লক্ষ্য ছিল সালমান, নিরাপত্তার ঢিলেমি দেখে লক্ষ্যবস্তু হন টাইগার শ্রফ

সালমান খান ও টাইগার শ্রফ
বলিউড অভিনেতা টাইগার শ্রফের গাড়িতে গুলির ঘটনার নেপথ্যে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। পুলিশের জেরায় ধৃত শুটাররা জানিয়েছে, তাদের আসল টার্গেট টাইগার শ্রফ ছিলেন না, বরং অন্য কাউকে খুন করার সুপারি নিয়েছিল তারা।
তদন্তে জানা গেছে, গ্যাংটি প্রথমে সালমান খানকে টার্গেট করার পরিকল্পনা করেছিল। কিন্তু গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্টের বাইরে কড়া নিরাপত্তা দেখে তারা শেষ মুহূর্তে প্ল্যান বদলায় এবং তুলনামূলক কম নিরাপত্তা থাকা টাইগার শ্রফকে নিশানা করে।
মুম্বাই পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের হয়ে এ হামলা চালাতে ২০ দিন আগে মুম্বাইতে প্রবেশ করেছিল তিন শুটার, ঋত্বিক ওরফে রোশন, রেহান এবং ফুল সিং।
প্রথমে তারা সালমান খানের বাড়ির চারপাশে নজরদারি চালায়। কিন্তু সালমানের বাড়ির বাইরে ভারী পুলিশ মোতায়েন এবং আধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত স্পেশাল কমান্ডোদের করা পাহারা দেখে তারা বুঝতে পারে যে সেখানে সফল হওয়া অসম্ভব।
এরপরই তারা মুম্বাইয়ের অন্য হেভিওয়েট তারকাদের, যেমন অমিতাভ বচ্চন, অক্ষয় কুমার ও আমির খান বাড়ির দিকে নজরদারি করতে শুরু করে।
পরে সামাজিক মাধ্যম ও ফ্যান পেজের রিলস ঘেটে তারা জানতে পারে যে টাইগার শ্রফের কোনো পুলিশ প্রটেকশন বা নিরাপত্তা নেই।
এরপরই স্থানীয় এক অটোচালকের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে জুহুর ফুটবল মাঠের রুট ট্র্যাক করে টাইগার শ্রফের ওপর এ প্রাণঘাতী হামলা চালায় তারা।
টাইগার শ্রফের ওপর এ হামলার পেছনে মূল টার্গেট সালমান খান থাকায় নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন। সালমানের গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্ট ও ফার্মহাউজের নিরাপত্তা আরও কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
এখন থেকে তার নিরাপত্তায় নিয়োজিত বিশেষ কমান্ডোদের হাতে দেওয়া হয়েছে জার্মান প্রযুক্তির সর্বাধুনিক সাবমেশিন গান, এমপি৫ এসডি৬, যা সাইলেন্সরসহ নিখুঁতভাবে যেকোনো আক্রমণ প্রতিহত করতে সক্ষম। লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের এ বেপরোয়া কার্যকলাপে বলিপাড়ায় এখন চরম উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।




