মারা গেছেন ‘রক অ্যান্ড রোল লিজেন্ড’ নীল সেডাকা

কিংবদন্তি শিল্পী ও কালজয়ী সুরকার নীল সেডাকা
বিশ্ব সংগীতজগতের আর এক নক্ষত্রের পতন হলো। ‘রক অ্যান্ড রোল’ সংগীতের কিংবদন্তি শিল্পী ও কালজয়ী সুরকার নীল সেডাকা আর নেই। ৮৬ বছর বয়সে যুক্তরাষ্ট্রের একটি হাসপাতালে শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন এই পপ আইকন। তার মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে বিশ্বজুড়ে।
নীল সেডাকার পরিবার এক আবেগঘন বার্তায় জানিয়েছে, “আমরা আমাদের প্রিয় মানুষকে হারিয়ে স্তব্ধ। তিনি শুধু একজন শিল্পীই ছিলেন না, আমাদের কাছে ছিলেন এক বিশাল বটবৃক্ষ। সংগীতপ্রেমীদের কাছে তিনি চিরকাল বেঁচে থাকবেন তার সৃষ্টির মাধ্যমে।”
পঞ্চাশের দশকের শেষভাগ থেকে শুরু করে সত্তরের দশক পর্যন্ত বিশ্ব কাঁপিয়েছেন নীল। ১৯৩৯ সালে জন্ম নেওয়া এই শিল্পী ছোটবেলা থেকেই ছিলেন পিয়ানোতে পারদর্শী। ‘ওহ! ক্যারল’ বা ‘ক্যালেন্ডার গার্ল’ এর মতো গানগুলো আজও পুরোনো দিনের সংগীতপ্রেমীদের মুখে মুখে। বিশেষ করে তার ‘ব্রেকিং আপ ইজ হার্ড টু ডু’ গানটি তাকে অমর করে রেখেছে।
নীল সেডাকা শুধু নিজেই গান গাইতেন না, অন্যদের জন্যও উপহার দিয়েছেন একের পর এক হিট গান। বিখ্যাত ব্যান্ড ‘এবিবিএ’ এর প্রথম গ্লোবাল হিট ‘রিং রিং’ গানটির সহলেখক ছিলেন তিনি। এমনকি ব্রিটিশ তারকা এলটন জনও ছিলেন তার অন্ধ ভক্ত। এলটন জনের সহযোগিতাতেই সত্তর দশকে নীল তার ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করেছিলেন এবং ‘লাফটার ইন দ্য রেইন’ দিয়ে আবারও চার্টের শীর্ষে ফিরেছিলেন।
সংগীতে অসামান্য অবদানের জন্য ১৯৮৩ সালে তাকে ‘সংরাইটার্স হল অফ ফেম’ এ জায়গা দেওয়া হয়। পাঁচবার গ্র্যামি পুরস্কারের জন্য মনোনীত হওয়া এই শিল্পী নিজের কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ হলিউড ওয়াক অফ ফেমেও নিজের নাম খোদাই করে গেছেন।
নীল সেডাকার প্রয়াণে একটি যুগের অবসান হলো। তার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন দেশ বিদেশের অসংখ্য শিল্পী ও ভক্তকুল।
সুত্রঃ নিউজ ১৮

