সম্ভবত

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
বিশ্বের অন্তত ১২টি দেশে আসর বসে শীতকালীন উৎসব উইন্টার অলিম্পিকসের। খেলার এ আয়োজন হয়ও জমকালো আলোকসজ্জা আর মহাধুমধামে। বছর জুড়েই আইস হকি, কার্লিং, ফিগার স্কেটিংসহ অনেক শীতকালীন খেলাপ্রেমী তাকিয়ে থাকেন প্রতিযোগিতামূলক এই আসরের দিকে। অস্ট্রিয়া, নরওয়ে, সুইজারল্যান্ড, কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র, জাপানসহ অনেক বরফের দেশে একত্রিত হন খেলোয়াড় আর দর্শক। তবে ২০৫০ সালে নাকি এ উৎসবের সুখ নিভে আসবে। খেলা তো দূরের কথা, আয়োজক দেশেরই নাকি অস্তিত্ব থাকবে না এ দুনিয়ায়। এমনটাই জানিয়েছে বৈশ্বিক আবহাওয়া নিয়ে কাজ করা কানাডার ‘প্রটেক্ট আউয়ার উইন্টার’ নামে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। এটির সঙ্গে সংযুক্ত দেশটির জলবায়ুবিষয়ক বিজ্ঞানী ড. ড্যানিয়েল স্কট।
শীতকালীন খেলার আসরের এমন হৃদয়বিদারক ইতির মূল কারণ হিসেবে সেই বৈশ্বিক আবহাওয়াকেই দেখিয়েছে তার নেতৃত্বে গবেষণা করা বিজ্ঞানী দল। গবেষণায় বলা হয়েছে, বৈশ্বিক আবহাওয়া পরিবর্তন বর্তমানে এমন অবস্থায় পৌঁছেছে; যা ভবিষ্যতের শীতকালীন অলিম্পিকস আর প্যারা অলিম্পিকস খেলার আসর বসার ঠিকানা পর্যন্ত পাল্টে ফেলতে পারে। বিশ্ব জুড়ে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ায় তুষারপাতের পরিমাণ অনিশ্চিত। সঙ্গে রিঙ্কে বরফের স্লাব বানানোর বরফ অনেক অনমনীয়। ফলে বরফের ওপরের খেলা যেমন আইস হকি বা ফিগার স্কেটিংয়ের খেলোয়াড়দের জন্য কঠিন এবং প্রায়ই ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি করে। আবার কৃত্রিম উপায়ে রিঙ্কে বরফ তৈরি করা হলেও পরিবর্তনশীল এমন আবহাওয়া এবং তাপমাত্রায় এটি কতটা কাজে দেবে, তা নিয়েও সংশয় বিজ্ঞানীদের।




