Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় বিবিধ

যদি

জহির ইলিয়াছ খান
agamir somoy
প্রকাশ: ০৩ আগস্ট ২০২৬, ০৪:৪২
যদি

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

মশা! মশা!! মশা!!! উহু। একসময় টিভিতে মশা নিধনের এ বিজ্ঞাপনটি দেখতাম। এখন আর ওভাবে টিভি দেখা হয় না। তবে নিশ্চয়ই অন্য কোনোভাবে মশার কয়েলের বিজ্ঞাপন প্রচার হয়। আমার মনে হয় বিজ্ঞাপনগুলো এমন হওয়া উচিত— মশা! মশা!! মশা!!! ইয়েস।

সেদিন তেজগাঁও হয়ে শান্তা টাওয়ারের পাশের সরু গলি দিয়ে গুলশানের দিকে ঢুকতে গেলাম। আগেই জানতাম এ এলাকায় ঢুকতে গেলে মশার আক্রমণ থেকে বাঁচতে আমার বাড়তি সতর্কতা থাকা দরকার; কিন্তু ছিল না। আমার মতো করেই গেলাম। রাজধানীর ভিআইপি এলাকা মানেই শূন্যে মশার স্তূপ। ভিআইপি রক্তের খোঁজে মশারা এখানে জন্ম নেয়। আমার মনে হয় অন্য এলাকার মশারাও ছুটে আসে এসব এলাকায়! ফুটপাতে চায়ের দোকানে দাঁড়ালাম— কানে ভেসে আসতে লাগল মশা মারার টুস-টাস শব্দ।

গুলশান, বারিধারা আর বনানী ও বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা— ঢাকার এমন কিছু এলাকা, যেখানে বাড়ির গেট দেখে মনে হয় ভেতরে ঢুকতে হলে পাসপোর্ট লাগবে। অবাক হলেন? অবাক হওয়ার কিছু নেই। সন্ধ্যা নামলেই বোঝা যায়, এসব এলাকায় আসল ক্ষমতাবান কারা। তারা হলো মশা!

এখানকার মশারা কি সাধারণ মশা? মোটেই নয়। রীতিমতো ভিআইপি! গায়ে দামি পারফিউম মেখে কেউ বারান্দায় দাঁড়ালেই তারা দূর থেকে বলে, ‘ওই যে! আজকের ডিনার চলে এসেছে।’ গাড়ি থেকে নামার সময়ও রেহাই নেই। মনে হয়, মশারা বুঝি পার্কিংয়ের জন্য নয়, রক্তের জন্য অপেক্ষা করছে।

এসব এলাকার মশার আবার রুচিও বেশ উন্নত। নিম্নমানের রক্তে তাদের আগ্রহ নেই। থাকলে আমার এলাকায় চলে আসতে পারত! বারিধারায় তো অবস্থা আরও ভয়াবহ— মশারি টানালেও তারা এমনভাবে ঘোরাঘুরি করে, যেন মশারির ভেতর ঢোকার জন্য দূতাবাসের সামনে অপেক্ষা করছে তারা।

বনানীর অবস্থা সবচেয়ে মজার। সন্ধ্যায় কেউ যদি চুপচাপ বসে থাকে, বুঝতে হবে সে ধ্যান করছে না; মশার আক্রমণ সামলাতে ব্যস্ত। মশার গতিবিধি পর্যবেক্ষণে ব্যস্ত।

এখন প্রশ্ন হলো, এত উন্নত এলাকায় মশাদের এত সংঘবদ্ধ আক্রমণ কেন? হয়তো তারাও ভাবছে, ‘এলাকা যখন ভিআইপি, রক্তও হবে ভিআইপি!’

তাই গুলশান-বারিধারা-বনানী ও বসুন্ধরার বাসিন্দাদের পরামর্শ একটাই: মশার সঙ্গে যুদ্ধ নয়, আগে মশাকে বোঝান, আপনার রক্তের বাজেট এখন কম!

মশাদের নিয়ে ফাজলামো করতে নেই। মোদ্দাকথা হলো— মশা নিধনের বাজেট বাড়বে, বাড়বে মশাদের দৌরাত্ম্য। বাড়বে ডেঙ্গু। দিন দিন বাড়বে নাগরিক সুবিধা কমে আসার হতাশা।

কমবে কী? কমবে নাগরিকের ন্যূনতম সুবিধা নিয়ে বেঁচে থাকার পথ।

তাহলে উপায় কী?

 

মশাগুলশান
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise