থানচির দুর্গম ‘তিন্দু নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়’ জাতীয়করণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
বান্দরবানের থানচির দুর্গম এলাকার ‘তিন্দু নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়’ জাতীয়করণের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আজ রবিবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে বাজেট আলোচনায় শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী স্কুলটি জাতীয়করণের এই ঘোষণা দেন।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, ‘সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী দেখেন এই বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক বামং খিয়াং মিংলেন তার সহকর্মীদের বেতন জোগাতে নৌকা চালান। শুধু মার্চ-এপ্রিল মাসে নৌকা চালিয়ে আয় করেছেন ৪০ হাজার টাকা। যার মধ্যে ৩০ হাজার টাকা দিয়েছেন সহকর্মীদের বেতন বাবদ।’
‘যেখানে দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলে একটি স্কুল টিকিয়ে রাখাই বড় চ্যালেঞ্জ, সেখানে প্রধান শিক্ষক অনেকের কাছে অনুপ্রেরণার গল্প। বিষয়টি নজরে আসার পর প্রধানমন্ত্রী গতকাল রাতেই শিক্ষামন্ত্রীকে স্কুলটি জাতীয়করণের জন্য যথাযথ ব্যবস্থা নিতে বলেন’, যোগ করেন তিনি।
বাজেট বক্তব্যের একপর্যায়ে শিক্ষামন্ত্রী বললেন, ‘প্রধানমন্ত্রী একটি নির্দেশ পাঠিয়েছেন থানচির তিন্দু এলাকার সেই স্কুলটিকে যেন জাতীয়করণ করা হয়। আজকে মহান সংসদে এ স্লিপটি পাঠিয়েছেন। স্কুলটি জাতীয়করণ করা হবে শিগগিরই।’
২০২০ সালে প্রতিষ্ঠিত তিন্দু নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বর্তমানে ৫৬ জন শিক্ষার্থী পড়লেও অধিকাংশ পরিবার দরিদ্র হওয়ায় নিয়মিত বেতন দিতে পারে না। ফলে শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন চালানো হয়ে পড়ে কঠিন। এই সংকট মোকাবিলায় ছুটির দিনগুলোতে প্রধান শিক্ষক নিজেই ইঞ্জিনচালিত নৌকা চালান থানচি–তিন্দু–রেমাক্রী নদীপথে। পর্যটক ও যাত্রী পরিবহন করে যা আয় হয়, তার বড় অংশই চলে যায় শিক্ষকদের বেতনে।




