আগামীর সময়

মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠানে বিদেশি অতিথিরা

মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠানে বিদেশি অতিথিরা

ফাইল ছবি

বাংলাদেশের নবনির্বাচিত সরকারের মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের শীর্ষ নেতারা। এছাড়াও বিভিন্ন দেশ থেকে স্পিকার, পররাষ্ট্রমন্ত্রী, মন্ত্রী ও পররাষ্ট্রসচিবসহ নানা পর্যায়ের অতিথি যোগ দেন।

নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ১৪টি দেশের সরকারপ্রধানকে আমন্ত্রণ জানান। আমন্ত্রিত দেশগুলোর মধ্যে ছিল সৌদি আরব, চীন, জাপান, ভারত, পাকিস্তান, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, মালয়েশিয়া, ব্রুনেই, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, মালদ্বীপ ও ভুটান। তবে আমন্ত্রিত ১৪ দেশের মধ্যে ছয় দেশের প্রতিনিধিত্ব করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূতরা। এসব দেশ হলো চীন, জাপান, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার ও মালয়েশিয়া।

এছাড়া ঢাকায় অবস্থানরত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতরাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও ঢাকার বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

কূটনৈতিক সূত্র জানায়, শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে মঙ্গলবার সকালে ঢাকায় আসেন মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুইজ্জু। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা এম. তৌহিদ হোসেন।

এছাড়া ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে বাংলাদেশ সরকারের আমন্ত্রণে শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দেন। তিনি বিদায়ী প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গেও দেখা করেন। ভুটান দূতাবাসের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তার সফর বাংলাদেশের প্রতি ভুটানের অব্যাহত সমর্থন এবং দীর্ঘমেয়াদি বন্ধুত্বের প্রতিফলন। সফরটি দুই দেশের দৃঢ় দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতাকে পুনর্ব্যক্ত করছে।

ভারতের লোকসভা স্পিকার ওম বিড়লা ভারতের প্রতিনিধি হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, লোকসভা স্পিকারের অংশগ্রহণ দু’দেশের জনগণের মধ্যে গভীর ও দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্বকে তুলে ধরে এবং যৌথ গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি ভারতের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে।

শপথ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে ঢাকায় এসেছেন পাকিস্তানের পরিকল্পনামন্ত্রী আহসান ইকবাল চৌধুরী ও নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বালা নন্দ শর্মা। নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে বিমানবন্দরে স্বাগত জানান বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মো. নজরুল ইসলাম ও নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারি। এটি দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ ও দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্কের প্রতিফলন।

শ্রীলঙ্কার স্বাস্থ্য ও গণমাধ্যম মন্ত্রী ড. নলিন্দা জয়তিসা কলম্বোর প্রতিনিধিত্ব করেন। শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তার অংশগ্রহণ বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের স্পষ্ট উদাহরণ। এছাড়াও যুক্তরাজ্যের ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় বিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি সীমা মালহোত্রা, তুরস্কের আন্ডার সেক্রেটারি বেরিস একিনচি এবং ভারতের পররাষ্ট্রসচিব বিক্রম মিশ্রি এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

    শেয়ার করুন: