেশ

    ২১ জুন ২০২৬, ০০:১২

    advertiseadvertise