মুক্তি পেল কাট-পিস সিনেমার অফিসিয়াল পোস্টার

সংগৃহীত ছবি
দেশীয় চলচ্চিত্রের তরুণ প্রজন্মের নির্মাতা ইফফাত জাহান মম প্রথমবারের মতো নির্মাণ করেছেন ‘কাটপিস’ নামের একটি চলচ্চিত্রে। তারই পরিপ্রেক্ষিতে সিনেমাটির অফিসিয়াল পোষ্টার প্রকাশিত হলো আজ।
সময়োপযোগী এ গল্পের কাটপিস ছবিতে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন সিফাত আমিন শুভ, নানজীবা তোরসা। খল চরিত্রে অভিনয় করেছেন ইমরান আহমেদ সওদাগর। অন্যান্য চরিত্রের অভিনয়শিল্পীরা হলেন বাপ্পী আশরাফ, সাইফুল কবির, এলিনা শাম্মি শাহজাদা সম্রাট ও সামি দোহা।
ছবিটি মুক্তির সময় ক্ষণ সম্পর্কে এই নির্মাতা বলেন, আমাদের দেশে সিনেমা হলে সবচেয়ে বেশি দর্শক আসে ঈদের সময়টাতে। তাই এই সময়টাকে কাজে লাগাতে চাই। আশা করছি, দর্শক আমাদের কাটপিস দেখে ঈদের দর্শকরা নিরাশ হবেন না।
কাটপিস ছবিটি নির্মাণের অভিজ্ঞতা তুলে ধরতে গিয়ে মম বলেন, গার্মেন্টস এর ঝুট মার্কেটে যাওয়ার অভিজ্ঞতা হয়েছিল আমার। সেখানকার ব্যাপার – স্যাপার দেখে ইন্টারেস্টিং মনে হলো। ফিরে খোঁজখবর নিলাম। মনে হলো, পুরো এলাকা আর ব্যবসাটার মধ্যে অনেক কৌতূহলী বিষয় আছে। পুরোটাই রাজনীতি আর ক্ষমতার খেলা। তাই এটা নিয়ে চলচ্চিত্র বানানোর সিদ্ধান্ত নিই। কাটপিস অ্যাকশন ঘরানার ছবি হলেও এতে একটি প্রেমের গল্প আছে। নামটি শুনতে গুরুগম্ভীর মনে হলেও নির্মাতা জানালেন, আদতে মূলধারার অ্যাকশন ছবিই বানিয়েছেন তিনি। ছবির গল্পের পটভূমি ঝুটপট্টি। দেশে এই বিষয় নিয়ে সেভাবে কাজ হয়নি – এটাও ছবিটি বানানোর কারণ। মম বলেন, ছবিতে ঝুটপট্টির অনেক বাস্তবতা আছে কিন্তু এটা কারও জীবন বা সত্য ঘটনা অবলম্বনে তৈরি নয়। ছবিতে কোনো ডামি ব্যবহার করা হয়নি, অ্যাকশন দৃশ্যগুলোতে মূল অভিনয়শিল্পীরাই পারফর্ম করেছেন।
কাটপিস ছবির নামকরণের বিষয়ে জানতে চাইলে মম বলেন, ঝুট মানে মিথ্যা কিন্তু গার্মেন্টস সেক্টরে ঝুট কথাটার অর্থ পরিত্যক্ত বা উচ্ছিষ্ট। রাজধানীর মিরপুরে এই ব্যবসা এতটাই রমরমা যে, একটা এলাকার নামই হয়ে গেছে ঝুটপট্টি! প্রায় অচেনা এই পল্লির গল্প নিয়েই নিজের প্রথম চলচ্চিত্র বানিয়েছি। ঝুটকে অনেক সময় কাটপিসও বলা হয়, এটা থেকে ছবিটির নাম কাটপিস।
নির্মাতা মম জানান, নিজের পরিচালিত কাটপিস ছবিটি নির্মাণে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল এটির শুটিং। গেলো মাসে টানা ১১ দিনে শুটিং শেষ হয়েছে। এত দ্রুত কাজ শেষ করার জন্য অভিনয়শিল্পী আর কলাকুশলীদের ধন্যবাদ দিলেন তিনি। মম জানান, যতটা সম্ভব রিয়েল লোকেশনে শুট করা হয়েছে। কোনো ডামি ব্যবহার হয়নি। মিরপুরে ঝুটের গোডাউনে শুট করা হয়েছে এই জন্যে যে, ছবিটি দেখার সময় যেনো বাস্তবসম্মত মনে হয়।

