অতীতে ‘ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে’ দেখানো হয়েছে জিডিপি প্রবৃদ্ধি : অর্থ উপদেষ্টা

সংগৃহীত ছবি
প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেছেন, বিগত সরকারগুলোর সময় রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে মোট দেশজ উৎপাদন-জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ‘ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে’ দেখানো হতো। সেটার সংস্কার আমরা ইতোমধ্যে শুরু করেছি।
আজ রবিবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ড-এনবিআর দপ্তরে রাজস্ব আহরণ বিষয়ক টাস্কফোর্সের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেছেন তিনি।
‘শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটির মাধ্যমে আপনারা জেনেছেন, অর্থনীতির প্রতিটি সেক্টরে কীভাবে তথ্যের কারচুপি করা হয়েছে। তাই জিডিপির প্রকৃত আকার যখন আমরা পাব, তখন করের সাথে এর আনুপাতিক হারটিও বাস্তবসম্মত হবে,’- বলছিলেন তিনি।
উপদেষ্টা তিতুমীর বলেছেন, ‘আপনারা এটাও অবগত আছেন যে লুটপাটই শুধু হয়নি, খাতা কলমে কীভাবে গোঁজামিল হয়েছে। প্রতিবছর, এই সাম্প্রতিককালে অর্থাৎ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আগে, পতিত সরকার সর্বদা রাজস্ব আয়কে গোঁজামিল হিসেবে দেখিয়েছে, যার সাথে প্রকৃত আহরণের কোনো সম্পর্ক ছিল না।’
এ সময় রাজস্ব আদায়ের সমস্যার কথা তুলে ধরে তিনি বলেছেন, ‘আমরা আজকে সমবেত হয়েছি একটা বিষয় নিয়ে আলোচনা করার জন্য। বাংলাদেশের অর্থনীতি ধসে গেছে, এটা নতুন করে বলার কিছু নাই। এটা একটা ধ্বংসপ্রাপ্ত অর্থনীতি উত্তরাধিকার সূত্রে আমরা প্রাপ্ত হয়েছি।’
চলতি অর্থবছরের রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য অর্জন নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেছেন, এই তিন মাসের মধ্যে আমরা আশাবাদ ব্যক্ত করতে পারি যে আমরা এই তিন মাসের অর্থাৎ চতুর্থ প্রান্তিকে যেকোনো সময়ের তুলনায় আমরা বেশি পরিমাণ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করব। এটা হচ্ছে এক। মানে একবারে ইমিডিয়েট লক্ষ্য।’
‘দ্বিতীয় লক্ষ্য হচ্ছে, গত বছরে যে পরিমাণ লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়েছে তার চেয়ে অনেক বেশি পরিমাণে আমরা লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করব এবং যার ফলে আমরা কর-জিডিপি হারকে আমাদের ইশতেহারে যেটা লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করা হয়েছে, একসময় ১০ শতাংশে নিয়ে যাওয়া হবে। তারপরে ২০৩৫ সালে ১৫ শতাংশে নিয়ে যাওয়া হবে।’

