আগামীর সময়

যেমন কাটবে কারাবন্দীদের ঈদ

যেমন কাটবে কারাবন্দীদের ঈদ

ফাইল ছবি

চার দেয়ালে বন্দী জীবনে ঈদের আমেজ পৌঁছে দিতে এবারও নানা উদ্যোগ নিয়েছে কারা অধিদপ্তর। প্রতিবারের মতো মেন্যুতে থাকছে বিশেষ খাবার, আছে বিনোদনের আয়োজন ও স্বজনদের সঙ্গে ফোনে কথা বলার সুযোগও।

২০২৪ এর অভ্যুত্থানের পর থেকে দেশের বিভিন্ন কারাগারে বন্দীদের একটা বড় অংশ ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী, তৎকালীন মন্ত্রী-এমপি, সেই আমলের বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা এবং আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্টরা। কয়েক সাংবাদিকসহ আওয়ামী সংশ্লিষ্টতায় অভিযুক্তরাও আছেন বন্দী।

শনিবার ঈদের দিন সাধারণ বন্দী ও কারাগারে থাকা ভিআইপি ও (বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি) ডিভিশন পাওয়া বন্দীরা পাবেন একই খাবার।

কারা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঈদের সকালে দেওয়া হবে পায়েস, সেমাই ও মুড়ি। দুপুরে থাকবে পোলাও, গরুর মাংস, মুরগির রোস্ট, সালাদ, মিষ্টি ও পান–সুপারি। অন্য ধর্মাবলম্বীদের জন্য থাকবে খাসির মাংস। আর রাতে পরিবেশন করা হবে সাদা ভাত, আলুর দম ও রুই মাছ ভাজা।

পাশাপাশি ঈদের দিন থেকে পরবর্তী তিন দিন স্বজনদের আনা খাবারও দেয়া হবে তাদের। ওই তিন দিনের মধ্যে স্বজনদের সঙ্গে মোবাইল ফোনে একবার পাঁচ মিনিটের জন্য কথা বলার সুযোগ পাবেন তারা। দেখা করারও সুযোগ দেয়া হবে একবার।

বন্দীদের ঈদের নামাজ আদায়ে কারাগারে থাকবে জামাতের ব্যবস্থা। যথাযথ নিরাপত্তায় ভেতর থাকবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও খেলাধুলা আয়োজনের সুযোগ।

কারা অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ১৬ মার্চ পর্যন্ত হিসাবে দেশের ৭৪ কারাগারে বন্দী ৮০ হাজার। এর মধ্যে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দীর সংখ্যা সাড়ে ৯ হাজার।

এসব কারাগারে জুলাই অভ্যুত্থানের পর হত্যাসহ বিভিন্ন অভিযোগে করা মামলায় কারাবন্দী আওয়ামী লীগের সাবেক মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, শীর্ষস্থানীয় নেতা ও সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে ডিভিশন পেয়েছেন ১৮৩ জন। আর ভিআইপি হিসেবে কারাগারে আছেন ৩২ জন।

    শেয়ার করুন: