সাক্ষাৎকারে ঢাবি উপাচার্য
ডাকসু নির্বাচনের ধারাবাহিকতা রক্ষায় আমি অঙ্গীকারবদ্ধ

ফাইল ছবি
দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ ১ জুলাই। দেশের বিভিন্ন ক্রান্তিকালে এই প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা ছিল অগ্রভাগে। ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনা সরকারের আমলের থাকা আবাসন সংকট, একদলীয় ছাত্ররাজনীতি অনেকটা কাটলেও খাদ্য, শিক্ষার মান, বিভিন্ন নিয়োগে অনিয়ম নিয়ে এখনো রয়েছে নানা প্রশ্ন ও অভিযোগ। সার্বিক বিষয় নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়টির উপাচার্য অধ্যাপক এবিএম ওবায়দুল ইসলামের সঙ্গে কথা বলেছে আগামীর সময়। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন আগামীর সময়ের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি লিটন ইসলাম।
আগামীর সময়: ১০৬ বছরে বিশ্ববিদ্যালয় কতটা এগিয়েছে? আপনার মূল্যায়ন কী?
অধ্যাপক এবিএম ওবায়দুল ইসলাম: ১০৬ বছরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জাতিকে অসংখ্য মেধাবী মানুষ, রাষ্ট্রনায়ক, বিজ্ঞানী, সাহিত্যিক ও গবেষক উপহার দিয়েছে। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিভিন্ন কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক উৎকর্ষ ও গবেষণার পরিবেশ কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিশেষ করে বিগত ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ সরকারের সময় শিক্ষক নিয়োগ থেকে শুরু করে প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে দলীয়করণের প্রভাব পড়েছে, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক বিকাশে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। দায়িত্ব গ্রহণের পর আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নকে সামনে রেখে ২০ বছর মেয়াদি একটি মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছি। আমাদের লক্ষ্য শুধু অবকাঠামোগত উন্নয়ন নয়; শিক্ষা, গবেষণা, উদ্ভাবন, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং সুশাসনের সমন্বয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্বের শীর্ষ ২০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের কাতারে নিয়ে যাওয়া। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের জন্য একটি নিরাপদ, আধুনিক, গবেষণাবান্ধব ও আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা পরিবেশ নিশ্চিত করতে আমরা কাজ করছি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তার ঐতিহ্য ও গৌরবের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে আগামী দিনে বিশ্বমানের একটি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা ও অঙ্গীকার।
আগামীর সময়: দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠের অভিভাবকত্ব পাওয়ায় আপনার অনুভূতি কেমন?
অধ্যাপক এবিএম ওবায়দুল ইসলাম: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ ও শতবর্ষী বিদ্যাপীঠের দায়িত্ব আমার কাছে একটি বিশাল বোঝা এবং আল্লাহর পক্ষ থেকে বড় নিয়ামত। এই দায়িত্ব পালন করতে না পারলে আমাকে কেউ ক্ষমা করবে না। তাই আমার প্রধান লক্ষ্য হবে বিশ্ববিদ্যালয়ে সুশাসন বা গুড গভর্নেন্স নিশ্চিত করা। আমি মনে করি, আমি একটি উত্তপ্ত চেয়ারে বসেছি, এ কারণে সব সময় চোখ-কান খোলা রেখে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা করতে হবে। দায়িত্ব পাওয়ার চেয়ে দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করা অনেক বেশি কঠিন ও চ্যালেঞ্জিং। আমি দায়িত্ব উপভোগ করতে চাই না; বরং এই দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে পারাটাকেই আমার আসল কাজ ও সাফল্য বলে মনে করি।
আগামীর সময়: বিশ্ববিদ্যালয়কে শিক্ষার্থী ও গবেষণাবান্ধব হিসেবে সাজাতে আপনার পরিকল্পনা জানতে চাই।
অধ্যাপক এবিএম ওবায়দুল ইসলাম: বিশ্ববিদ্যালয় এমন একটি জায়গায় অবস্থিত, যার চারপাশে অনেকগুলো ওপেনিং রয়েছে। ফলে যানজট নিরসন করা বা বহিরাগত নিয়ন্ত্রণ করা কিছুটা চ্যালেঞ্জিং। আমরা এ নিয়ে কাজ করছি, আগেও প্রশাসন কাজ করেছে। নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া ও টিমের মাধ্যমে আমরা বিশ্ববিদ্যালয়কে সুশৃঙ্খল রাখার চেষ্টা করছি। আসলে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী-কেন্দ্রিক একটি প্রতিষ্ঠান। শিক্ষার্থীদের জন্য একটি সুষ্ঠু শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করাই আমাদের প্রধান দায়িত্ব।
যদি আমরা তাদের জন্য ভালো পরিবেশ, মানসম্মত ও সুষম খাবার, স্বাস্থ্যকর আবাসন এবং পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে না পারি, লাইব্রেরি ও একাডেমিক সুবিধাগুলো ঠিকভাবে দিতে না পারি, তাহলে আমাদের দায়িত্ব পালনের কোনো অর্থ থাকে না। বিভিন্ন সময় আমরা দেখেছি, শিক্ষার্থীরা অনেক সেবা থেকে বঞ্চিত হয় বা বিলম্বিতভাবে সেবা পায়। এই সমস্যা দূর করতে আমরা ইতোমধ্যে কিছু পদক্ষেপ নিয়েছি, যাতে দ্রুততম সময়ে সেবা পৌঁছে দেওয়া যায়। বিশেষ করে রেজিস্টার বিল্ডিংয়ে ফাইল জট বা দীর্ঘসূত্রতা কমানোর জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এর পাশাপাশি আমি বিভাগ ও হল প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলেছি। তাদের স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, হলের খাবার হোক বা অন্যান্য সুবিধা, সবকিছু শিক্ষার্থীদের জন্য নিশ্চিত করতে হবে। শিক্ষার্থীরা ভালো থাকলেই বিশ্ববিদ্যালয় ভালো থাকবে। আমার দীর্ঘ শিক্ষকতা জীবনে আমি সবসময় বিভিন্ন ইস্যুতে কথা বলেছি। এখন যেহেতু আমার ওপর দায়িত্ব এসেছে, আমি সেই দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের চেষ্টা করব। শিক্ষার্থীরা ভালো থাকলে তবেই আমি মনে করব আমি আমার কাজ ঠিকভাবে করতে পেরেছি। আমার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা ও গবেষণার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করা। সেটাই আমার প্রধান লক্ষ্য।
আগামীর সময়: জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অনেক শিক্ষক ও শিক্ষার্থী যারা আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের রাজনীতিতে যুক্ত ছিলেন, তাদের করা নানা অন্যায় কর্মকাণ্ডের দৃশ্যমান শাস্তির বিষয়ে আপনার পদক্ষেপ কী?
অধ্যাপক এবিএম ওবায়দুল ইসলাম: আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর এখন পর্যন্ত মাত্র একটি সিন্ডিকেট মিটিং করেছি। বিশ্ববিদ্যালয় কোনো সাধারণ প্রতিষ্ঠান নয়, এটি আইন দ্বারা পরিচালিত একটি কাঠামো। এখানে কোনো অপরাধ ঘটলে সঙ্গে সঙ্গে শাস্তি দেওয়া সম্ভব হয় না; একটি নির্দিষ্ট পদ্ধতি অনুসরণ করেই সবকিছু করতে হয়। আমি দায়িত্ব নেওয়ার আগে যে তদন্ত কমিটিগুলো গঠিত হয়েছিল, সেগুলোর কাজ বিভিন্ন পর্যায়ে রয়েছে। এখনো সবগুলোর নিষ্পত্তি হয়নি।
গত সিন্ডিকেট মিটিংয়ে আমরা একটি বৈষম্য নিরসন-সংক্রান্ত রিপোর্ট নিয়ে কাজ করতে পেরেছি এবং সেই রিপোর্টের সুপারিশগুলো গ্রহণ করেছি। তবে আরও কিছু রিপোর্ট এখনো পেন্ডিং অবস্থায় আছে। আমি আশা করছি, আগামী এক-দুইটি সিন্ডিকেট মিটিংয়ের মধ্যেই এগুলোর বেশিরভাগ নিষ্পত্তি করা সম্ভব হবে। একটি ঘটনার তদন্ত প্রক্রিয়া বেশ দীর্ঘ। প্রথমে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং করা হয়। সেখানে প্রাথমিক তথ্য প্রমাণ শক্ত হলে পরবর্তীতে ইনকোয়ারি কমিটি গঠন করা হয়।
ইনকোয়ারি শেষে যদি অভিযোগ প্রমাণিত হয়, তাহলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে চার্জ ফ্রেম করা হয়, যা অনুমোদনের প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয়। এরপর সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত সম্পন্ন হয় এবং প্রয়োজনে বিষয়টি ট্রাইব্যুনালে যায়। ট্রাইব্যুনালের পর শেষ পর্যন্ত সিন্ডিকেটে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এই দীর্ঘ প্রক্রিয়ার কারণেই অনেক সময় বিলম্ব হয়। তবে বর্তমানে যে তদন্ত কমিটিগুলো কাজ করছে, তাদের রিপোর্ট দ্রুত জমা দেওয়ার জন্য আমি ইতোমধ্যে নির্দেশনা দিয়েছি। বিশেষ করে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং রিপোর্টগুলো পাওয়া মাত্রই দ্রুত পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য তদন্ত শাখাকে বলা হয়েছে। আমি বিশ্বাস করি, আগামী সিন্ডিকেট মিটিংগুলোতে আমরা অনেকগুলো বিষয়ের সমাধান করতে পারব।
আগামীর সময়: ডাকসুর মেয়াদ তো শেষের দিকে। নির্বাচনের ধারাবাহিকতা রক্ষায় আপনার পরিকল্পনা কি?
অধ্যাপক এবিএম ওবায়দুল ইসলাম: ডাকসু আমাদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণের দাবি। বিভিন্ন সময় ডাকসু নির্বাচন না হওয়াটা অনেকের জন্যই বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অবশ্যই এই নির্বাচন হওয়া উচিত, এটা আমিও মনে করি, এবং এ বিষয়টি নিয়ে আমি সবসময়ই সোচ্চার ছিলাম। ডাকসু নির্বাচনের ধারাবাহিকতা রক্ষায় আমি অঙ্গীকারবদ্ধ৷ এখন সামনে তিন থেকে চার মাস পর আবার নির্বাচনের সময় আসছে। আমি আশা করছি, সকল শিক্ষার্থী এবং সক্রিয় ছাত্র সংগঠনের সঙ্গে আলোচনা করে আমরা পরবর্তী সিদ্ধান্তগুলো গ্রহণ করতে পারব। ডাকসু নির্বাচন আয়োজন করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হলে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে এগোতে হবে। আমি সকল ছাত্র সংগঠনের সহযোগিতা কামনা করছি এবং আশা করি, তারা এই নির্বাচন সফলভাবে সম্পন্ন করতে আমাদের পাশে থাকবে।
আগামীর সময়: ছাত্রসংগঠনগুলোর মধ্যে সহাবস্থান রক্ষায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অভিভাবক হিসেবে কেমন ভূমিকা রাখতে চান?
অধ্যাপক এবিএম ওবায়দুল ইসলাম: বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রায় তিন মাস অতিবাহিত হয়েছে। এই সময়ে আমরা যতটুকু পর্যবেক্ষণ করেছি, তাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সহাবস্থান নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি বলে প্রতীয়মান হয়েছে। শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে সহাবস্থান অপরিহার্য। বর্তমান সরকারের মানসিকতা ও দৃষ্টিভঙ্গি থেকে আমি যতটুকু বুঝি, তারাও সহাবস্থানকে গুরুত্ব দেয়। আমরাও সবসময় শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানাব, তারা যেন সহনশীল ও দায়িত্বশীল আচরণ করে। এমন একটি পরিবেশ তৈরি করতে হবে, যেখানে কোনো ধরনের সংঘাত সৃষ্টি না হয়। আমি বিশ্বাস করি, সহাবস্থান নিশ্চিত করা গেলে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশও বজায় থাকবে।
আগামীর সময়: অতীতে আমরা দেখেছি শিক্ষক, কর্মকর্তা কিংবা কর্মচারী নিয়োগে যোগ্যতার চেয়ে দলকে বেশি প্রাধান্য দেয়ার বিষয়গুলো উঠে এসেছিল। আপনার প্রশাসন এই ক্ষেত্রে কীভাবে এগোবে?
অধ্যাপক এবিএম ওবায়দুল ইসলাম: আমি একজন শিক্ষক, এটাই আমার প্রথম পরিচয়। শিক্ষক হিসেবে আমি সবসময়ই শিক্ষকদের নিয়োগে স্বচ্ছতার দাবি করে এসেছি। আমরা চেষ্টা করেছি যেন যোগ্যতাকেই একমাত্র মাপকাঠি ধরা হয়। মেধা ও যোগ্যতাকে দলীয় বিবেচনার বাইরে রেখে মূল্যায়ন করা উচিত। এই অবস্থান থেকে আমি কখনো সরে আসিনি। দায়িত্ব নেওয়ার পরও এর ব্যতিক্রম হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। সিলেকশন বোর্ড বা প্রমোশন সংক্রান্ত বিষয়গুলোতে, বিশেষ করে লেকচারার বা এন্ট্রি-লেভেলের নিয়োগে, আমি স্পষ্টভাবে নির্দেশ দিয়েছি, যেন সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয় মেধাকে। আমি সবসময়ই বিশ্বাস করি, মেধাই আমাদের প্রধান ভিত্তি, এবং সেই নীতিতেই আমরা কাজ করে যাচ্ছি।
আগামীর সময়: আপনি বিএনপির রাজনীতি করছেন দীর্ঘদিন ধরে। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে আপনি তো সবার অভিভাবক। একজন অভিভাবক হিসেবে কিভাবে কাজ করতে চান?
অধ্যাপক এবিএম ওবায়দুল ইসলাম: রাজনীতির বাইরে খুব কম মানুষই থাকে। কারণ প্রত্যেক মানুষেরই নিজস্ব একটি মতাদর্শ ও চিন্তা থাকে। কিন্তু চেয়ারে বসার পর আমি কতটা নিরপেক্ষ থাকতে পারছি, সেটাই আসল বিষয়। আমার ব্যক্তিগত রাজনৈতিক মতাদর্শ সেখানে প্রতিফলিত হচ্ছে কি না, এটাই গুরুত্বপূর্ণ। আমি কী মতাদর্শে বিশ্বাস করি, সেটি মুখ্য নয়; মুখ্য হলো আমি দায়িত্ব পালনে কতটা ন্যায়সংগত থাকতে পারছি। এই চেয়ার আমাকে একটি দায়িত্ব দিয়েছে, সুশাসন নিশ্চিত করার দায়িত্ব। আমি যদি সেই সুশাসন নিশ্চিত করতে না পারি, তাহলে আমার দায়িত্ব পালনের কোনো মূল্য থাকে না। আমি রাজনীতি করি কি না, সেটি বড় কথা নয়। কিন্তু আমি কখনোই সুশাসন ও ন্যায়বিচারের প্রশ্নে আপস করি না। আমি সবার অভিভাবক।
আগামীর সময়: আমাদের সময় দেয়ার জন্য ধন্যবাদ।
অধ্যাপক এবিএম ওবায়দুল ইসলাম: আপনাকেও ধন্যবাদ।




