পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
সহিংস উগ্রবাদের স্থান বাংলাদেশে নেই

দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শুরু হয় স্মরণ অনুষ্ঠান
‘সরকার সব ধরনের সন্ত্রাসবাদ ও সহিংস উগ্রবাদের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছে। এ ধরনের শক্তির বাংলাদেশে স্থান নেই। দেশের শান্তি ও স্থিতিশীলতা নষ্ট করার সুযোগ তাদের দেওয়া হবে না।’ বলছিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।
হোলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলায় নিহত ব্যক্তিদের শ্রদ্ধা জানাতে এসে বক্তব্য রাখছিলেন তিনি। আজ বুধবার রাজধানীর গুলশানে ইতালির রাষ্ট্রদূতের বাসভবনে এ উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর ভাষ্য, ‘আমরা শুধু তাদের (নিহত ব্যক্তিদের) স্মৃতির প্রতি নয়, তাদের পরিবারগুলোর সাহস, সহনশীলতা ও ঐক্যের প্রতি শ্রদ্ধা জানাই। একজন মা ও অভিভাবক হিসেবে সন্তান ও পরিবারের সদস্য হারানো পরিবারগুলোর প্রতি আমার হৃদয়ের গভীর সহমর্মিতা রইল। তাদের স্মৃতি যেন ঘৃণা ও সংঘাতের বিরুদ্ধে আমাদের পথ দেখায়। মানবতা, সহমর্মিতা ও সহনশীলতার মূল্যবোধ আমরা যেন সব সময় ধরে রাখি।’
‘যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অপরাধীদের বিচারের আওতায় এনে জবাবদিহি নিশ্চিত করা হয়েছে’, যোগ করেন তিনি।
দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শুরু হয় স্মরণ অনুষ্ঠানটি। নিহত ব্যক্তিদের স্মরণে অনুষ্ঠানে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। অনুষ্ঠানস্থলে একটি নামফলকের সামনে ইতালি, জাপান, ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের কূটনীতিকরা পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের মধ্য দিয়ে নিহত ব্যক্তিদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
২০১৬ সালের ১ জুলাই রাতে হোলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলা হয়েছিল। আজ সেই হামলার ১০ বছর পূর্ণ হলো।
অনুষ্ঠানে অংশ নেন ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রো, নিহত ইতালি ও জাপানের নাগরিকদের পরিবারের সদস্য, যুক্তরাষ্ট্রের ভারপ্রাপ্ত উপরাষ্ট্রদূত আলবার্ট সিয়া, ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী, জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচি, ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত ইউসুফ রামাদান, ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলারসহ বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকরা।




