Agamir Somoy E-Paper
শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
উপকূলে অল্পনার আশার বীজ
শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় অপরাধ কিসসা

অপরাধ বিজ্ঞান

মাইন্ড হান্টার

অপরাধ কিসসা ডেস্ক
agamir somoy
প্রকাশ: ২২ আগস্ট ২০২৬, ০৬:০২
মাইন্ড হান্টার

 একজন অপরাধীর মনের গহিনে ঠিক কী চলে? কীভাবে একজন সাধারণ মানুষ রূপ নেয় কোনো নির্মম সিরিয়াল কিলারে? এ প্রশ্নগুলোর উত্তর খুঁজতে সাইকোলজিক্যাল প্রোফাইলিংয়ের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছিল এফবিআইয়ের ক্রাইম সিন অ্যানালাইসিস ইউনিট। আর সেই রোমাঞ্চকর বাস্তব অভিজ্ঞতার দলিল নিয়ে রচিত অনবদ্য গ্রন্থ ‘মাইন্ডহান্টার: ইনসাইড দ্য এফবিআই’স এলিট সিরিয়াল ক্রাইম ইউনিট’। এফবিআইয়ের বিশেষ এজেন্ট জন ডগলাস এবং লেখক মার্ক ওলশেকারের যৌথ প্রয়াসে লেখা এ বইটি ট্রু-ক্রাইম ও থ্রিলারপ্রেমীদের জন্য এক অবশ্যপাঠ্য উপহার।

বইটির মূল আকর্ষণ এর বাস্তব পটভূমি। ১৯৭০-এর দশকে যখন ‘সিরিয়াল কিলার’ শব্দটাই অপরাধ বিজ্ঞানে পুরোপুরি নতুন, তখন এজেন্ট জন ডগলাস প্রথাগত তদন্ত পদ্ধতির বাইরে গিয়ে অপরাধীদের মনস্তত্ত্ব বোঝার এক অভূতপূর্ব উদ্যোগ নেন। তিনি এবং তার দল আমেরিকার ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়ংকর ও কুখ্যাত সিরিয়াল কিলারদের সামনাসামনি জেরা করা শুরু করেন।

​লোমহর্ষক এ সাক্ষাৎকারগুলোর মূল উদ্দেশ্য ছিল খুনিদের চিন্তা-চেতনা, শৈশবের আঘাত, বিকৃত মানসিকতা এবং অপরাধ করার ধরন বা ‘মোডাস অপ্যারান্ডি’ বিশ্লেষণ করা। ডগলাস বিশ্বাস করতেন, একজন অপরাধীকে গ্রেপ্তার করতে হলে আগে তার মতো করে ভাবতে জানতে হয়। এ মানসিক মানচিত্র থেকেই জন্ম নেয় ‘ক্রিমিনাল প্রোফাইলিং’, যা পরবর্তীকালে জটিল ও অমীমাংসিত অনেক অপরাধের রহস্য উদঘাটনে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনে।

বইটিতে কোনো কাল্পনিক গোয়েন্দা বা অতিমানবীয় গল্প নেই; বরং রয়েছে বাস্তব জীবনের কঠিন ও অন্ধকারের গল্প। খুনের ধরন দেখে অপরাধীর বয়স, শারীরিক গঠন, এমনকি তার সামাজিক অবস্থান কেমন হতে পারে— তা নিখুঁতভাবে অনুমান করার মনস্তাত্ত্বিক ছকগুলো পাঠককে রোমাঞ্চের চূড়ান্ত পর্যায়ে নিয়ে যায়।

বিনা স্পয়লারে বলা যায়, ‘মাইন্ডহান্টার’ শুধু অপরাধীদের রহস্য উন্মোচন করে না, বরং এটি সেই সব গোয়েন্দার মানসিক সংগ্রামের গল্পও বলে, যারা প্রতিদিন মানবসভ্যতার সবচেয়ে কুৎসিত অন্ধকারের মুখোমুখি হতেন।

 

অপরাধ বিজ্ঞানমাইন্ড হান্টারঅপরাধ কিসসা
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise