মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী ১১ মামলার আসামি, রিমান্ড চাইবে ডিবি

সংগৃহীত ছবি
সেনাসমর্থিত সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব ও সাবেক সেনাকর্মকর্তা অবসরপ্রাপ্ত লে. জেনারেল মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে গ্রেপ্তারের পর তার বিরুদ্ধে অন্তত ১১টি মামলার তথ্য পেয়েছে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে আদালতে হাজির করে রিমান্ড আবেদন করা হবে।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ডিবি কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত ঢাকা মহানগর এলাকায় পাঁচটি এবং ফেনীতে ছয়টিসহ মোট ১১টি মামলার সন্ধান পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ফেনীর তিনটি মামলার বিচারকাজ বর্তমানে চলমান।
ডিবি কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম বলছিলেন, পল্টন থানায় মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনে দায়ের করা একটি মামলায় তাকে প্রাথমিকভাবে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে আদালতে হাজির করে পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হবে।
এর আগে এদিন ভোররাতে রাজধানীর বারিধারা ডিওএইচএস এলাকার নিজ বাসভবন থেকে গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল তাকে গ্রেপ্তার করে। তার গ্রেপ্তারের খবর ছড়িয়ে পড়লে রাজনৈতিক ও সামরিক অঙ্গনে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি দেশে জরুরি অবস্থা জারির সময় মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী সাভারে ৯ পদাতিক ডিভিশনের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় তাকে ‘গুরুতর অপরাধ ও দুর্নীতি দমনসংক্রান্ত জাতীয় সমন্বয় কমিটি’র প্রধান সমন্বয়কের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়।
২০০৮ সালের ২ জুন তাকে লে. জেনারেল পদে পদোন্নতি দিয়ে ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজে (এনডিসি) নিয়োগ দেওয়া হলেও মাত্র এক সপ্তাহের মাথায় তাকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বদলি করা হয়। পরবর্তীতে ৮ জুন তাকে অস্ট্রেলিয়ার ক্যানবেরায় বাংলাদেশের হাইকমিশনার হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছিল।

