বাংলা কিউআরে যুক্ত হলো পাঠাও পে

সংগৃহীত ছবি
বাংলাদেশে ক্যাশলেস লেনদেন আরও সহজ করতে ‘বাংলা কিউআর’ ও ন্যাশনাল পেমেন্ট সুইচ বাংলাদেশ (এনপিএসবি) নেটওয়ার্কে যুক্ত হয়েছে পাঠাও পে।
এর ফলে এখন থেকে পাঠাও পে ব্যবহারকারীরা রাইড শেয়ারিং, ফুড ডেলিভারি, রেস্টুরেন্ট ও বিভিন্ন খুচরা দোকানে বাংলা কিউআর স্ক্যান করে সহজে মূল্য পরিশোধ করতে পারবেন। গ্রাহক যে ব্যাংক বা পেমেন্ট প্ল্যাটফর্মই ব্যবহার করুন না কেন, এই সমন্বিত ব্যবস্থায় লেনদেন হবে আরও দ্রুত ও নির্বিঘ্ন।
পাঠাও জানিয়েছে, দেশের ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থাকে একটি অভিন্ন নেটওয়ার্কের আওতায় আনার ক্ষেত্রে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
এরই মধ্যে ফেয়ার ইলেকট্রনিক্স লিমিটেড, সিক্রেট রেসিপি, প্রাভা হেলথ, ম্যাডশেফ, চিজ, পাগলা বাবুর্চি ও লোটোসহ বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে পাঠাও পে-এর মাধ্যমে বাংলা কিউআর পেমেন্ট চালু হয়েছে।
এ ছাড়া পাঠাওয়ের বাইক, কার ও সিএনজি সেবার চালকদের কাছেও ধীরে ধীরে এই কিউআর পেমেন্ট সুবিধা সম্প্রসারণ করা হচ্ছে।
পাঠাওয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহিম আহমেদ উল্লেখ করেছেন, মানুষের দৈনন্দিন জীবনে ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবহারের অভিজ্ঞতা সহজ ও স্বাভাবিক হওয়া উচিত। তার ভাষ্য, বাংলা কিউআর যুক্ত হওয়ার মাধ্যমে লাখো গ্রাহক ও মার্চেন্টের জন্য পেমেন্ট ব্যবস্থা আরও সংযুক্ত ও সহজ হয়ে উঠবে। স্মার্ট ডিজিটাল ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার পথে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি।
ভবিষ্যতে অনলাইন কেনাকাটা ও কুরিয়ার সেবার ক্ষেত্রেও বাংলা কিউআর পেমেন্ট চালুর পরিকল্পনা রয়েছে পাঠাও পে-এর।
২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত পাঠাও বর্তমানে রাইড শেয়ারিং, ফুড ডেলিভারি ও ই-কমার্স লজিস্টিকস খাতে দেশের অন্যতম শীর্ষ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম। প্রতিষ্ঠানটির তথ্য অনুযায়ী, তাদের ১ কোটি ৫০ লাখের বেশি ব্যবহারকারী, ৪ লাখের বেশি পাঠাও হিরো ও ডেলিভারি এজেন্ট, ২ লাখ মার্চেন্ট এবং ১৫ হাজার রেস্টুরেন্ট অংশীদার রয়েছে। পাঠাও এ পর্যন্ত দেশে ৬ লাখের বেশি কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করেছে।




