আনিস আলমগীর
ড. ইউনূস আইনের জুলুম চালু করেছেন

সংগৃহীত ছবি
‘শুধু অন্যায় নয়, আমার সঙ্গে জুলুম হয়েছে। আপনি আমাকে বলছেন সমালোচনা করেন। তারপর সমালোচনা করায় জেলে দিলেন। এটা তো বড় বাটপারি। এত বড় বাটপারি এক হাজার বছরে কেউ দেখেনি। সমালোচনা করলে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে জেলে দিচ্ছেন। সমালোচনা কী কখনো সন্ত্রাস হতে পারে! আমি কি কোনো সন্ত্রাসী কার্যক্রমে জড়িত আছি?’
সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর সাবেক অন্তর্বর্তী সরকার ও ড. মুহম্মদ ইউনূসের সমালোচনা করে বলছিলেন সাংবাদিক আনিস আলমগীর।
দুটি মামলায় জামিন পাওয়ার পর শনিবার বেলা আড়াইটার দিকে গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার পার্ট-২ থেকে ছাড়া পান তিনি। বিষয়টি নিশ্চিত করেন জেল সুপার মো. আল মামুন। মুক্তির সময় কারা ফটকে সাংবাদিকরা থাকলেও কোনো কথা বলেননি; পরে গণমাধ্যমকে এভাবেই অনুভূতি জানান আনিস আলমগীর।
‘১/১১ সরকার যে গুম-খুন বিনা বিচারে মানুষকে তুলে নেওয়ার সংস্কৃতি চালু করে সেটা শেখ হাসিনার সরকার পর্যন্ত এক্সটেন্ডেন্ট ছিল। আমি বলব শেখ হাসিনার সরকার হলো ১/১১ সরকারের এক্সটেনশন। এখন আইনের একটা জুলম চলছে, যেটা ড. ইউনূস চালু করে দিয়েছেন। সেই জুলুম যদি কন্টিনিউ করে, তবে সেটা মানুষ ভালোভাবে নেবে না’, ব্যাখ্যা করেন তিনি।
তিন মাস জেলে থাকার অভিজ্ঞতাও তুলে ধরেন আনিস আলমগীর। ‘জেলে আমার প্রতিটা ক্ষণ, প্রতিটা দিন কীভাবে যে গেছে বলতে পারব না। প্রথম এক মাস অমানুষিক নির্যাতন গেছে। একটা রুমে ৩৫ জন লোক ছিল। পরে একটু ভালো পরিবেশে নিয়ে আসা হয়েছে।’
বিএনপি সরকারকে দ্রুত দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার তাগিদ দিয়ে তিনি মন্তব্য করেন, ‘যেকোনো জেলে গিয়ে দেখবেন, শুধু একটা দলের রাজনৈতিক কর্মীরা জেল খাটছে। এমন লোকদের নিয়ে এসেছে, যাদের পদ–পদবি কিছুই নেই, দেওয়া হয়েছে।’

