আগামীর সময়

বস্ত্র খাতের ১৬ কোম্পানির আয় কমল

বস্ত্র খাতের ১৬ কোম্পানির আয় কমল

সংগৃহীত ছবি

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত বস্ত্র খাতের কোম্পানিগুলোর সর্বশেষ আর্থিক প্রতিবেদনে মিশ্র চিত্র দেখা যাচ্ছে। শেয়ারপ্রতি আয় কমেছে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক প্রতিষ্ঠানের।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে জানা গেছে, খাতটির ৫৮টি কোম্পানির মধ্যে ৩৯টি কোম্পানি ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ সমাপ্ত দ্বিতীয় প্রান্তিকের (অক্টোবর-ডিসেম্বর) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এর মধ্যে ১৬টি কোম্পানির ইপিএস কমেছে।

ইপিএস কমা কোম্পানিগুলোর মধ্যে রয়েছে এপেক্স স্পিনিং, আরগন ডেনিমস, ফারইস্ট নিটিং, হাউওয়েল টেক্সটাইল, মালেক স্পিনিং, মতিন স্পিনিং, মোজাফ্ফর হোসেন স্পিনিং, মুন্নু ফেব্রিক্স, প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল, কুইন সাউথ টেক্সটাইল, সায়হাম কটন, সায়হাম টেক্সটাইল মিলস, শাশা ডেনিমস, স্কয়ার টেক্সটাইল, স্টাইলক্র্যাফটস এবং তশরিফা ইন্ডাস্ট্রিজ।

এপেক্স স্পিনিংয়ের দ্বিতীয় প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৯৮ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১ টাকা ৪ পয়সা। ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) কোম্পানিটির ইপিএস দাঁড়িয়েছে ১ টাকা ৬৯ পয়সা, যা আগের বছরের ২ টাকা ১ পয়সা থেকে কম।

আরগন ডেনিমসের ইপিএস দ্বিতীয় প্রান্তিকে নেমে এসেছে ১২ পয়সায়, যেখানে আগের বছর ছিল ৫৭ পয়সা। ছয় মাসে কোম্পানিটির ইপিএস দাঁড়িয়েছে ৬৭ পয়সা, যা আগের বছরের ১ টাকা ২ পয়সার তুলনায় কম।

ফারইস্ট নিটিং দ্বিতীয় প্রান্তিকে ৫ পয়সা ইপিএস অর্জন করলেও আগের বছর একই সময়ে তা ছিল ৩৫ পয়সা। তবে ছয় মাসে কোম্পানিটি ৯১ পয়সা লোকসানে পড়েছে, যেখানে আগের বছর একই সময়ে ৭৩ পয়সা মুনাফা করেছিল।

হাউওয়েল টেক্সটাইলের দ্বিতীয় প্রান্তিকে ইপিএস হয়েছে ৮১ পয়সা, যা আগের বছরের ১ টাকা ১ পয়সা থেকে কম। ছয় মাসে কোম্পানিটির ইপিএস দাঁড়িয়েছে ১ টাকা ৯১ পয়সায়, যা আগের বছরের ২ টাকা ১৮ পয়সার তুলনায় কম।

মালেক স্পিনিংয়ের দ্বিতীয় প্রান্তিকে ইপিএস ১ টাকা ৬৫ পয়সা, যা আগের বছরের ২ টাকা ৬২ পয়সা থেকে কম। ছয় মাসে ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ৫৪ পয়সা, যা আগের বছরের ৪ টাকা ৩৫ পয়সার তুলনায় কম।

মতিন স্পিনিংয়ের দ্বিতীয় প্রান্তিকে ইপিএস ১ টাকা ২ পয়সা, যা আগের বছরের ১ টাকা ৫৮ পয়সা থেকে কম। ছয় মাসে কোম্পানিটির ইপিএস দাঁড়িয়েছে ২ টাকা ১১ পয়সা, যা আগের বছরের ২ টাকা ৬১ পয়সা থেকে কম।

মোজাফ্ফর হোসেন স্পিনিংয়ের দ্বিতীয় প্রান্তিকে ইপিএস ১৯ পয়সা, যা আগের বছরের ২৪ পয়সা থেকে কম। তবে ছয় মাসে ইপিএস বেড়ে ৪৯ পয়সা হয়েছে, যা আগের বছরের ৪১ পয়সার চেয়ে বেশি।

মুন্নু ফেব্রিক্স দ্বিতীয় প্রান্তিকে ১ পয়সা ইপিএস করেছে, যা আগের বছরের ৪ পয়সা থেকে কম। ছয় মাসে ইপিএস দাঁড়িয়েছে ৪ পয়সা, যেখানে আগের বছর ছিল ৭ পয়সা।

প্যারামাউন্ট টেক্সটাইলের দ্বিতীয় প্রান্তিকে ইপিএস ১ টাকা ১৬ পয়সা, যা আগের বছরের ১ টাকা ৪৪ পয়সা থেকে কম। ছয় মাসে ইপিএস দাঁড়িয়েছে ২ টাকা ৩৬ পয়সা, যা আগের বছরের ২ টাকা ৪৬ পয়সার তুলনায় কিছুটা কম।

কুইন সাউথ টেক্সটাইলের দ্বিতীয় প্রান্তিকে ইপিএস ৮ পয়সা, যা আগের বছরের ১১ পয়সা থেকে কম। ছয় মাসে ইপিএস হয়েছে ১৫ পয়সা, যেখানে আগের বছর ছিল ১৯ পয়সা।

সায়হাম কটনের দ্বিতীয় প্রান্তিকে ইপিএস ২০ পয়সা, যা আগের বছরের ৩১ পয়সা থেকে কম। ছয় মাসে ইপিএস দাঁড়িয়েছে ৪৮ পয়সা, যা আগের বছরের ৫৮ পয়সার তুলনায় কম।

সায়হাম টেক্সটাইলের দ্বিতীয় প্রান্তিকে ইপিএস ১১ পয়সা, যা আগের বছরের ১৩ পয়সা থেকে কম। তবে ছয় মাসে কোম্পানিটি ২৮ পয়সা মুনাফা করেছে, যেখানে আগের বছর একই সময়ে ৩৪ পয়সা লোকসানে ছিল।

শাশা ডেনিমসের দ্বিতীয় প্রান্তিকে ইপিএস ২৮ পয়সা, যা আগের বছরের ৮০ পয়সা থেকে কম। ছয় মাসে ইপিএস দাঁড়িয়েছে ৫৯ পয়সা, যা আগের বছরের ১ টাকা ২০ পয়সার তুলনায় কম।

স্কয়ার টেক্সটাইলের দ্বিতীয় প্রান্তিকে ইপিএস ১৪ পয়সা, যা আগের বছরের ১ টাকা ৯৩ পয়সা থেকে উল্লেখযোগ্যভাবে কম। ছয় মাসে ইপিএস দাঁড়িয়েছে ১ টাকা ৮৪ পয়সা, যা আগের বছরের ৩ টাকা ৮৩ পয়সার তুলনায় কম।

স্টাইলক্র্যাফটসের দ্বিতীয় প্রান্তিকে ইপিএস ১ পয়সা, যা আগের বছরের ৪ পয়সা থেকে কম। ছয় মাসে ইপিএস অপরিবর্তিত থেকে ১ পয়সায় দাঁড়িয়েছে, যেখানে আগের বছর ছিল ৭ পয়সা।

তশরিফা ইন্ডাস্ট্রিজের দ্বিতীয় প্রান্তিকে ইপিএস ৯ পয়সা, যা আগের বছরের ১৯ পয়সা থেকে কম। ছয় মাসে ইপিএস দাঁড়িয়েছে ১৭ পয়সা, যা আগের বছরের ২৬ পয়সার তুলনায় কম।

    শেয়ার করুন: