গ্রামীণ ব্যাংকের সুদের হার নিয়ে হাইকোর্টের রুল

হাইকোর্ট
গ্রামীণ ব্যাংকের ক্ষুদ্রঋণের সুদের হার অন্যান্য বাণিজ্যিক ব্যাংকের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে বাংলাদেশ ব্যাংককে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ সচিব, গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এবং গ্রামীণ ব্যাংকের সাবেক এমডি অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসসহ সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
সোমবার বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরী ও বিচারপতি মো. জিয়াউল হকের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার মাসুদ আর সোবহান গত মার্চে রিট আবেদন করেন এ বিষয়ে। শুনানিতে নিজেই রিটের পক্ষে আদালতে যুক্তি উপস্থাপন করেন তিনি।
রিট আবেদনে বলা হয়, গ্রামীণ ব্যাংক ক্ষুদ্রঋণের আওতায় প্রান্তিক নারী ও পুরুষের কাছ থেকে কমপক্ষে ২০ শতাংশ হারে সুদ আদায় করে আসছে, যা আবেদনকারীর মতে নিপীড়নমূলক।
আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, অতিরিক্ত সুদ আদায়ের বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক একাধিকবার পদক্ষেপ নেওয়ার উদ্যোগ নিলেও বাস্তবায়িত হয়নি তা।
এতে বলা হয়, ২০১১ সালে একই বিষয়ে একটি রিটে রুল জারি করেছিলেন আদালত। পরবর্তীতে গ্রামীণ ব্যাংকে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ ওঠায় সরকারের পক্ষ থেকে প্রতিষ্ঠানটির সার্বিক কার্যক্রম পর্যালোচনায় গঠন করা হয় একটি কমিটিও।




