সন্জীদা খাতুন স্মরণে ছায়ানটে বসন্ত উৎসব

সংগৃহীত ছবি
বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও গবেষক সন্জীদা খাতুনকে নিবেদন করে বসন্ত উৎসব পালন করেছে সাংস্কৃতিক সংগঠন ছায়ানট। রবীন্দ্র-নজরুলের গান ও নাচের এই আয়োজনে আবহমান বাংলার ঋতুরাজকে বরণ করে নেওয়ার পাশাপাশি গুণী এই ব্যক্তিত্বের জীবন ও কর্মের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়।
শনিবার (৪ এপ্রিল) সন্ধ্যায় রাজধানীর ধানমন্ডিস্থ ছায়ানট সংস্কৃতি ভবন মিলনায়তনে এই অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সমবেত নৃত্যগীতি ‘আমার বনে বনে’ পরিবেশনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এরপরই সন্জীদা খাতুনের জীবন ও অবদানের ওপর স্মৃতিচারণমূলক বক্তব্য দেন ছায়ানটের সভাপতি সারওয়ার আলী
‘সন্জীদা খাতুন কেবল একাকী চর্চায় মগ্ন থাকেননি। ভাষা ও সংস্কৃতির সংকটে তিনি ও তাঁর সহযোদ্ধারা শিল্পী গড়ার লক্ষ্যে ছায়ানট সংগীত বিদ্যায়তন প্রতিষ্ঠা করেন, যা আজ উপমহাদেশের অন্যতম বৃহৎ প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে’, নিজের বক্তব্যে সন্জীদা খাতুনকে স্মরণ করেছেন সারওয়ার আলী।
সন্জীদা খাতুনের রেখে যাওয়া সাংস্কৃতিক প্রত্যয় ধারণের মাধ্যমেই তার জীবন উদযাপন সার্থক হবে বলে সারওয়ার আলী মন্তব্য করেন।
সাংস্কৃতিক পর্বে ছায়ানটের শিল্পীরা সমবেত কণ্ঠে নজরুল সংগীত ‘দোলা লাগিল’ এবং ‘বসন্ত এলো এলো রে’ পরিবেশন করেন। প্রথিতযশা শিল্পী ইফফাত আরা দেওয়ান গেয়ে শোনান রবীন্দ্রসঙ্গীত ‘নয়ন মেলে দেখি, আমায়’। এছাড়া অনুষ্ঠানে ছিল বিশেষ নৃত্যগীতি ‘সুন্দর’।
পুরো আয়োজনে বাদ্যযন্ত্রে সঙ্গত করেন ফিরোজ খান (সেতার), প্রদীপ কুমার রায় (মন্দিরা), মৃত্যুঞ্জয় মণ্ডল, সুবীর ঘোষ (তবলা), রবিন চৌধুরী (কিবোর্ড), মামুনুর রশিদ (বাঁশি) এবং আশিকুল ইসলাম আবির (এসরাজ)। জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে উৎসব শেষ হয়।
















