বিমসটেকের বৈঠকে দিল্লি যাচ্ছেন না স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ফাইল ছবি
প্রতিষ্ঠার প্রায় তিন দশক পর প্রথমবারের মতো বৈঠকে বসছেন বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলের সাত দেশের আঞ্চলিক জোট বিমসটেকের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরা। আগামীকাল মঙ্গলবার ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে হবে বৈঠকটি। তবে এতে যোগ দিচ্ছেন না বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তার পরিবর্তে যাচ্ছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরীর নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি প্রতিনিধিদল।
দিল্লির কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেল, বাংলাদেশ ছাড়া অন্য ছয় সদস্য দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা বৈঠকে অংশ নিচ্ছেন। বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বললেন, শেখ হাসিনার দিল্লিতে অবস্থান ও ভারতের সঙ্গে বিদ্যমান সম্পর্কের টানাপড়েনের প্রেক্ষাপটেই এই সিদ্ধান্ত।
এর আগে গত সেপ্টেম্বরে দিল্লিতে অনুষ্ঠিত ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের আউটরিচ অধিবেশনেও যাননি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিমসটেকের বর্তমান সভাপতি হিসেবে তাকে ওই অধিবেশনে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল ভারত। তবে বাংলাদেশ সরকার জানিয়েছিল, আমন্ত্রণটি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নয়, বিমসটেকের সভাপতি হিসেবে পাঠানো হয়েছিল।
দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মধ্যে সহযোগিতার সেতুবন্ধ হিসেবে কাজ করার লক্ষ্যে ১৯৯৭ সালের ৬ জুন ব্যাংকক ঘোষণার মধ্য দিয়ে যাত্রা শুরু করে বিমসটেক। এর সাত সদস্য দেশ হলো বাংলাদেশ, ভারত, মিয়ানমার, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, নেপাল ও ভুটান। ২০২৫ সালের এপ্রিলে বাংলাদেশ বিমসটেকের সভাপতির দায়িত্ব নিয়েছিল। বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠকে না যাওয়ার বিষয়টি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক চিঠিতেও প্রতিফলিত হয়েছে। ৪ অক্টোবর বিমসটেক সচিবালয়ে পাঠানো ওই চিঠিতে ১২ ও ১৩ অক্টোবরের বৈঠকের জন্য চার সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নাম জানানো হয়। তালিকায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নাম নেই। ৫ অক্টোবর সদস্যদেশগুলোর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো বিমসটেক সচিবালয়ের জরুরি চিঠিতেও বলা হয়েছে, বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের মনোনয়ন পাঠিয়েছে।



