Agamir Somoy E-Paper
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় বিবিধ

মনে হয়

বিবিধ ডেস্ক
agamir somoy
প্রকাশ: ০৬ আগস্ট ২০২৬, ০৪:১৩
মনে হয়

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

কথায় আছে ‘ছবি কখনো মিথ্যা বলে না। ‘এখন সেই কথাটিই সবচেয়ে বড় মিথ্যা হয়ে উঠেছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এমন সব ছবি, ভিডিও ও অডিও তৈরি করছে, যা দেখে সত্য-মিথ্যা আলাদা করা প্রায় অসম্ভব। ফলে শিগগির ভবিষ্যতে শুধু খবর নয়, ছবির প্রমাণও যাচাই করতে হবে। এই নতুন বাস্তবতায় ২০৩৫ সালে ডিজিটাল সত্যতা নির্ণয় করতে গড়ে উঠবে নতুন এক বাণিজ্য। ‘ডিজিটাল অথেনটিসিটি,’ অর্থাৎ ডিজিটাল সত্যতা। এমনটাই পূর্বাভাস দিয়েছেন নেদারল্যান্ডসের ভবিষ্যৎবিদ ড. মার্ক ভ্যান রাইমেনাম। ২০২৪ সালে অস্ট্রেলিয়ার দ্য ডিজিটাল স্পিকার ওয়েবসাইটে এ ভবিষ্যদ্বাণী সম্পর্কে বিস্তারিত লিখেছেন তিনি।

রাইমেনামের মতে বর্তমানে এআই যে পরিমাণে ভুল তথ্য বিশ্বে প্রচলন করে, তার থেকেও অধিক  পরিমাণে অসত্য তথ্য, ছবি এবং ভিডিও প্রচলন করবে ভবিষ্যতে। এর পরিমাণ এতটাই বেড়ে যাবে যে, প্রতারণামূলক, অসত্য তথ্য খুঁজে বের করতে এবং যাচাই করতে শুরু হবে নতুন বাণিজ্য। এ শিল্পের মূল কেন্দ্র থাকবে ডিজিটাল নির্ভরযোগ্যতা। এ কর্মে ব্লকচেইন এবং উন্নত ক্রিপ্টোগ্রাফিক সমাধানগুলো কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করবে বলে মতামত রাইমেনামের। মিডিয়া কনটেন্ট নির্মাতা ও তারকাদের ক্ষেত্রে যাচাইযোগ্য ডিজিটাল উৎস বা পরিচয় নিশ্চিত করবে। ভুল তথ্য ছড়ানোর প্রচারণার ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করবে। একাধিক তথ্য এবং সেসব যাচাই-বাচাইয়ের ক্ষেত্রে এক নতুন রণক্ষেত্র তৈরি করবে। সঠিক এবং আসল তথ্য বা ছবি, ভিডিও ইন্টারনেটে ছাড়ার ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে ব্যবহার করতে হবে এক বিশেষ স্বাক্ষর। বা দিতে হবে ওয়াটারমার্ক। ইন্টারনেটে কিছু আপলোডের ক্ষেত্রে এ বিশেষ স্বাক্ষরিত পোস্টগুলোর উৎস, সম্পাদিত পরিবর্তন এবং তার যাত্রাপথকে নথিবদ্ধ করবে। এই ‘ডিজিটাল প্রোভেন্যান্স’ বা ডিজিটাল উৎস-ইতিহাস, জালিয়াতি এবং ভুল তথ্যের বিরুদ্ধে হয়ে উঠবে একটি শক্তিশালী হাতিয়ার। রাইমেনাম বিশ্বাসী, ২০৩৫ সালের মধ্যে, ডিজিটাল কারচুপি এবং মিথ্যা তথ্য প্রচাররোধে গড়ে ওঠা এ শিল্প ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ও ডিভাইসের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত থাকবে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাএআইডিজিটাল অথেনটিসিটি
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise