আগামীর সময়

আইসিটির নতুন চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম

আইসিটির নতুন চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম

সংগৃহীত ছবি

অবশেষে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর পদ থেকে সরিয়ে দেয়া হলো তাজুল ইসলামকে। আইসিটির নতুন প্রধান কৌঁসুলি হলেন অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম।


প্রজ্ঞাপন জারি করে সোমবার এ তথ্য জানালো আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।


প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আইনজীবী হিসেবে দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালন করেছেন অ্যাডভোকেট আমিনুল।


অন্তর্বর্তী সরকারের বিদায়ের পর দায়িত্ব নিয়ে আইসিটি ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নেয় বিএনপি সরকার। এর অংশ হিসেবে সুপ্রিম কোর্টের চার আইনজীবীকে ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর হিসেবে নিয়োগ দেয় আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

তারা হলেন, মো. মিজানুল ইসলাম, গাজী মোনাওয়ার হুসাইন তামিম, বি এম সুলতান মাহমুদ ও আব্দুল্লাহ আল নোমান।


একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় গঠন করা হয় আইসিটি। সেসময় মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত জামায়াত নেতাদের আইনজীবী ছিলেন তাজুল ইসলাম। 


অন্তবর্তী সরকার দায়িত্ব নিয়েই পুনর্গঠন করে ট্রাইব্যুনালটি। সে বছরের ৮ সেপ্টেম্বর চিফ প্রসিকিউটরের দায়িত্ব পান অ্যাডভোকেট তাজুল।


এই নিয়োগ ‘স্বার্থের সংঘাত’ (কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট) তৈরি করল কি না- তা নিয়ে সেসময় প্রশ্ন তোলেন সুপ্রিম কোর্টের একাধিক আইনজীবী।


আইনজীবীদের পেশাগত আচরণ ও শিষ্টাচারের বিষয়টি নিয়ন্ত্রণ করে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল। কাউন্সিলের পেশাগত আচরণ ও শিষ্টাচার বিধিমালার দ্বিতীয় অধ্যায়ে বলা হয়েছে, ‘বর্তমান মক্কেল কিংবা পুরাতন মক্কেলের মামলা পরিচালনাকালে একজন আইনজীবী যদি মামলা-সংক্রান্ত কোনো গোপনীয় তথ্যাদি সম্বন্ধে অবগত হইয়া থাকেন, তবে উক্ত আইনজীবী উক্ত তথ্য নির্ভর কোনো মামলায় উক্ত মক্কেলের বিপক্ষে আইনজীবী হিসেবে নিয়োজিত হইতে পারিবেন না।’


একই অধ্যায়ের ৪ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ‘একজন আইনজীবী পরস্পরবিরোধী কোনো ব্যাপারে কোনো মক্কেলের প্রতিনিধিত্ব করিতে পারিবেন না।’


চব্বিশের আগস্টের পর থেকে আইসিটিতে চলছে আওয়ামী লীগ সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ সাবেক মন্ত্রী-এমপিদের বিচার।


এ ট্রাইব্যুনাল এরইমধ্যে এক মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে ফাঁসির দণ্ড দিয়েছে।


    শেয়ার করুন: