আগামীর সময়

উত্তরায় শপিং মল ভাঙচুর: দুই দিনের রিমান্ডে আসামিরা

উত্তরায় শপিং মল ভাঙচুর: দুই দিনের রিমান্ডে আসামিরা

সংগৃহীত ছবি

রাজধানীর উত্তরায় শপিং মল ভাঙচুরের মামলায় গ্রেপ্তার ১১ জনকে দুই দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছে আদালত। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীন মঙ্গলবার এ আদেশ দেন।

প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই মো. শামীম হোসেন এ তথ্য দিয়েছেন।

আসামিরা হলেন, মনির আলম, মজিবর রহমান, মো. হৃদয়, মো. মঞ্জুরুল, মো. মহব্বত আলী, শাহ পরান, মো. শাকিল, মো. রশিদুল ইসলাম ওরফে রশিদ, মো. সাজু, মো. লিটন ও মো. জিহাদ।

সরকারি কাজে বাধা এবং পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় সোমবার উত্তরা পশ্চিম থানায় ৭০০ অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করে মামলা করে পুলিশ। তাতে গ্রেপ্তার দেখানো হয় তাদের।

পরে ভাঙচুরে ক্ষয়ক্ষতির অভিযোগে আরেকটি মামলা করেন ‘উত্তরা স্কয়ার’ নামের ওই শপিং মলের ইলেক্ট্রিশিয়ান আরিফুল ইসলাম।

পুলিশের করা মামলায় অভিযোগ- রোববার রাতে উত্তরা ১৩ নম্বর সেক্টরের ওই মলের সামনে এক রিকশাচালকের সঙ্গে দায়িত্বরত নিরাপত্তারক্ষীর কথা কাটাকাাটি হয়। একপর্যায়ে রিকশাচালক ও তার সঙ্গে থাকা ১৫-২০ জন রিকশাচালক মিলে নিরাপত্তারক্ষী ও শপিং কমপ্লেক্সের লোকজনের ওপর চড়াও হয়। তাদের এলোপাথাড়ি মারধর করে গুরুতর জখম করে।

এজাহার অনুযায়ী, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে গুজব ছড়িয়ে প্রায় ৬০০-৭০০ উত্তেজিত লোক লাঠিসোঁটা ও লোহার রড নিয়ে শপিং কমপ্লেক্সে হামলা চালায়। আসামিরা শপিং কমপ্লেক্সের ভেতরে অবস্থিত ‘খাজানা ভ্যারাইটিজ স্টোর’ থেকে ১০ লাখ টাকার মালামাল এবং ‘কে জেড ইমিটেশন জুয়েলারি’ দোকান থেকে ৫ লাখ টাকার গয়না লুট করে।

পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে গেলে উত্তেজিত লোকজন তাদের ওপর ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে ও রাস্তায় আগুন ধরিয়ে দেয়- বলা আছে অভিযোগে।

হামলার ঘটনায় শপিং মলের প্রায় ৯ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে মামলায়।

    শেয়ার করুন: