Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় ক্যাম্পাস

ঢাবির হলে অসুস্থ ‘শতাধিক’ ছাত্রী, নেপথ্যে কী

ঢাবি প্রতিনিধি
agamir somoy
প্রকাশ: ১০ মে ২০২৬, ১৩:১৮
ঢাবির হলে অসুস্থ ‘শতাধিক’ ছাত্রী, নেপথ্যে কী

ছাত্রীদের মাঝে বমি, ডায়রিয়া, পেট ব‌্যথা, জ্বরসহ নানা অসুস্থতা দেখা দেয়।

গত দুইদিন ধরে পেটের ব্যথায় কাতরাচ্ছিলেন নুসরাত সাঈদা ইলমা। প্রথমে তিনি ভেবেছিলেন, গ্যাস্ট্রিক সমস্যা থেকে এই ব্যথা। তাই সে অনুযায়ী ওষুধ নিয়েছেন তিনি।

কিন্তু ব্যথা কমে যাওয়ার বদলে উল্টো তীব্র আকার ধারণ করে। এবার তিনি ভাবলেন, অনেকেই পানি খেয়ে যেহেতু অসুস্থ, সেই জন্য তিনিও হয়তো একই সমস্যায় আক্রান্ত হয়েছেন।

এরপর ভোরে ছুটে গেলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে। সেখান থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজে, পরে আবার ঢাবির মেডিকেলে। সেখানে হাতে ক্যানুলা করে দেওয়া হয় তিনটি ইনজেকশন। চিকিৎসা নিয়ে হলে ফিরেন ইলমা।

এ ধরনের ঘটনা গত ৫ মে রাত থেকে ঘটে চলেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলাদেশ কুয়েত মৈত্রী হলে। হলটির শিক্ষার্থীরা দীর্ঘদিন ধরে পানির ফিল্টার থেকে ব্লিচিংয়ের গন্ধ আসা এবং নিয়মিত পরিষ্কার না করার অভিযোগ জানিয়ে আসছিলেন হল প্রশাসনের কাছে। হলের সাধারণ সভায় ফ্লোরভিত্তিক ফিল্টার স্থাপনের দাবিও জানিয়েছিলেন তারা।

তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে শিক্ষার্থীরা অভিযোগ তুলেছেন।

তাদের ভাষ্য, পরিস্থিতি দ্রুতই খারাপ হতে থাকে। ছাত্রীদের মাঝে বমি, ডায়রিয়া, পেট ব‌্যথা, জ্বরসহ নানা অসুস্থতা দেখা দেয়। শুরুতে ক্যান্টিনের খাবার বা আবহাওয়াকে এর পেছনে দায়ী করা হলেও অধিকাংশ ছাত্রী নিজ নিজ রুমে রান্না করে খান। যার ফলে শেষ পর্যন্ত পানির উৎসকেই দায়ী মনে করা হয়। হাসপাতালে ভর্তি হওয়া এবং চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণও এই সন্দেহকে জোরালো করে।

হলের শিক্ষার্থী অদিতি ইসলাম আগামীর সময়কে বলেছেন, দীর্ঘদিন ফিল্টারগুলোতে কার্যকর বৈদ্যুতিক সংযোগ ছিল না। সমালোচনা তীব্র হওয়ার পর গত ৭ মে হল প্রশাসন ফিল্টারগুলোতে ইউভি চেম্বার বসানোর কাজ শুরু করে। এই কাজ আগে কেন করা হলো না?

তবে শতাধিক শিক্ষার্থী অসুস্থ হলেও হল প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মাহবুবা সুলতানার দাবি, কয়েকজন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়েছিলেন। এখন পরিস্থিতি ‘নিয়ন্ত্রণে’ রয়েছে।

অধ্যাপক মাহবুবা আগামীর সময়কে বলছেন, ‘পানিতে কোনো সমস্যা ছিল কিনা তার স্যাম্পল পরীক্ষা করার জন্য দেওয়া হয়েছিল। আজকে আবারও দিয়েছি। রিপোর্ট হাতে পেলে জানা যাবে।’

এদিকে, শিক্ষার্থীদের অসুস্থতার খবর পেয়ে চারদিন পর গতকাল রাতে হল পরিদর্শন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এবিএম ওবায়দুল ইসলাম, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আব্দুস সালাম ও প্রক্টর অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমদ।

এ সময় তিনি ছাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের শারীরিক অবস্থার খোঁজ-খবর নেন। একই সঙ্গে ছাত্রীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে তিনি হল প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়অসুস্থপানি সংকটছাত্রী
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise