Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় অর্থনীতি

রপ্তানিতে মন্দার বছর জুনে স্বস্তি

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক
agamir somoy
প্রকাশ: ০৩ জুলাই ২০২৬, ০৬:৩৯
রপ্তানিতে মন্দার বছর জুনে স্বস্তি

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

সদ্য সমাপ্ত ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশের পণ্য রপ্তানি ছিল নেতিবাচক ধারায়। মূলত মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ ও বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের জেরে সরবরাহ ব্যবস্থায় বিপর্যয়, দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পটপরিবর্তনে সাময়িক স্থবিরতা এবং শিল্পাঞ্চলের তীব্র গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের ধাক্কায় কিছুটা কমেছে রপ্তানি আয়। তবে এর মধ্যেও বড় স্বস্তি এনে দিয়েছে জুন মাসের রেকর্ড ২৫ দশমিক ৯১ শতাংশ প্রবৃদ্ধি।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) প্রকাশিত হালনাগাদ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সদ্য সমাপ্ত ২০২৫-২৬ অর্থবছরে (জুলাই-জুন) বাংলাদেশের সামগ্রিক পণ্য রপ্তানি আয় এবং প্রবৃদ্ধি দুটিই আগের বছরের তুলনায় কিছুটা কমে গেছে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ পণ্য রপ্তানি থেকে মোট আয় করেছে ৪ হাজার ৮০০ কোটি ১৯ লাখ মার্কিন ডলার। এর আগের অর্থবছর— অর্থাৎ ২০২৪-২৫ সালে দেশের মোট রপ্তানি আয়ের পরিমাণ ছিল ৪ হাজার ৮২৮ কোটি ৩৯ লাখ মার্কিন ডলার। সেই হিসাবে পুরো অর্থবছরের ব্যবধানে দেশের প্রধান এই অর্থনৈতিক সূচকের আয় কমেছে প্রায় ২৮ কোটি ২০ লাখ ডলার, যা শতাংশের হিসাবে শূন্য দশমিক ৫৮ শতাংশ নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি।

সংশ্লিষ্ট খাতের বিশ্লেষকরা বলছেন, দীর্ঘ সময় ধরে চলা মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধবিগ্রহের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে তীব্র অস্থিরতা এবং সাপ্লাই চেইনের নজিরবিহীন বিপর্যয় এই পতনের অন্যতম প্রধান কারণ। এর পাশাপাশি দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পটপরিবর্তনজনিত সাময়িক স্থবিরতা, শিল্পাঞ্চলগুলোয় তীব্র গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট এবং দেশের শীর্ষ রপ্তানি গন্তব্যগুলোয় ভোক্তাদের কেনাকাটার আগ্রহ কমে যাওয়া সামগ্রিক রপ্তানি প্রবৃদ্ধিকে টেনে ধরেছে।

অর্থবছরের সামগ্রিক এই ঘাটতির মধ্যেও বছরের শেষ মাস জুন দেশের অর্থনীতিতে এক স্বস্তির সুবাতাস এনে দিয়েছে। একক মাস হিসেবে ২০২৬ সালের জুনে বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানি খাতে বছরের ব্যবধানে রেকর্ড ২৫ দশমিক ৯১ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে। গত বছর, অর্থাৎ ২০২৫ সালের জুনে যেখানে রপ্তানি আয় ছিল প্রায় ৩৩৩ কোটি ৭৯ লাখ মার্কিন ডলার, সেখানে ২০২৬ সালের এই জুনে তা এক লাফে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪২০ কোটি ২৬ লাখ মার্কিন ডলারে।

খাতভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০২৫-২৬ অর্থবছর জুড়ে তৈরি পোশাক খাত থেকে মোট আয় এসেছে ৩ হাজার ৮৭০ কোটি ১৫ লাখ মার্কিন ডলার, যা আগের অর্থবছরের ৩ হাজার ৯৩৪ কোটি ৬৯ লাখ ডলারের তুলনায় ১ দশমিক ৬৪ শতাংশ কম। অন্য প্রধান খাতগুলোর বার্ষিক পারফরম্যান্সের মধ্যেও মিশ্র প্রবণতা দেখা গেছে। যেমন— পাট ও পাটজাত পণ্য খাত পুরো অর্থবছরে ৭ দশমিক ৭৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি ধরে রেখে মোট ৮৮ কোটি ৩৬ লাখ ডলার আয় করেছে, যার মধ্যে জুনের অবদান ছিল একাই ৯০ কোটি ডলারের বেশি। চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য খাতও ৭ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ বার্ষিক প্রবৃদ্ধিসহ ১২২ কোটি ৬২ লাখ ডলারের একটি মজবুত অবস্থান তৈরি করেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে ব্যাপক চাহিদা থাকায় ইঞ্জিনিয়ারিং খাতে ২১ দশমিক ৭৭ শতাংশের বার্ষিক প্রবৃদ্ধি হয়েছে, যা থেকে আয় এসেছে প্রায় ৬৫ কোটি ২১ লাখ ডলার।

বিপরীতে, প্রতিকূল আবহাওয়া ও উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় কৃষিজাত পণ্যের বার্ষিক রপ্তানি ১ দশমিক ৩৪ শতাংশ কমে ৯৭ কোটি ৫৩ লাখ ডলারে নেমে এসেছে, যদিও এই খাতটিও জুনে ৪৬ দশমিক ৭৭ শতাংশের একক প্রবৃদ্ধি দেখিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর স্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়েছে।

রপ্তানিমন্দাস্বস্তি
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise