রামিসা হত্যা মামলায় আসামিপক্ষে আইনজীবী দিল আইন মন্ত্রণালয়

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যা মামলায় আসামিপক্ষে রাষ্ট্রীয় খরচে আইনজীবী নিয়োগ দিয়েছে আইন মন্ত্রণালয়। এ মামলায় আসামিপক্ষের আইনজীবী হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ঢাকা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য মুসা কালিমুল্যাহ।
আজ রবিবার আইন ও বিচার বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব (জিপি-পিপি) মো. ফারুক হোসাইন স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
এর আগে বিকেলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপপরিদর্শক অহিদুজ্জামান দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেন। এতে আসামি সোহেল রানা এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে অভিযুক্ত করা হয়। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল হক অভিযোগপত্র গ্রহণ করে মামলাটি বিচারের জন্য বদলির আদেশ দেন। পরে ঢাকার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য আগামী ১ জুন দিন ধার্য করেন।
মামলার বিবরণে উল্লেখ করা হয়, গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রামিসা বাসা থেকে বের হয়। এ সময় আসামি সোহেল রানা কৌশলে তাকে পাঁচতলা ভবনের তৃতীয় তলার একটি কক্ষে নিয়ে যায়। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে স্কুলে পাঠানোর জন্য খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে আসামিদের কক্ষের সামনে মেয়ের জুতা দেখতে পান মা। এরপর তিনি ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া না পেয়ে ভবনের অন্য বাসিন্দাদের নিয়ে কক্ষে প্রবেশ করেন।
এ সময় সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারের শোবার ঘরে রামিসার মাথাবিহীন মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। পাশের একটি বালতিতে ছিল তার মাথা। ঘটনাস্থলে স্বপ্না আক্তার উপস্থিত ছিলেন।
এ ঘটনার দিন শিশুটির বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা দুইজনকে আসামি করে পল্লবী থানায় মামলা করেন। মামলায় প্রথমে স্বপ্না আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে সোহেল রানাকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরদিন ২০ মে প্রধান অভিযুক্ত আদালতে দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। একইদিন সোহেলের স্ত্রী স্বপ্নাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।






