আগের রূপে থাকছে না র্যাব, ইঙ্গিত তথ্য উপদেষ্টার

জাহেদ উর রহমান
আগের রূপে থাকছে না র্যাব। একটি পূর্ণাঙ্গ ও সুনির্দিষ্ট আইনের আওতায় সংস্কার করা হচ্ছে বাহিনীটিকে। এমনকি বদলে যেতে পারে এর নামও। র্যাব বিলুপ্তির দাবি ও এর ভবিষ্যৎ রূপরেখা নিয়ে বলছিলেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়বিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দেন উপদেষ্টা।
একটি সুনির্দিষ্ট আইন থাকলে অতীতের ঝুঁকি আর থাকবে না, বলছিলেন তিনি। ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গতকালই ঘোষণা দিয়েছেন, র্যাবের জন্য একটি নতুন ও পূর্ণাঙ্গ আইন করা হচ্ছে। এতদিন র্যাব আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের একটি অপশনের অধীনে কাজ করছিল। নতুন আইনে র্যাবের সবকিছু অনেক বেশি সুনির্দিষ্ট থাকবে।’
এ সময় বক্তব্য মিসকোট না করার আহ্বান জানান জাহেদ উর রহমান। অতীতের মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন তথ্য উপদেষ্টা। ‘আইন কীভাবে কার্যকর হবে, তা নির্ভর করে ওই সরকারের চিন্তাভাবনার ওপর। শেখ হাসিনার আমলে ব্যাংকিং খাতে যেভাবে লুটপাট হয়েছে, তা হয়েছে শেখ হাসিনার অনুমোদনে। ঠিক একইভাবে র্যাব যেভাবে মানবাধিকারের মারাত্মক লঙ্ঘনের জন্য ব্যবহৃত হয়েছিল, সেটাও হয়েছিল শেখ হাসিনার কারণে।’
তার ভাষ্য, ‘একটি রাষ্ট্রে এলিট ফোর্স থাকার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। সমালোচনা সরিয়ে রাখলে আমরা দেখব, র্যাব অত্যন্ত সফলভাবে নানা ধরনের সন্ত্রাস ও অপরাধ মোকাবিলা করতে পেরেছে, যা আমাদের কনভেনশনাল পুলিশ বাহিনী পেরে ওঠেনি। তাদের ভালো ইকুইপমেন্টস এবং উন্নত প্রশিক্ষণ রয়েছে।’




