Agamir Somoy E-Paper
শুক্রবার, ২৯ মে, ২০২৬
আগামীর সময়
সুনীল নিজেই ‘ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি’
শুক্রবার, ২৯ মে, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • চট্টগ্রাম
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • চট্টগ্রাম
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় সহযোগীদের খবর

ই-লোন কী, কীভাবে নেওয়া যায়?

বিবিসি বাংলা
agamir somoy
প্রকাশ: ১৭ মে ২০২৬, ১২:৩৯
ই-লোন কী, কীভাবে নেওয়া যায়?

ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়ার প্রসঙ্গ উঠলেই সর্বপ্রথম চোখের সামনে সাধারণত যেসব কর্মতালিকা ভেসে ওঠে, সেগুলো হলো: ব্যাংকে যাও, গিয়ে ফরম পূরণ করো; কাগজপত্র জমা দিতে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়াও এবং এরপর সেই টাকা হাতে পেতে ক্ষণে ক্ষণে ঘড়ি দেখ।
কিন্তু এখন প্রযুক্তির ছোঁয়ায় সেই চিত্র বদলাচ্ছে। মোবাইল ফোনের কয়েকটি ক্লিকেই ঋণের আবেদন, যাচাই-বাছাই, এমনকি ঘরে বসেই ঋণের টাকা পাওয়ার ব্যবস্থা তৈরি হয়েছে।

এই ব্যবস্থাকেই বলা হচ্ছে ‘ই-লোন’ বা ডিজিটাল ঋণ।

বাংলাদেশেও ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো ধীরে ধীরে এ ধরনের সেবা বাড়াচ্ছে।

১১ই মে ব্যাংক-কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ধারার আওতায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক এরই মধ্যে এ-সংক্রান্ত একটি নীতিমালা বা সার্কুলারও জারি করেছে।

তাই, সঙ্গত কারণেই প্রশ্ন আসছে: ই-লোন আসলে কী, এটি কীভাবে কাজ করে, কারা নিতে পারে, এতে কী ধরনের সুবিধা বা ঝুঁকি আছে, বাংলাদেশে এটি নতুন কি না ইত্যাদি।

ই-লোনের আবেদন থেকে অনুমোদন, পুরো প্রক্রিয়াই অনলাইনে সম্পন্ন হয়।

ই-লোন আসলে কী?

সাধারণভাবে, ই-লোন হলো এমন একটি ঋণসেবা, যেখানে আবেদন থেকে অনুমোদন, এই পুরো প্রক্রিয়াই অনলাইনে সম্পন্ন হয়। গ্রাহককে সরাসরি শাখায় যেতে হয় না।

গ্রাহক ওই ব্যাংকের মোবাইল অ্যাপ, ওয়েবসাইট বা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে প্রয়োজনীয় তথ্য জমা দিয়ে ঋণের জন্য আবেদন করতে পারেন।

সাধারণত ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো গ্রাহকের আর্থিক তথ্য, লেনদেনের ইতিহাস, আয় বা অন্যান্য তথ্য বিশ্লেষণ করে ঋণ অনুমোদনের সিদ্ধান্ত নেয়।

প্রযুক্তিনির্ভর এই ব্যবস্থায় সময় কম লাগলেও তথ্যের নিরাপত্তা এবং শর্তগুলো ভালোভাবে বোঝার বিষয়টি এখানে বেশ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন খাত সংশ্লিষ্টরা।

ই-লোনের ধারণা বাংলাদেশে নতুন না, প্রতীকী ছবি

ই-লোনের ধারণা কি বাংলাদেশে নতুন?

এই প্রশ্নের উত্তর, না। কারণ বাংলাদেশের একটি মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) কয়েক বছর ধরে ই-লোন দিয়ে আসছে।

দেশের সফটওয়্যার ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতের সংগঠন বেসিসের সাবেক সভাপতি এবং বিডি জবসের প্রধান নির্বাহী ফাহিম মাশরুর বিবিসি বাংলাকে বলেন, ‘এটা নতুন কিছু না। বিকাশ আর সিটি ব্যাংক মিলে যেটা করে, এটা সেটাই। লোন দেয় সিটি ব্যাংক, কিন্তু বিকাশের মাধ্যমে অ্যাপ্লাই করা যায়। শুরুতে এটা ছিল ২০ হাজার, এখন ৫০ হাজার করা হয়েছে।’

কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংকের ওই সার্কুলারের কারণ, এখন যেকোনো ব্যাংক এটি করতে পারবে।

মেঘনা ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ নূরুল আমিনও একই উদাহরণ দেন।

তিনিও বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন, ‘আগে ওই ব্যাংক বিকাশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় চুক্তিতে কাজটা করেছে। এখন যেটা হলো, দেশ জুড়ে সব ব্যাংকের জন্য এটা প্রযোজ্য হলো। এর মানে ডিজিটাল লোন দেওয়া কখনো নিষেধ ছিল না; এটা নতুন কিছু না, পুরনো জিনিস।’
তার ভাষায়, ই-লোন হলো ঋণের একটা 'প্রসেস' (ঋণ দেওয়ার একটি পদ্ধতি বা প্রক্রিয়া), এটি 'ক্যাটাগরি অব লোন না' (আলাদা কোনো ধরনের ঋণ নয়)।

এসএমই (ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প) বা করপোরেট যেমন ঋণের বিভিন্ন ক্যাটাগরি, ই-লোন তেমন কোনো আলাদা ক্যাটাগরি নয়।
এসএমইর সঙ্গে দুটো জিনিস যোগ হয়েছে। সিএম তথা কটেজ ও মাইক্রো। তাই এটিকে এখন বলা হয়, সিএমএসএমই— কটেজ, মাইক্রো, স্মল, মিডিয়াম এন্টারপ্রাইজেস। এই ক্যাটাগরির মধ্যে এই ই-লোন, যা ডিজিটালি করা যাবে।

বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ভবন

এখন কী কী শর্তে ই-লোন দেওয়ার কথা হচ্ছে?

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, এই সেবার নাম হবে বাধ্যতামূলকভাবে 'ই-লোন'।

এই ঋণের প্রধান শর্ত হলো, একজন গ্রাহক সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ নিতে পারবেন।

তবে, এই ঋণের মেয়াদ হবে সর্বোচ্চ এক বছর। অর্থাৎ, ১২ মাসের মধ্যে পরিশোধ করতে হবে।

এ ছাড়া, এ ক্ষেত্রে বাজারভিত্তিক সুদহার কার্যকর হবে। তবে কোনো ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংকের পুনঃঅর্থায়ন সুবিধার আওতায় এই ঋণ দিলে সুদের হার হবে সর্বোচ্চ ৯ শতাংশ।

অর্থাৎ, কোনো ব্যাংক বাজার পরিস্থিতি অনুযায়ী সুদ নির্ধারণ করতে পারে। কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংক যদি ওই ব্যাংককে বিশেষ সুবিধায় অর্থ দেয়, তাহলে গ্রাহকের কাছ থেকে ব্যাংক ৯ শতাংশের বেশি সুদ নিতে পারবে না। গ্রাহক কম সুদে ঋণ দেওয়াই এর মূল উদ্দেশ্য।
এ বিষয়ে ফাহিম মাশরুর বলেছেন, সিটি ব্যাংক বিকাশের মাধ্যমে এখন যেটা দিচ্ছে, সেটিও ৯ শতাংশ। তবে কোনো ব্যাংক চাইলে ৯ শতাংশের কমেও দিতে পারে।

আর ই-লোনের আবেদন থেকে শুরু করে ঋণ অনুমোদন ও বিতরণ, সব অনলাইনে হবে। অর্থাৎ এই ঋণ পেতে গ্রাহককে কোনো দলিলে স্বাক্ষর করতে হবে না। এর পরিবর্তে বায়োমেট্রিক তথ্য ও টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন ব্যবহার করে গ্রাহকের সম্মতি নেওয়া হবে।
যদিও ঋণ অনুমোদনের আগে ব্যাংক গ্রাহকের ঋণের পূর্বের রেকর্ড বা সিআইবি (ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরো) রিপোর্ট যাচাই করবে। তবে ই-ঋণের ক্ষেত্রে সিআইবি অনুসন্ধান বাবদ ব্যাংক বা গ্রাহকের ওপর চার্জ প্রযোজ্য হবে না।

আর, কোনো ঋণখেলাপি এই ডিজিটাল ঋণ-সুবিধা পাবেন না।

এ নিয়ে নির্দেশনায় বলা আছে, ব্যাংক-কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ২৭কক ধারার বিধান মোতাবেক খেলাপি ঋণগ্রহীতার অনুকূলে ঋণ প্রদানে বিরত থাকার বিষয়ে ব্যাংক যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। এ ক্ষেত্রে, ঋণ বিতরণের আগে অন্যান্য ব্যাংক, ফাইন্যান্স কোম্পানি ও মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস ইত্যাদি মাধ্যম হতে গৃহীত ঋণের (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) তথ্য সংগ্রহ করতে হবে।

ই-লোনের সুবিধা কোথায়?

যে ই-লোন নিয়ে কথা হচ্ছে, তুলনা করলে তার পরিমাণ সামান্য বলা চলে, যা ৫০ হাজার টাকা।

কিন্তু এই খাতের বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এতে অনেক মানুষ উপকৃত হবে। কারণ এখানে এক বছরে যে সুদ ধরা হয়েছে, তা তুলনামূলকভাবে কম।

মেঘনা ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ নূরুল আমিন বলছিলেন, এনজিও'র কাছে গেলে প্রতি সপ্তাহে কিস্তি শোধ করতে হয়। সেক্ষেত্রে এখানে ১২ মাসে বাড়তি চার-পাঁচ হাজার টাকা দিতে হবে। তবে এখানে সব ব্যাংকের সুদ এক রকম হবে না। কেউ কম দিতে পারে, কেউ বেশি দিতে পারে। কেউ সীমার মধ্যে থাকবে, কেউ শর্ত দিতে পারে।

তিনি বলেছেন, আর্থিক সেবার আওতা বাড়াতে এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। যারা সাধারণত ব্যাংকে যান না বা যেতে পারেন না, তাদের ব্যাংকিং ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত করাই এর উদ্দেশ্য।

৫০ হাজার টাকা দিয়ে একটি গরু কিনলেও তা কোরবানিতে বিক্রি করে দেওয়া যায়। এই ৫০ হাজার টাকা এখানে জাস্ট ঋণ। এটা পুঁজি না। এটা তার পুঁজিতে সাপোর্ট, বলছিলেন তিনি।

বেসিসের সাবেক সভাপতি ফাহিম মাশরুরও বিষয়টিকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন।

তিনিও মনে করেন, এই ই-লোন ক্ষুদ্র ঋণ না হলেও ‘ক্ষুদ্র ঋণের মতোই...ক্রেডিট কার্ডও একপ্রকার ক্ষুদ্র ঋণ। পার্থক্য হলো, ক্রেডিট কার্ডের ক্ষেত্রে অনেক ডকুমেন্টস দরকার হয়; যারা চাকরি করেন, তাদেরই দেওয়া হয়। আর এ ক্ষেত্রে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থাকলেই ব্যাংক এই ঋণ দিতে পারে। তাই প্রান্তিক মানুষ, শিক্ষার্থী, ছোট ব্যবসায়ীরাও এটা পেতে পারেন।’

বাংলাদেশ ব্যাংকও তার সার্কুলারে বলেছে, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে ব্যাংকিং কার্যক্রমে অন্তর্ভুক্তিকরণ ও ডিজিটাল আর্থিক সেবা ব্যবহারে অভ্যস্ত করার মাধ্যমে ক্যাশলেস সমাজ বিনির্মাণে 'ই-ঋণ' গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

একটি ব্যাংকের কাউন্টারে লেনদেন করছেন গ্রাহকরা, প্রতীকী ছবি

ঝুঁকির জায়গাগুলো কী কী?

মোহাম্মদ নূরুল আমিন ও ফাহিম মাশরুর দুজনেই বলেন, ই-লোনে কিছু ঝুঁকি রয়েছে।

‘সুদের হার ৯ শতাংশ থাকলে ব্যাংকগুলো আগ্রহী হবে না। ব্যাংক ১০০ জনকে ই-লোন দিল, সেখান থেকে ২০-২৫ জন লোন ফেরত না দিলে ব্যাংকের লস হবে। তাই রিস্ক কভার করার জন্য এ ক্ষেত্রে এই ৯ শতাংশের লিমিট থাকা উচিত না,’ বলেন মি. মাশরুর।

কারণ, এটা সিকিউরিটি ছাড়া লোন। করপোরেট লোনে বন্ধক থাকে, সিকিউরিটি থাকে। এখানে সিকিউরিটি নাই। এটা ঠিক যে কেউ না দিলে তার রেকর্ড থাকছে। তখন অন্য কোনো ব্যাংক থেকে সে লোন পাবে না, এটা সিস্টেমে থাকবে। কিন্তু ব্যাংকের তো রিস্ক। তাই রিস্ক কাভার করতে বিশ্বের সব দেশেই এই ধরনের লোনের ক্ষেত্রে ইন্টারেস্ট রেট বেশি ধরে।’

তিনি আরও ব্যাখ্যা করে বলেন, ৫০ হাজার টাকার জন্য গ্রাহকের পেছনে ছুটতেও তো ব্যাংকের একটা খরচ হবে। তাই, এই ধরনের ছোট ছোট লোনে সুদের হার অনেক বেশি থাকে। ২০-২৫ শতাংশ থাকলে ১০ জনের দুজন না দিলেও ব্যাংকের রিস্ক কভার হয়ে যায়। সেকারণেই বিদেশে করপোরেট লোনের ক্ষেত্রে রেট কম থাকে, এসব লোনে বেশি থাকে।

তার মতে, গ্রাহকের এখানে কোনো ঝুঁকি নেই।

আর ঝুঁকির ব্যাপারে মি. আমিনের ভাষ্য, ঝুঁকি থাকলেও সামনের দিকে আমাদের এদিকে যেতে হবে । ডিজিটাল ব্যাংক আছে বিশ্বে, ব্যাংকগুলোকে ডিজিটাল ব্যাংকিংয়ের জন্য লাইসেন্স দেওয়া হচ্ছে।

ই-লোন
    শেয়ার করুন:
    সাইপ্রাসে এস আলমের সম্পত্তি জব্দ, ৮ বিলিয়ন ইউরো পাচার তদন্তে নতুন মোড়

    সাইপ্রাসে এস আলমের সম্পত্তি জব্দ, ৮ বিলিয়ন ইউরো পাচার তদন্তে নতুন মোড়

    ২৮ মে ২০২৬, ২৩:২৪

    আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ফের আলোচনায় মহিষ ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’

    আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ফের আলোচনায় মহিষ ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’

    ২৮ মে ২০২৬, ২৩:৫৫

    শন টেইটের চোখ ভারতে

    শন টেইটের চোখ ভারতে

    ২৮ মে ২০২৬, ২৩:৫৭

    বোরহানউদ্দিনে ঈদের সন্ধ্যায় গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

    বোরহানউদ্দিনে ঈদের সন্ধ্যায় গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

    ২৮ মে ২০২৬, ২৩:১৬

    বানিয়াচংয়ের রায়হান মিয়ার 'গাছ মামা' হয়ে ওঠার গল্প

    বানিয়াচংয়ের রায়হান মিয়ার 'গাছ মামা' হয়ে ওঠার গল্প

    ২৮ মে ২০২৬, ২২:৫০

    ইমামতিতে বাধা দিয়ে নাঙ্গলকোটে ঈদের জামাত পণ্ড, এলাকায় ক্ষোভ

    ইমামতিতে বাধা দিয়ে নাঙ্গলকোটে ঈদের জামাত পণ্ড, এলাকায় ক্ষোভ

    ২৮ মে ২০২৬, ২৩:০৬

    ১২ সেকেন্ডের গোলে আনিকার বিশ্বরেকর্ড

    ১২ সেকেন্ডের গোলে আনিকার বিশ্বরেকর্ড

    ২৯ মে ২০২৬, ০০:৪৫

    গোপালগঞ্জে পিকআপ ও প্রাইভেটকারের সংঘর্ষ, তীর্থযাত্রীসহ আহত ২৬

    গোপালগঞ্জে পিকআপ ও প্রাইভেটকারের সংঘর্ষ, তীর্থযাত্রীসহ আহত ২৬

    ২৮ মে ২০২৬, ২২:৫৩

    ১০ বছর বয়সেই ভ্যানের হ্যান্ডেল ধরেছে ছোট্ট আরমান

    ১০ বছর বয়সেই ভ্যানের হ্যান্ডেল ধরেছে ছোট্ট আরমান

    ২৮ মে ২০২৬, ২২:৪৬

    গ্রিন কার্ড আবেদনে নমনীয়তার ইঙ্গিত ট্রাম্প প্রশাসনের

    গ্রিন কার্ড আবেদনে নমনীয়তার ইঙ্গিত ট্রাম্প প্রশাসনের

    ২৯ মে ২০২৬, ০০:৪৭

    অবহেলায় অস্তিত্ব সংকটে সরাইলের ৪০০ বছরের ঐতিহাসিক ‘হাতিরপুল’

    অবহেলায় অস্তিত্ব সংকটে সরাইলের ৪০০ বছরের ঐতিহাসিক ‘হাতিরপুল’

    ২৮ মে ২০২৬, ২২:৩৪

    গরুর চামড়া ৪০০, ছাগলেরটা ফ্রি

    গরুর চামড়া ৪০০, ছাগলেরটা ফ্রি

    ২৮ মে ২০২৬, ১৮:২০

    পরিবার ব্যস্ত কোরবানিতে, পুকুরে ডুবে সন্তানের মৃত্যু

    পরিবার ব্যস্ত কোরবানিতে, পুকুরে ডুবে সন্তানের মৃত্যু

    ২৮ মে ২০২৬, ২২:৪০

    কোরবানি দিতে গিয়ে আহত, ঢামেকে চিকিৎসা নিলেন ১০০ জন

    কোরবানি দিতে গিয়ে আহত, ঢামেকে চিকিৎসা নিলেন ১০০ জন

    ২৮ মে ২০২৬, ১৯:৪৮

    মালদ্বীপকে হারাতেই ঘাম ঝড়লো বাংলাদেশের

    মালদ্বীপকে হারাতেই ঘাম ঝড়লো বাংলাদেশের

    ২৮ মে ২০২৬, ২২:১৭

    advertiseadvertise