বিশ্ববাজারে কমলেই দেশে কমবে জ্বালানি তেলের দাম: প্রতিমন্ত্রী

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত - ফাইল ছবি
আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমে এলে দেশের বাজারেও দ্রুত মূল্য সমন্বয় করে সেই সুবিধা ভোক্তাদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
তিনি বলেছেন, বৈশ্বিক বাজারের বাস্তবতা ও মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকটের কারণে বাধ্য হয়ে জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করেছে সরকার।
সোমবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী স্পষ্ট করেন, প্রতি মাসে জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয়ের একটি নির্ধারিত প্রক্রিয়া রয়েছে দেশে। তবে এপ্রিল মাসে মূল্য সমন্বয় করায় মে মাসে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি নতুন করে। সাম্প্রতিক আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি এবং বিশ্ববাজারে দামের ওঠানামার কারণে নতুন করে মূল্য সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে সরকারকে।
প্রতিমন্ত্রী বললেন, কখনোই অপ্রয়োজনীয়ভাবে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াতে চায় না সরকার। কিন্তু আন্তর্জাতিক বাজারের পরিস্থিতি এবং মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার প্রভাবে এমন অবস্থা তৈরি হয়েছে, যেখানে মূল্য সমন্বয় ছাড়া বিকল্প ছিল না কিছু ক্ষেত্রে।
অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের দাবি, ‘সরকারের ভর্তুকির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি ডিজেলে। সাধারণ মানুষের ওপর চাপ কম রাখতে এবারও অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে ডিজেলের দাম। তারপরও পরিস্থিতির কারণে অন্যান্য কয়েকটি জ্বালানির ক্ষেত্রে করতে হয়েছে মূল্য সমন্বয়।’
জ্বালানি তেলের দাম কমানোর সম্ভাবনা সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন, ‘অতীতে আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমলেও সব সময় তার সুফল দ্রুত পায়নি মানুষ। তবে বর্তমান সরকার জনগণের কাছে দায়বদ্ধ। বিশ্ববাজারে দাম কমে এলে জনগণের ভোগান্তি কমাতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে দ্রুত।’
এর আগে রোববার রাতে জারি করা প্রজ্ঞাপনে ডিজেলের দাম অপরিবর্তিত রেখে কেরোসিন, পেট্রোল ও অকটেনের দাম লিটারপ্রতি ৫ টাকা বাড়ানো হয়। সরকারের দাবি, আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রাখতে করা হয়েছে এই মূল্য সমন্বয়।




