Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় ঢাকা ১০০০

পৃথিবীর আর কোথায় আছে?

ভীষণ মিস করি ঢাকার সেই বিশ্বকাপ উন্মাদনা

আশরাফুল ইসলাম টিংকু
agamir somoy
প্রকাশ: ১৫ জুন ২০২৬, ০০:২৯
ভীষণ মিস করি ঢাকার সেই বিশ্বকাপ উন্মাদনা

১৮ বছর দেশের বাইরে থাকায় ঢাকার অনেক কিছুই মিস করি। কিন্তু বেশি মিস করি বাংলাদেশের ফুটবল বিশ্বকাপ উন্মাদনা। বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ না করেও আমাদের বিশ্বকাপ উপভোগের যে মাসব্যাপী আয়োজন, তা অনেক বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী দেশের চেয়েও বহু গুণে বেশি।

আমি থাকতাম মোহাম্মদপুর টাউন হলের পেছনে শেরশাহ শুরি রোডে। ২০০৬ ফুটবল বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো উপভোগ করেছিলাম মোহাম্মদপুরের শহীদ পার্ক মাঠের বড় স্ক্রিনে। সেখানে থাকত বিশাল আয়োজন। আশপাশের অনেক মানুষ মিলে রাতে এক উৎসবমুখর পরিবেশে খেলা দেখতাম। চা, গরম চানাচুর, বাদাম খাওয়া আর নিজের মতো করে ফুটবল বিশেষজ্ঞ হয়ে যাওয়া। সে এক অন্যরকম অনুভূতি। যেমন হঠাৎ করেই কোনো এক বয়োজ্যেষ্ঠ রেগে বলে উঠতেন, ‘ও আবার কীসের কোচ? আরে ও তো খেলাই বোঝে না।’ আহ, কী ছিল সেই দিনগুলো! আমি ভীষণভাবে মিস করি ঢাকার সেই বিশ্বকাপ উন্মাদনা।

হয়তো বা ২০২৬ বিশ্বকাপ আরও অনেক বড় পরিসরে মোহাম্মদপুরের শহীদ পার্কে দেখানো হচ্ছে। আর আমারও মন পড়ে আছে ঢাকার ওই গলিতেই!

কত অচেনা মানুষের সঙ্গে মুহূর্তেই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে উঠত। তেমনি একজন ছিলেন ইতালির অন্ধভক্ত। পাশাপাশি বসায় পরিচয়। সে কাজ করত জেনেভা ক্যাম্পের মুসলিম কাবাবে। হঠাৎ করে এক ম্যাচে টট্টি ঠিকমতো পারফর্ম করতে না পারায় টেনশনে প্রায় তার হার্ট অ্যাটাক হয়ে যাওয়ার মতো অবস্থা। মুখে-মাথায় পানি দিয়ে তাকে সুস্থ করা হয়। ইতালি চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর তার যে উল্লাস, সেটা যেকোনো ইতালিয়ানের চেয়ে কোনো অংশেই কম ছিল না। ১৮ বছর বয়সী মেসির প্রথম বিশ্বকাপ। তাকে ঘিরে অনেক প্রত্যাশা, কিন্তু যে ম্যাচে আর্জেন্টিনা হেরে বাদ পড়ে, ওই ম্যাচে মেসিকে না নামানোয় শহীদ পার্ক মাঠেই যেন বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে যায়। প্রতিটি রাত ছিল এমন অনেক রোমাঞ্চে ভরপুর।

বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী কয়েকটি দেশে পাব বা স্পোর্টস বারের বড় স্ক্রিনে বিশ্বকাপ দেখার সুযোগ হয়েছে, কিন্তু কোনোটাই মোহাম্মদপুরের শহীদ পার্ক মাঠের বড় স্ক্রিনে খেলা দেখার অনুভূতি দিতে পারেনি। হয়তো বা ২০২৬ বিশ্বকাপ আরও অনেক বড় পরিসরে মোহাম্মদপুরের শহীদ পার্কে দেখানো হচ্ছে। আর আমারও মন পড়ে আছে ঢাকার ওই গলিতেই!

(লেখক: বর্তমানে ডেনমার্কে বসবাসরত এই বাংলাদেশি ২৬টি দেশ ভ্রমণ করেছেন)

ফুটবল বিশ্বকাপশহীদ পার্কউৎসবমুখরবিশেষজ্ঞঢাকা ১০০০
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise