কুল-বিএসপিএ স্পোর্টস অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠিত

সংগৃহীত ছবি
রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে শুক্রবার অনুষ্ঠিত হয়েছে বাংলাদেশ স্পোর্টস প্রেস অ্যাসোসিয়েশন (বিএসপিএ) আয়োজিত ‘কুল-বিএসপিএ স্পোর্টস অ্যাওয়ার্ড ২০২৫’। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে পুরস্কৃত করা হয় দেশের সেরা ক্রীড়াবিদ, কোচ, সংগঠক ও ক্রীড়া-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের।
এবারের আসরের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ ছিলেন ফুটবলার হামজা চৌধুরী। বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদ, বর্ষসেরা ফুটবলার এবং পপুলার চয়েজ অ্যাওয়ার্ড জিতে ত্রিমুকুট অর্জন করেছেন তিনি। বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদ বিভাগে নারী ফুটবলার ঋতুপর্ণা চাকমা ও হকি খেলোয়াড় আমিরুল ইসলামকে পেছনে ফেলেন হামজা।
পুরস্কারপ্রাপ্তির পর এক ভিডিও বার্তায় হামজা চৌধুরীর ভাষ্য, এই পুরস্কার পেয়ে খুবই গর্ববোধ করছি আমি। কুল-বিএসপিএ অ্যাওয়ার্ড দেশের ঐতিহ্যবাহী পুরস্কার। আমার পরিবার, কোচ, সতীর্থ, বন্ধু ও সমর্থকদের ধন্যবাদ জানাই আমি। সারা বছর জাতীয় দলকে সমর্থন দেওয়ার জন্যও সবাইকে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিএসপিএ সভাপতি রেজওয়ান উজ জামান রাজিব। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। তিনি উল্লেখ করেছেন, বিএসপিএ স্পোর্টস অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে দীর্ঘদিন ধরে। আগে ফুটবলার হিসেবে এখানে আসতাম। এখন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী হিসেবে এসেছি। এটি আমাদের ক্রীড়াঙ্গণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন।
গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্কয়ার টয়লেট্রিজ লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মালিক মোহাম্মদ সাইদ। তিনি বলেছেন, বিএসপিএ দেশের অন্যতম প্রাচীন ক্রীড়া সাংবাদিক সংগঠন। এই আয়োজনে অংশীদার হতে পেরে আনন্দিত আমরা।
সভাপতির বক্তব্যে রেজওয়ান উজ জামান রাজিব বলেছেন, বাংলাদেশের ক্রীড়া সাংবাদিকতা বিশ্বমানের। তবে আরও উন্নয়নের সুযোগ রয়েছে। বিএসপিএ একটি স্পোর্টস জার্নালিস্ট ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করতে চায়। এ জন্য সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।
দেশে প্রথম ক্রীড়া পুরস্কার প্রবর্তনকারী বিএসপিএ এবার ১৬টি বিভাগে মোট ১৫ জন বর্তমান ও সাবেক ক্রীড়াবিদ, সংগঠক এবং একটি সংস্থাকে সম্মাননা প্রদান করেছে। টানা ১১তমবারের মতো এই আয়োজনের পৃষ্ঠপোষকতা করেছে স্কয়ার টয়লেট্রিজ লিমিটেডের জনপ্রিয় ব্র্যান্ড কুল।
কুল-বিএসপিএ স্পোর্টস অ্যাওয়ার্ড ২০২৫-এর বিজয়ীরা
১. বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদ: হামজা চৌধুরী (চ্যাম্পিয়ন), ঋতুপর্ণা চাকমা (রানার-আপ), আমিরুল ইসলাম (রানার-আপ)
২. পপুলার চয়েজ অ্যাওয়ার্ড: হামজা চৌধুরী
৩. বর্ষসেরা ক্রিকেটার: রিশাদ হোসেন
৪. বর্ষসেরা ফুটবলার: হামজা চৌধুরী ও ঋতুপর্ণা চাকমা
৫. বর্ষসেরা হকি খেলোয়াড়: আমিরুল ইসলাম
৬. বর্ষসেরা আর্চার: আব্দুর রহমান আলিফ
৭. বর্ষসেরা টেবিল টেনিস খেলোয়াড়: খই খই সাই মারমা
৮. বর্ষসেরা ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড়: আল আমিন জুমার
৯. উদীয়মান ক্রীড়াবিদ: রিপন মণ্ডল (ক্রিকেট)
১০. বর্ষসেরা কোচ: পিটার বাটলার (নারী ফুটবল)
১১. বর্ষসেরা আম্পায়ার: সেলিম লাকী (হকি)
১২. বর্ষসেরা সংগঠক: কাজী রাজীব উদ্দীন আহমেদ চপল (আর্চারি)
১৩. তৃণমূলের ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব: আলমগীর কবীর (ক্রিকেট কোচ)
১৪. বিশেষ সম্মাননা: শাহনাজ পারভীন মালেকা (কাবাডি কোচ)
১৫. সেরা পৃষ্ঠপোষক: প্রাইম ব্যাংক পিএলসি
১৬. সক্রিয় ফেডারেশন: বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশন




