বিনিয়োগ শিক্ষার আওতায় আইআইইউসি শিক্ষার্থীদের সিএসই পরিদর্শন

সিএসই পরিদর্শনে আইআইইউসি শিক্ষার্থীরা
শেয়ারবাজার সম্পর্কে বাস্তবভিত্তিক জ্ঞানার্জন এবং ব্যবহারিক কার্যক্রম সম্পর্কে ধারণা নিতে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) পরিদর্শন করেছে আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রামের (আইআইইউসি) ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের শিক্ষার্থীদের একটি দল।
বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) নির্দেশনা অনুযায়ী বিনিয়োগ শিক্ষা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের আগ্রাবাদে অবস্থিত সিএসই কার্যালয়ে আসেন তারা।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিএসইর চিফ রেগুলেটরি অফিসার মোহাম্মদ মাহাদি হাসান, সিএফএ; ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার ও হেড অব লিস্টিং অ্যাফেয়ার্স এ কে এম শাহরোজ আলম এবং হেড অব ইন্টারনাল অডিট মোহাম্মদ বারাকাত শফি। অধিবেশন পরিচালনা করেন সিএসইর হেড অব ট্রেনিং অ্যান্ড অ্যাওয়ারনেস এম সাদেক আহমেদ। আইআইইউসির পক্ষ থেকে অংশ নেন ফিন্যান্স বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন, অধ্যাপক ড. নাজনিন জাহান চৌধুরী, সহযোগী অধ্যাপক মো. আরিফুল হক এবং সহকারী অধ্যাপক ড. নাজিম উল্লাহ।
অনুষ্ঠানে মোহাম্মদ মাহাদি হাসান বলেছেন, বিনিয়োগে বৈচিত্র্য আনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শুধু শেয়ার বা সিকিউরিটিজে নয়, বরং মিউচুয়াল ফান্ড, এক্সচেঞ্জ ট্রেডেড ফান্ড (ইটিএফ) এবং বন্ডের মতো বিভিন্ন আর্থিক পণ্যে বিনিয়োগের বিষয়ে সচেতন হতে হবে। বাজার ব্যবস্থাপনা, নতুন আর্থিক পণ্য এবং বিনিয়োগসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে সম্যক জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে ভবিষ্যতের সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হতে পারে।
অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন বলেছেন, উন্নত অর্থনীতিতে ব্যাংক মূলত স্বল্পমেয়াদি অর্থায়নের মাধ্যম, আর শেয়ারবাজার দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের প্রধান উৎস। কিন্তু বাংলাদেশে এ চিত্র অনেকাংশে উল্টো। ভবিষ্যৎ বিনিয়োগকারীদের এ বাস্তবতা বিবেচনায় রেখে পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রস্তুতি নিতে হবে।
অধ্যাপক ড. নাজনিন জাহান চৌধুরী বলছিলেন, শিক্ষার্থীদের তাত্ত্বিক শিক্ষার পাশাপাশি ব্যবহারিক জ্ঞানের সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে হবে। পুঁজিবাজার কীভাবে কাজ করে এবং এর বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে গভীরভাবে জানার চেষ্টা করতে হবে।
অনুষ্ঠানে দেশের শেয়ারবাজারে প্রচলিত বিভিন্ন বিনিয়োগ পণ্য, আর্থিক ব্যবস্থাপনা, বিনিয়োগের ঝুঁকি ও সম্ভাব্য রিটার্ন সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের ধারণা দেন বক্তারা। পাশাপাশি ভবিষ্যতে দক্ষ বিনিয়োগকারী হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলতে শিক্ষাজীবন থেকেই প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। এ ছাড়া সিএসইতে কমোডিটি এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ ও এ বিষয়ে চলমান অগ্রগতির বিষয়েও অবহিত করা হয় শিক্ষার্থীদের।




