Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় ঢাকা ১০০০

লালবাগ দুর্গ, ১৬৭৮ খ্রিস্টাব্দ

agamir somoy
প্রকাশ: ১৫ জুন ২০২৬, ০০:৩২
লালবাগ দুর্গ, ১৬৭৮ খ্রিস্টাব্দ

বাংলার চার মোগল রাজধানীর মধ্যে ঢাকা তৃতীয়। কোনো কোনো শহরের একটি প্রতীক থাকে, যার উল্লেখ করলে চোখের সামনে ভেসে ওঠে সে শহর। বুড়িগঙ্গার তীরে লালবাগ দুর্গ এ ধরনেরই একটি স্থাপনা, যা মোগল সম্রাটদের প্রতিরক্ষা পরিকল্পনার চিহ্ন বহন করে। ১৬৭৮ সালে মোগল সম্রাট আওরঙ্গজেবের তৃতীয় পুত্র মুহাম্মদ আযম বাংলায় সুবাদার হিসেবে ঢাকা শহরে আসেন। ঢাকায় বুড়িগঙ্গার তীরে এই দুর্গ নির্মাণ শুরু করেন, যার নাম রাখেন পিতার নামে ‘কেল্লা আওরঙ্গবাদ’। তবে সবাই লালবাগ এলাকার নামেই এটিকে ‘লালবাগ দুর্গ’ নামে জানে। কিন্তু পিতার ডাকে যুবরাজ আযম কাজ অসমাপ্ত রেখে দিল্লি ফিরে যান। তার পরিবর্তে ১৬৭৯ সালে দ্বিতীয়বারের মতো বাংলার সুবাদার হয়ে রাজধানী ঢাকায় আসেন শায়েস্তা খান। তিনি ১৬৮৮ সাল পর্যন্ত এ কেল্লায় অবস্থান করলেও এটির নির্মাণ সমাপ্ত করেননি। অত্যন্ত আকর্ষণীয় এই কেল্লার সর্বমোট ফটক রয়েছে তিনটি, যার মধ্যে দুটিই অনেক কাল ধরে বন্ধ। বাকি একটি ফটকই দর্শনার্থীর জন্য ব্যবহার উপযোগী। দুর্গের ভেতরে একটি মসজিদ, একটি হাম্মাম এবং শায়েস্তা খানের কন্যা বিবি পরীর কবরসহ আরও কিছু কবর আছে। দক্ষিণ দিকের বিশালাকার ফটকটিই ছিল প্রধান প্রবেশদ্বার। এর নিকটেই ছিল বুড়িগঙ্গা নদী। তখন নদীকে কেন্দ্র করেই গড়ে উঠত সভ্যতা এবং যাতায়াত ব্যবস্থা। চার দশক ধরে ক্যামেরায় যা ধারণ করা গেছে, তা শুধুই ধ্বংসযজ্ঞ। কারণ, ক্যামেরার লেন্স শুধু ক্ষয়ক্ষতি আর ধ্বংসের  সংবাদেই ভরপুর।

 

তথ্য ও ছবি: বাবু আহমেদ

লালবাগ দুর্গমোগলবুড়িগঙ্গার তীরসম্রাটঢাকা ১০০০
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise