রমজানে যত টাকা কেজিতে গরু-মুরগির মাংস বিক্রি করবে সরকার

সংগৃহীত ছবি
এবার রোজায় পণ্যের দাম সহনীয় রাখতে সরকারের একাধিক সংস্থা মাঠে থাকবে। ফলে কারসাজির প্রমাণ মেললে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মুসলিম সম্প্রদায়ের জন্য পবিত্র রমজান মাসকে বলা হয় বরকত,রহমত,মাগফিরাত। তবে বিশ্বের অন্যান্য দেশে নিত্যপণ্যের দাম কমানোর প্রতিযোগিতা হলেও বাংলাদেশে এর চিত্র ভিন্ন। রমজান আসার আগেই বাড়তে শুরু করে
চাল, আটা, ময়দা, ডাল, ছোলা, ব্রয়লার মুরগি, চিনি, চিড়াসহ বিভিন্ন নিত্যপণ্যের দাম। এজন্য অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ডলার সংকট ও ঋণপত্র খোলা নিয়ে জটিলতাকে দায়ী করেন ব্যবসায়ীরা। প্রতি বছরের মতো সরকার এ বছরও রমজান মাসে সুলভমূল্যে মাংস, দুধ ও ডিম বিক্রির উদ্যোগ নিয়েছে। নির্ধারিত দামে প্রতি কেজি গরুর মাংস ৬৫০ টাকা, প্রক্রিয়াজাত মুরগির মাংস ২৫০ টাকা, প্রতি লিটার দুধ ৮০ টাকা এবং প্রতিটি ডিম ৮ টাকা করে বিক্রি করা হবে।
রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে রমজান উপলক্ষে ন্যায্যমূল্যে পণ্য বিক্রি সংক্রান্ত এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভায় জানানো হয়, গত বছরের তুলনায় এবার বিক্রয়কেন্দ্রের সংখ্যা বাড়ানো হবে।
এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার। চলতি বছর রাজধানীসহ সারাদেশে মোট ৪৮টি স্থানে এসব পণ্য বিক্রি করা হবে।
প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. আবু সুফিয়ান বলেন, ‘রমজান মাসে রোজাদারদের ভোগান্তি কমাতে সরকার বরাবরের মতো এবারও ন্যায্যমূল্যে পণ্য বিক্রির উদ্যোগ নিয়েছে। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
তবে এবার রোজায় পণ্যের দাম সহনীয় রাখতে সরকারের একাধিক সংস্থা মাঠে থাকবে। ফলে কারসাজির প্রমাণ মেললে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জরিমানার পাশাপাশি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান সিলগালা করা হবে। প্রয়োজনে অসাধু ব্যবসায়ীদের ধরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে দেওয়া হবে।
ইতিমধ্যে পণ্য সরবরাহকারী অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। তারা গত বছরের তুলনায় এবার আরো বেশি স্থানে ন্যায্যমূল্যে পণ্য বিক্রির ব্যবস্থা করবে বলেও জানান তিনি।

