শুধু মানুষ নয়, কোনো প্রাণীও হিংস্রতার শিকার হবে না

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
সরকার একটি নিরাপদ বাংলাদেশ তৈরিতে কাজ করছে; যে দেশে কেবল মানুষ নয়, কোনো প্রাণীও হিংস্রতার শিকার হবে না। এমনটাই বলছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ সভাকক্ষে ছিল নজরুলবর্ষ উপলক্ষে এক সভা। সেখানেই প্রধানমন্ত্রীর কথায় উঠে এলো এ আশাবাদের প্রসঙ্গ।
প্রধানমন্ত্রী বললেন, ‘আমরা এমন এক রাষ্ট্র ও সমাজ বিনির্মাণের লক্ষ্যে কাজ করছি— যেখানে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রতিটি মানুষ নির্বিঘ্নে-নিরাপদে বসবাস করবে। শুধু মানুষের নিরাপত্তাই নয়, কোনো প্রাণীও মানুষের হিংস্রতার শিকার হবে না— বর্তমান সরকার সেটিও নিশ্চিত করতে চায়।’
অপশক্তি নিজেদের হীন দলীয় স্বার্থে মানুষের মধ্যে বিভেদ-বিরোধ সৃষ্টির অপচেষ্টা চালালেও, সবাই মিলেমিশে থাকাই বাংলাদেশের মানুষের আবহমানকালের মূল্যবোধ- যোগ করলেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্যকর্ম ও জীবনবোধ চার দেয়ালে আবদ্ধ না রেখে মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান জানান তারেক রহমান। তিনি বললেন, “তথ্যপ্রযুক্তির অবাধ প্রবাহ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সীমাহীন ইতিবাচক এবং নেতিবাচক প্রভাব আমাদের নতুন প্রজন্মের সামনে একদিকে যেমন জ্ঞানের দ্বার উন্মোচন করে দিয়েছে, অন্যদিকে মূল্যবোধ হারিয়ে বিপথগামী হওয়ার পথও উন্মুক্ত। এমন জটিল বাস্তবতায় কাজী নজরুল ইসলামের ‘আমি হবো সকাল বেলার পাখি/সবার আগে কুসুম বাগে/উঠবো আমি ডাকি’ কিংবা ‘থাকবো নাকো বদ্ধ ঘরে/দেখবো এবার জগৎটাকে’— এ ধরনের নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন ছড়া বা কবিতা আমাদের উদীয়মান প্রজন্মের সামনে আশাজাগানিয়া আলোকবর্তিকা হয়ে উঠতে পারে।”
এ কারণেই প্রধানমন্ত্রী কবি নজরুলকে নিয়ে আলোচনা মন্ত্রণালয় কিংবা সরকারি অফিসের চার দেয়ালে আবদ্ধ না রেখে তার সাহিত্যকর্ম, তার জীবনবোধ মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান জানালেন।




