Agamir Somoy E-Paper
বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
কৃষক গড়েছেন ব্যতিক্রমী কলেজ
বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় জাতীয়

খুলনায় বাড়ি বাড়ি ডেঙ্গু, উৎকণ্ঠায় নগরবাসী

  • ১২ ওয়ার্ডকে রেড, অরেঞ্জ ও ইয়েলো জোনে ভাগ করে মশকনিধন জোরদার
  • উচ্চঝুঁকির রেড জোনে রয়েছে ২২, ২৮, ২৯ ও ৩০ নাম্বার ওয়ার্ড। মাঝারি ঝুঁকির অরেঞ্জ জোনে ১৭, ১৮, ২৩ ও ২৪ নাম্বার এবং কম ঝুঁকির ইয়েলো জোনে ১৫, ২০, ২৫ ও ৩১ নাম্বার ওয়ার্ড রাখা হয়েছে
এস এম আমিনুল ইসলাম, খুলনা
agamir somoy
প্রকাশ: ২০ আগস্ট ২০২৬, ১১:২৩
খুলনায় বাড়ি বাড়ি ডেঙ্গু, উৎকণ্ঠায় নগরবাসী

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ায় উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় রয়েছেন খুলনা মহানগরীর বাসিন্দারা। চলতি মৌসুমে বাড়িতে বাড়িতে ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে খুলনা সিটি করপোরেশন (কেসিসি) ৩১টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১২টিকে ঝুঁকির মাত্রা অনুযায়ী রেড, অরেঞ্জ ও ইয়েলো জোনে ভাগ করে মশকনিধন কার্যক্রম জোরদার করেছে। পাশাপাশি চলছে ক্র্যাশ প্রোগ্রাম ও মোবাইল কোর্ট।

চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ১৬ আগস্ট পর্যন্ত কেসিসি এলাকায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৮৮৮ জন। এ সময়ে ডেঙ্গু পজিটিভ শনাক্ত হয়েছে ২৬৭ এবং মারা গেছে দুজন।

কেসিসির ওয়ার্ডভিত্তিক তথ্যে দেখা যায়, সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়েছেন ৩০ নাম্বার ওয়ার্ডে ১১১ জন। এরপর ২৯ নাম্বারে ১০০, ২৮ নাম্বারে ৮০, ২২ নাম্বারে ৭৭, ১৮ নাম্বারে ৬৫, ১৭ নাম্বারে ৫৪, ২৭ নাম্বারে ৫১, ২৩ নাম্বারে ৫০ এবং ২৪ নাম্বারে ৪৮ জন আক্রান্ত হয়েছে।

উচ্চ ঝুঁকির রেড জোনে রয়েছে ২২, ২৮, ২৯ ও ৩০ নাম্বার ওয়ার্ড। মাঝারি ঝুঁকির অরেঞ্জ জোনে ১৭, ১৮, ২৩ ও ২৪ নাম্বার এবং কম ঝুঁকির ইয়েলো জোনে ১৫, ২০, ২৫ ও ৩১ নাম্বার ওয়ার্ড রাখা হয়েছে।

কেসিসি সূত্র জানায়, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে আক্রান্ত ব্যক্তিদের বাড়ি ও হটস্পট চিহ্নিত করে বিশেষ মশকনিধন কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। পুকুর, ডোবা ও জলাশয়ের কচুরিপানা অপসারণ, ঝোপঝাড় পরিষ্কার, লার্ভিসাইড ও অ্যাডাল্টিসাইড স্প্রে এবং ড্রেন পরিষ্কারের কাজ চলছে। ৩১টি ওয়ার্ডের কার্যক্রম তদারকিতে গঠন করা হয়েছে তিনটি উচ্চপর্যায়ের দল।

কেসিসির প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে ১০-১২টি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। ৫১টি ফগার, ৮৫টি হ্যান্ড স্প্রে ও চারটি হুইল ব্যারো মেশিন দিয়ে মশকনিধন কার্যক্রম চলছে। জনসচেতনতা বাড়াতে মাইকিং, লিফলেট বিতরণ এবং ধর্মীয় নেতাদের মাধ্যমে প্রচার চালানো হচ্ছে।

এদিকে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিয়ন্ত্রণ খাতে ২৪ কোটি ৯০ লাখ বরাদ্দ থাকলেও ব্যয় হয়েছে ১১ কোটি ১৫ লাখ টাকা। বিপুল অর্থ ব্যয়ের পরও ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ায় কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা।

বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১ জানুয়ারি থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত খুলনা বিভাগে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে ৩ হাজার ৬৯০, সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ৩ হাজার ১৬২, বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৪৭৬, এ সময় ডেঙ্গুতে মারা গেছে ১৪ জন।

স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. শেখ মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন বলেছেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে বাড়িঘর ও আশপাশ পরিষ্কার রাখতে হবে এবং সবাইকে মশারি টাঙিয়ে ঘুমাতে হবে। ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসায় উপজেলা ও জেলাপর্যায়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

ডেঙ্গুউৎকণ্ঠাশনাক্তকেসিসিবাহক
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise