শ পিং গাইড
ফুটবল ফিভারে কেনাকাটা

ছবি: আগামীর সময়
বিশ্বকাপ ঘিরে এখনো অনেকেই করছেন কেনাকাটা। বুঝেশুনে কেনার বুদ্ধি দিলেন সায়মন
ফুটবল বিশ্বকাপের আসল মজা বড় পর্দায়। তাই অনেকেই ছুটছেন ইলেকট্রনিকস পণ্যের দোকানে। নতুন টেলিভিশন কেনার ক্ষেত্রে এ সময়ে ফোর-কে স্মার্ট টিভির দিকে ঝোঁক বেশি। তবে কেনার আগে ঘরের আয়তন বোঝা জরুরি। ছোট ড্রয়িংরুমের জন্য ৩২ থেকে ৪৩ ইঞ্চির টিভিই যথেষ্ট, বড় ঘরের জন্য ৫৫ বা ৬৫ ইঞ্চি। অন্যদিকে, যারা বন্ধুবান্ধব বা এলাকার সবাইকে নিয়ে ছাদের ওপর স্টেডিয়ামের আমেজ আনতে চান, তারা কিনতে পারেন প্রজেক্টর। বাজারে ১৫ হাজার থেকে ১ লাখ টাকার মধ্যে ভালোমানের পোর্টেবল প্রজেক্টর পাওয়া যায়। তবে শুধু ছবির কোয়ালিটি ভালো হলেই চলবে না, গ্যালারির গর্জন আর ধারাভাষ্যকারের উত্তেজনা ঠিকঠাক বুঝতে একটি ভালো সাউন্ডবার বা স্পিকারের বাজেটও এর সঙ্গে যুক্ত করে নেওয়া ভালো।
চলতি বিশ্বকাপ যেহেতু যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা আর মেক্সিকোয় অনুষ্ঠিত হচ্ছে, তাই অনেক ম্যাচই বাংলাদেশ সময়ের ভোর বা সকালে। যারা স্মার্টফোন বা স্মার্ট টিভিতে ওটিটি প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে খেলা দেখতে চান, তারা প্রয়োজনীয় ইন্টারনেট ডেটা প্যাক বা অ্যাপের প্রিমিয়াম সাবস্ক্রিপশন কিনে ফেলুন।
ঢাকার গুলিস্তান, রাজশাহীর নিউ মার্কেট, চট্টগ্রামের কাজীর দেউড়ি কিংবা খুলনাসহ সারা দেশের মার্কেটগুলো এখন রকমারি জার্সির দখলে। তবে আবহাওয়া বিবেচনায় রেখে পলিয়েস্টার বা মেশ কাপড়ের জার্সি কেনা ভালো। সাধারণ ক্রেতারা অনেক সময় না বুঝেই বেশি দাম দিয়ে অ্যাথলেটদের জন্য তৈরি প্লেয়ার এডিশন কিনে ফেলেন, যা বেশ আঁটসাঁট হয়ে থাকে। দীর্ঘক্ষণ পরে খেলা দেখার জন্য কিছুটা ঢিলেঢালা ফ্যান এডিশন জার্সি কেনাই জুতসই, যা দামেও সাশ্রয়ী। জার্সির পেছনে নাম-নম্বর লেখার ক্ষেত্রে সাধারণ স্ক্রিন প্রিন্টের বদলে হিট-প্রেস স্টিকার বেশি টেকসই হয়। আর ছাদে ওড়ানোর জন্য পতাকা কিনলে সাধারণ কাপড়ের চেয়ে সাটিন কাপড়ের কেনা ভালো; কেননা রোদ-বৃষ্টিতে এর রঙ সহজে নষ্ট হয় না।
বিশ্বকাপের এই হাওয়া এখন আর শুধু মাঠের খেলায় আটকে নেই; রীতিমতো লাইফস্টাইলের অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাজারে জার্সির পাশাপাশি প্রিয় দলের লোগো বসানো কফির মগ, রিস্টব্যান্ড, চাবির রিং, ক্যাপ, এমনকি বিছানার চাদরও বিক্রি হচ্ছে। ড্রয়িংরুমের সোফায় প্রিয় দলের কুশন কভার কিংবা আড্ডায় যাওয়ার সময় ফুটবল থিমযুক্ত ক্যাপ আপনার সাজসজ্জায় নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে। তবে এসব লাইফস্টাইল পণ্য লোকাল মার্কেট বা ফুটপাত থেকে একটু দরদাম করে কিনলে বেশ কিছু টাকা বাঁচানো সম্ভব।




