Agamir Somoy E-Paper
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় অর্থনীতি

জ্বালানি খাতের ‘বিষচক্র’ ভাঙাই বড় চ্যালেঞ্জ : অর্থ উপদেষ্টা

আগামীর সময় প্রতিবেদক
agamir somoy
প্রকাশ: ১৭ মে ২০২৬, ১৭:০৬
জ্বালানি খাতের ‘বিষচক্র’ ভাঙাই বড় চ্যালেঞ্জ : অর্থ উপদেষ্টা

ছবি: আগামীর সময়

বর্তমান জ্বালানি খাতকে একটি ‘বিষাক্ত দুষ্ট চক্র’ হিসেবে অভিহিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। তিনি জানালেন, বিগত পতিত সরকারের স্বার্থান্বেষী নীতি ও আমদানিনির্ভর ব্যবস্থার কারণে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে, যা এখন যেকোনো সংস্কারের ক্ষেত্রে প্রধান বাধা।

আজ রবিবার সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) এবং ঢাকা স্ট্রিমের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এক সেমিনারে এই মন্তব্য করেন তিনি।

অর্থ উপদেষ্টা জানালেন, আমাদের উৎপাদন সক্ষমতা ও তা কাজে লাগানোর প্রক্রিয়ার মধ্যে বড় ফাটল রয়েছে, যার বড় উদাহরণ ‘ক্যাপাসিটি চার্জ’। এর মাধ্যমে জনগণের সম্পদের চরম অপচয় করা হয়েছে। নিয়মবহির্ভূত ও আইনি দায়মুক্তি দেওয়া এসব চুক্তির কারণে দেশকে দীর্ঘ ২৫ থেকে ৩০ বছর ধরে গুনতে হবে মাসুল।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, বিগত সময়ে পুরো খাতকে আমদানিনির্ভর করে গুটিকয়েক ব্যক্তি ও কোম্পানির হাতে ঠেলে দেওয়া হয়েছিল। ফলে শিল্পের মূল চালিকাশক্তি ‘স্বল্পমূল্যের জ্বালানি’ নিশ্চিত করা যায়নি এবং গত ১৭ বছরে দেশে এক ধরনের ‘বিশিল্পায়ন’ বা শিল্প ধ্বংসের প্রক্রিয়া চলেছে। এই কাঠামোগত ত্রুটির কারণেই প্রতি মুহূর্তে জনগণের করের টাকা ভর্তুকি হিসেবে দিতে হচ্ছে।

২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পৌঁছানোর লক্ষ্যমাত্রা তুলে ধরে রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর সংকট উত্তরণে ৫টি সুনির্দিষ্ট রূপরেখা বা মাইলফলক ঘোষণা করেন

১. নবায়নযোগ্য জ্বালানি : জ্বালানি মিশ্রণে নবায়নযোগ্য জ্বালানির পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানো হবে।

২. যৌক্তিক দাম নীতি : সাধারণ ভোক্তার আয়ের সাথে সামঞ্জস্য রেখে এবং শিল্পের জন্য উৎপাদনশীলতা বিবেচনা করে দাম কাঠামো তৈরি হবে।

৩. জ্বালানি স্বনির্ভরতা : আমদানিনির্ভরতা কাটিয়ে দেশীয় সক্ষমতা ও জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।

৪. দেশীয় অনুসন্ধান : রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান 'বাপেক্স'-এর সক্ষমতা বাড়িয়ে নিজস্ব গ্যাস অনুসন্ধানে (Exploration) জোর দেওয়া হবে।

৫. মজুদের বেঞ্চমার্ক : ন্যূনতম জ্বালানি মজুদের একটি সুনির্দিষ্ট 'বেঞ্চমার্ক' বা পরিমাপক নির্ধারণ করা হবে এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদনে বিনিয়োগকারীদের বিশেষ সহায়তা দেওয়া হবে।

নাগরিক সমাজকে ধন্যবাদ জানিয়ে অর্থ উপদেষ্টার ভাষ্য, জ্বালানি খাতের এই দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত বিষচক্র থেকে বের হওয়া এক বিরাট চ্যালেঞ্জ, যা মোকাবিলায় প্রয়োজন সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা।

জ্বালানি খাতঅর্থ উপদেষ্টাসিপিডি
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise