Agamir Somoy E-Paper
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় জাতীয়

হাদি হত্যা: ‘ফয়সালকে পালাতে সহায়তাকারী’ ফিলিপ পশ্চিমবঙ্গে গ্রেপ্তার

অনলাইন ডেস্ক
agamir somoy
প্রকাশ: ১৪ মার্চ ২০২৬, ২০:৫৯
হাদি হত্যা: ‘ফয়সালকে পালাতে সহায়তাকারী’ ফিলিপ পশ্চিমবঙ্গে গ্রেপ্তার

সংগৃহীত ছবি

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলায় ফিলিপ সাংমা নামে সন্দেহভাজন আরেকজনকে গ্রেপ্তার করেছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের বিশেষ টাস্কফোর্স-এসটিএফ। দেশটির সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে-এর খবরে এসেছে এ তথ্য।

বলা হয়েছে, হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম ও তার সহযোগী আলমগীরকে মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে ভারতে ঢুকতে সহায়তা করেছিলেন ফিলিপ।

আজ শনিবার পশ্চিমবঙ্গে রাজ্যের নদীয়া জেলার শান্তিপুরের কাছ থেকে আটক করা হয় ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটের বাসিন্দা ফিলিপ সাংমাকে। তাকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে এসটিএফ।

ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন বলছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ফয়সাল করিম এবং আলমগীরকে মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে ভারতে ঢুকতে সহায়তা করার কথা স্বীকার করেছেন ফিলিপ সাংমা। বাংলাদেশে গ্রেপ্তার এড়াতে পরে নিজেও অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেন।

টাকার বিনিময়ে বাংলাদেশের হালুয়াঘাট এবং ভারতের মেঘালয়ের ডালুপাড়া সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে লোক পারাপার করাতেন বলেও স্বীকারোক্তি দিয়েছেন ফিলিপ- দাবি এসটিএফের।

জুলাই অভ্যুত্থান ও পরে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলনের মধ্য দিয়ে পরিচিতি পান ওসমান হাদি। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে দিয়েছিলেন নির্বাচনে দাঁড়ানোর ঘোষণা। গত ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর বিজয়নগর এলাকায় চলন্ত রিকশায় থাকা হাদিকে চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে গুলি করা হয়।

প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে তাকে ভর্তি করা হয়। দুইদিন পর এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে নেওয়া হয় সিঙ্গাপুরে। গত ১৮ ডিসেম্বর আসে তার মৃত্যুর খবর।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধির পাশে সমাহিত করা হয়েছে হাদিকে।

গুলির ঘটনার দুইদিন পর ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের হত্যাচেষ্টার মামলা করেন, যা পরে হত্যা মামলায় রূপান্তর হয়। ডিবি পুলিশের তদন্তে সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পি, সাবেক ছাত্রলীগ কর্মী ফয়সাল করিম মাসুদসহ ১৭ জনকে আসামি করে গত ৬ জানুয়ারি দেওয়া হয় অভিযোগপত্র। আসামিদের মধ্যে আছেন প্রধান অভিযুক্ত ফয়সালের মা-বাবা-স্ত্রী-শ্যালক ও বান্ধবী।

ডিবির দেওয়া অভিযোগপত্রে গত ১৫ জানুয়ারি অসন্তোষ জানিয়ে না-রাজি দাখিল করেন মামলার বাদী জাবের। আদালত মামলাটি সিআইডিকে তদন্তের নির্দেশ দেয়।

অভিযোগপত্রে বলা হয়েছিল, ‘রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণেই’ হাদিকে গুলি করে হত্যা করা হয়। নির্বাচনকে ‘বাধাগ্রস্ত করতে’ এবং ভোটারদের মধ্যে ‘ভয়ভীতি তৈরি করতে’ আসামি ফয়সাল ও তার সহযোগীরা হাদির নির্বাচনী প্রচারে অনুপ্রবেশ করে।

এর মধ্যে প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ও সহযোগী আলমগীর হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্কফোর্স (এসটিএফ)। গত ৭ মার্চ পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার বনগাঁ এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।

পরে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এএনআই জানায়, অবৈধ অনুপ্রবেশ ও ভারতে অবস্থানের অভিযোগে ফয়সাল ও আলমগীরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হাদিকে হত্যা এবং ভারতে পালিয়ে যাওয়ার কথা স্বীকার করেছে।

শরীফ ওসমান হাদিহাদি হত্যাকাণ্ড
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise