Agamir Somoy E-Paper
শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের স্বপ্নের ফেরিওয়ালা সামাদ
শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় জাতীয়

ইপিআর নির্দেশিকা

প্লাস্টিক বর্জ্যের দায় উৎপাদকের

আগামীর সময় প্রতিবেদক
agamir somoy
প্রকাশ: ২১ আগস্ট ২০২৬, ০২:৩৬
প্লাস্টিক বর্জ্যের দায় উৎপাদকের

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

প্লাস্টিক দূষণ কমাতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এখন থেকে প্লাস্টিক পণ্য তৈরি, আমদানি ও বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকেই এ থেকে উৎপাদিত বর্জ্য সংগ্রহ ও রিসাইক্লিংয়ের (পুনঃচক্রায়ন) দায়িত্ব নিতে হবে। এজন্য ‘উৎপাদনকারীর সম্প্রসারিত দায়িত্ব (ইপিআর) নির্দেশিকা ২০২৬’ জারি করেছে সরকার।  গতকাল বৃহস্পতিবার নির্দেশিকাটি জারি করেছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। এতে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে প্রতি বছর তাদের বর্জ্য ব্যবস্থাপনার অগ্রগতি জানিয়ে দিতে হবে প্রতিবেদন। না দিলে নবায়ন করা হবে না নিবন্ধন।

নির্দেশিকায় বলা হয়, বাংলাদেশে তৈরি বা ব্যবহৃত সব ধরনের পুনঃচক্রায়নযোগ্য ও অপুনঃচক্রায়নযোগ্য প্লাস্টিক পণ্যের প্রস্তুতকারক, আমদানিকারক ও ব্র্যান্ড মালিকদের জন্য এই নির্দেশিকা। তবে রপ্তানি আদেশ অনুযায়ী পণ্য তৈরি করে এমন রপ্তানিমুখী শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো থাকবে এই নিয়মের বাইরে।

নির্দেশিকায় প্লাস্টিক পণ্যকে ভাগ করা হয়েছে পাঁচ ভাগে। এগুলো হলো— কঠিন প্লাস্টিক, নমনীয় প্লাস্টিক, স্টাইরোফোম বা ইপিএস, নিষিদ্ধ নয় এমন সিঙ্গেল ইউজ প্লাস্টিক এবং স্যানিটারি ন্যাপকিন, ডায়াপার ও সিগারেট ফিল্টারের মতো অন্যান্য প্লাস্টিক পণ্য। ধাপে ধাপে প্রতিষ্ঠানগুলোকে তালিকাভুক্ত করবে পরিবেশ অধিদপ্তর। প্রথম দুই বছরে বড় কোম্পানি, পরের দুই বছরে মাঝারি এবং পঞ্চম বছরে ছোট কোম্পানিকে আনা হবে তালিকায়।

পরিবেশ অধিদপ্তরে তালিকাভুক্ত হওয়ার ছয় মাসের মধ্যে নিবন্ধন করতে হবে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে। এই নিবন্ধন থাকবে তিন বছর। নিজেরা অথবা অন্য প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে মিলে প্লাস্টিক বর্জ্য সংগ্রহ, পুনঃচক্রায়ন ও পরিত্যাজনের ব্যবস্থা করবে তারা। প্রথম দুই বছরে অন্তত ১৫ শতাংশ বর্জ্য সংগ্রহ এবং ৭ দশমিক ৫ শতাংশ পুনঃচক্রায়ন করতে হবে। পরে বর্জ্য সংগ্রহের লক্ষ্য হবে ৩০ শতাংশ এবং পুনঃচক্রায়নের লক্ষ্য ১৫ শতাংশ।

নির্ধারিত লক্ষ্যের চেয়ে বেশি বর্জ্য সংগ্রহ করলে সেই অতিরিক্ত বর্জ্যের জন্য পাওয়া যাবে ‘প্লাস্টিক ক্রেডিট’। সরকার অনুমোদিত পদ্ধতিতে অন্য কোম্পানি বা আন্তর্জাতিক বাজারে বিক্রি করা যাবে এই ক্রেডিট।

সরকার মনে করছে, এই নির্দেশিকা চালু হলে প্লাস্টিক পণ্য তৈরির পর সেই পণ্যের বর্জ্য ব্যবস্থাপনার দায়িত্বও কোম্পানিগুলো নেবে। এতে প্লাস্টিক বর্জ্য সংগ্রহ ও পুনঃচক্রায়নের সুযোগ বাড়বে। একই সঙ্গে বর্জ্য সংগ্রহের সঙ্গে যুক্ত অপ্রাতিষ্ঠানিক কর্মীদের এই ব্যবস্থার আওতায় আনার সুযোগ তৈরি হবে। এতে প্লাস্টিক পুনঃব্যবহার ও পুনঃচক্রায়নের মাধ্যমে ধীরে ধীরে গড়ে উঠবে চক্রাকার অর্থনীতি।

‘এর ফলে দেশে প্লাস্টিক দূষণ কমবে, বিশেষ করে নদী ও সাগরে প্লাস্টিক বর্জ্য যাওয়ার পরিমাণ কমানো সম্ভব হবে। পাশাপাশি প্লাস্টিক দূষণ কমাতে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অঙ্গীকার বাস্তবায়নের কাজও এগিয়ে যাবে’— প্রত্যাশা সরকারের।

প্লাস্টিকদূষণসরকারবর্জ্য
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise