মুক্তিযুদ্ধে জিয়াউর রহমানের অগ্রণী ভূমিকা স্মরণ করল ভারত

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে মুক্তিযুদ্ধে তাঁর ভূমিকার কথা স্মরণ করেছে ভারত। ১৯৭১ সালের মার্চে দেওয়া তাঁর ঐতিহাসিক বেতার ভাষণের কথা উল্লেখ করে, তাঁকে বাংলাদেশের অন্যতম সাহসী সন্তান হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে।
ভারত বলেছে, তাঁর সেই আহ্বান, প্রতিরোধ আন্দোলনকে অনুপ্রাণিত করেছিল এবং স্বাধীনতাযুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিল।
আজ শনিবার ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশনের এক বার্তায় বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে জিয়াউর রহমানের ভূমিকার কথা শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করা হয়।
বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়, ১৯৭১ সালের মার্চে দেওয়া তাঁর বিখ্যাত রেডিও ভাষণের গুরুত্বে কথাও।
বার্তায় আরও বলা হয়, বাংলাদেশের মানুষ আজ তাদের জাতির অন্যতম সাহসী সন্তান শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তমকে স্মরণ করছে। এ সময়ে আমরাও ১৯৭১ সালের মার্চে দেওয়া তাঁর বিখ্যাত বেতার ভাষণের কথা স্মরণ করছি। সেই ভাষণ জনসাধারণকে উদ্দীপ্ত করেছিল, নিপীড়নের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে তাদেরকে অনুপ্রাণিত করেছিল ও জাতীয় মুক্তির পথকে সুগম করেছিল।
ভারতীয় হাইকমিশন আরও উল্লেখ করে, ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সংকটময় মুহূর্তে জিয়াউর রহমানের ভাষণ পুরো জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেছিল। এটি প্রতিরোধ আন্দোলনের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে উঠেছিল।’
প্রতিবেশী দুই দেশের ঐতিহাসিক বন্ধনের কথা স্মরণ করে ভারত জানিয়েছে, মুক্তিযুদ্ধের সময় যেমন ছিল, আজও তেমনি তারা বাংলাদেশের জনগণের পাশে রয়েছে।
বার্তায় আরও বলা হয়, ‘আজও বাংলাদেশের জনগণের পাশে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে ভারতের জনগণ। যৌথ ত্যাগের ইতিহাস এবং দুই দেশের জনগণের অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির অভিন্ন যাত্রায় সেই সম্পর্ক এখনও অটুট।’
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকীর পালনের দিনে এই শ্রদ্ধাঞ্জলি পাঠিয়েছে ভারত সরকার।
১৯৮১ সালের ৩০ মে রাজনৈতিক সফরে চট্টগ্রামে অবস্থানকালে বিপথগামী একদল সেনা সদস্যের হাতে শাহাদাত বরণ করেন তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান।






