আগামীর সময়

বুয়েটে পাটওয়ারী, ক্ষুব্ধ আবরার ফাইয়াজ

বুয়েটে পাটওয়ারী, ক্ষুব্ধ আবরার ফাইয়াজ

ঘোষণা দিয়ে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) গিয়েছিলেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। এরপর শুরু হয় শোরগোল। পাটোয়ারীর প্রবেশে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ছাত্রলীগের হাতে নিহত আবরার ফাহাদের ভাই আবরার ফাইয়াজও।

বুধবার রাতে তিনি সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে এ ক্ষোভ প্রকাশ করেন। আবরার ফাইয়াজ বললেন, ‘বুয়েটের আজকের এই ছাত্ররাজনীতি মুক্ত ক্যাম্পাস দুইটা জীবনের বিনিময়ে পাওয়া, শত শত পোলাপানের নিজেদের ক্যারিয়ারের চিন্তা না করে দিন-রাত এক করে দেওয়া শ্রমের ফল। আমি জানি না নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী ভাই জানতেন কিনা যে বুয়েট এরিয়া কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি পালনের জায়গা না। উনার এখানে এসে লাভ কী হলো তাও জানিনা।

‘কিন্তু উনি এসে ঠিক কতটা ক্ষতি যে আমাদের করলেন, তা বুঝতে দীর্ঘ সময় লাগবে। অবশ্যই নামাজ পড়তে আসা সমস্যা না, কিন্তু নামাজের পরে স্লোগান বা মিছিল তো দেশের যেকোনো মসজিদেই ঘোষণা দিয়ে গেলে হবে!’ যোগ করেন ফাইয়াজ।

তবে বিষয়টির ব্যাখ্যা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন পাটওয়ারী। তিনি বলছেন, ‘আজ বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) কয়েকজন ভাইয়ের আমন্ত্রণে সেখানে তারাবির নামাজ আদায় করতে যাই। নামাজে যাওয়ার পর একজন এসে জানান, অরাজনৈতিক ক্যাম্পাসে কোনো ধরনের বক্তব্য দেওয়া যাবে না। আমি সঙ্গে সঙ্গে তা মেনে নিয়ে বলি, তারাবির নামাজ আদায় করে চলে যাবো।’

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী জানাচ্ছেন তিনি সেখানে শুধু দোয়া করেছেন। তার মতে ‘নামাজ শেষে বের হওয়ার সময় আবারও আমাকে কিছু না বলার জন্য স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয় এবং মিডিয়া ব্রিফিং না করার অনুরোধ জানানো হয়। আমি সেটিও সম্মানের সাথে গ্রহণ করি। সেখানে আমি শুধু শহীদ আবরার ফাহাদ এবং শহীদ ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া করি।’

‘পরবর্তীতে পলাশীতে এসে প্রেস ব্রিফিং করি এবং সবার সঙ্গে কথা বলি। এ সময় কয়েকজন “ইনকিলাব জিন্দাবাদ” স্লোগান দিলে আমি নিজেই তাদের থামিয়ে দেই।’ যোগ করেন।

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল হবে, এটাও জানতেন এনসিপির এই নেতা। সেটিকেও স্বাগতম জানিয়েছেন পাটওয়ারী। এমনকি শাস্তি গ্রহণও করতে তার আপত্তি নেই।

    শেয়ার করুন: