আগামীর সময়

রাজনীতিকদের নির্যাতনের অভিযোগ মাসুদের বিরুদ্ধে, খতিয়ে দেখবে পুলিশ

রাজনীতিকদের নির্যাতনের অভিযোগ মাসুদের বিরুদ্ধে, খতিয়ে দেখবে পুলিশ

ডিআইজি শফিকুল ইসলাম

সাবেক সেনা নিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় শীর্ষ রাজনীতিকদের নির্যাতনের সঙ্গে তৎকালীন সেনা কর্মকর্তা মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর সংশ্লিষ্টতা আছে কিনা— তা খতিয়ে দেখবে পুলিশ।

আজ মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) দুপুরে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের প্রধান, ডিআইজি শফিকুল ইসলাম।

‘এক-এগারোর’ পট পরিবর্তনের পর জরুরি অবস্থার মধ্যে জেনারেল মাসুদই রাজনৈতিক নেতাদের নির্যাতনের ‘মাস্টারমাইন্ড’ ছিলেন বলে যে ধারণা চালু আছে— সে বিষয়ে পুলিশ তদন্ত করবে কিনা?
এমন প্রশ্নত্তোরে শফিকুল ইসলাম জানালেন, ‘আমরা যদি এটা পাই তদন্তে, আমরা তো অবশ্যই যথাযথ ব্যবস্থা নেব।’

‘এরকম যদি কোনো বিষয় আসে, বা এরকম যদি কেউ থাকে যে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সেক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্ত যে কারো অধিকার আছে আইনের আশ্রয় নেওয়ার। এখনো যদি নেয়, আমরা তাকে ওয়েলকাম জানাব’—উল্লেখ করেন শফিকুল ইসলাম।

এর আগে সোমবার গভীর রাতে বারিধারা ডিওএইচএস এলাকার ২ নম্বর লেনের ১৫৩ নম্বর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে সাবেক এমপি মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ।

২০০৭ সালে সেনাবাহিনীর নবম ডিভিশনের জিওসির দায়িত্বে থাকা মেজর জেনারেল মাসুদ এক-এগারোর পট পরিবর্তনের পর পদোন্নতি পেয়ে লেফটেনেন্ট জেনারেল হন। সে সময় আলোচিত ‘গুরুতর অপরাধ দমন-সংক্রান্ত জাতীয় সমন্বয় কমিটি’র সমন্বয়ক ছিলেন এই কর্মকর্তা।

ওই কমিটির প্রধান ছিলেন তখনকার স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল এম এ মতিন। তবে জরুরি অবস্থার ওই সময়ে পর্দার আড়ালে থেকে জেনারেল মাসুদই যৌথবাহিনীর কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করতেন বলে ব্যাপকভাবে ধারণা করা হত।

অভিযোগ আছে— ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি জরুরি অবস্থা জারি এবং ফখরুদ্দীন আহমদের নেতৃত্বে সেনা নিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা সেনা কর্মকর্তাদের একজন ছিলেন মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী।

    শেয়ার করুন: