Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় বাজেট

বাজেট নিয়ে গোলটেবিল বৈঠক

অর্থনৈতিক সংস্কার, বিনিয়োগ ও কৃষি খাত পুনর্গঠনের আহ্বান

আগামীর সময় প্রতিবেদক
agamir somoy
প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ১৩:৪৫
অর্থনৈতিক সংস্কার, বিনিয়োগ ও কৃষি খাত পুনর্গঠনের আহ্বান

ছবি: আগামীর সময়

বর্তমান অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা, বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়ন, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং কৃষি খাত পুনর্গঠনকে সামনে রেখে ‘সংকট মুহূর্তের বাজেট ২০২৬-২৭’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রাজধানীর সিরডাপ আন্তর্জাতিক কনফারেন্স সেন্টারের এ টি এম শামসুল হক অডিটোরিয়ামে আজ শনিবার অনুষ্ঠিত এ আলোচনার আয়োজন করে অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ‘চারচা ডটকম’।

আলোচনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। বিশেষ অতিথি ছিলেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি।

গোলটেবিল আলোচনায় আলোচক হিসেবে ছিলেন পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান এম মাশরুর রিয়াজ, এপেক্স ফুটওয়্যারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাসিম মঞ্জুর, গবেষক ও অধিকারকর্মী মাহা মির্জা, সাবেক অর্থসচিব মুসলিম চৌধুরী, বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম, আইসিএমএবি সভাপতি কাউসার আলম, নর্থসাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব বিজনেস অ্যান্ড ইকোনমিকসের ডিন ড. একেএম ওয়ারেসুল করিম। সঞ্চালনা করেন চরচা সম্পাদক সোহরাব হাসান।

আলোচনায় নতুন অর্থনৈতিক মডেলের কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। তিনি বলেছেন, বর্তমান সংকট মোকাবিলায় সরকার একটি নতুন অর্থনৈতিক মডেল নিয়ে কাজ করছে, যার লক্ষ্য ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে উন্নীত করা।

তিতুমীর বলেছেন, সরকারের দর্শন হলো সবার জন্য বাংলাদেশ, যেখানে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সুফল সমাজের সব শ্রেণির মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।

বিনিয়োগ বাড়াতে তিতুমীর আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমানো, দেশীয় ও রপ্তানিমুখী শিল্পের জন্য সমান সুযোগ সৃষ্টি, ব্যবসাবান্ধব নীতিমালা প্রণয়ন এবং প্রশাসনিক সংস্কারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এ অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলেছেন, বন্ধ হয়ে যাওয়া শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো পুনরুজ্জীবিত করতে সরকার প্রায় ৬০ হাজার কোটি টাকার পুনর্গঠন প্যাকেজ নিয়ে কাজ করছে। একই সঙ্গে কৃষি খাতে দীর্ঘমেয়াদি পরিবর্তনের জন্য পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে ব্যয়ের কার্যকারিতা বৃদ্ধি এবং তৃণমূল পর্যায়ে সেবার সম্প্রসারণের ওপরও জোর দেন তিনি।

করপোরেট কর কমানোর দাবি নাসিম মঞ্জুরের

এপেক্স ফুটওয়্যারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাসিম মঞ্জুর বলেছেন, বেসরকারি খাতের বিকাশ ও নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণের জন্য কর কাঠামোয় বড় ধরনের সংস্কার প্রয়োজন। তিনি বর্তমান ২৭ দশমিক ৫ শতাংশ করপোরেট কর কমিয়ে ভিয়েতনামের মতো ২০ শতাংশে নামিয়ে আনার প্রস্তাব দেন।

তিনি বলেছেন, বিনিয়োগকারীরা সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছেন নীতির অনিশ্চয়তা ও প্রশাসনিক জটিলতার কারণে। তাই অন্তত তিন বছরের জন্য স্থিতিশীল কর নীতি নিশ্চিত করা জরুরি।

নাসিম মঞ্জুর বিমানবন্দরের গুদাম ব্যবস্থাপনার দুর্বলতার সমালোচনা করে বলেছেন, আধুনিক সংরক্ষণ সুবিধার অভাবে প্রতি বছর কয়েকশ মিলিয়ন ডলারের কাঁচামাল ও পণ্য ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তিনি কর প্রশাসনে ডিজিটাল ও ঝুঁকিভিত্তিক (রিস্ক-বেসড) অডিট ব্যবস্থা চালুরও দাবি জানান।

স্বাস্থ্য খাত প্রসঙ্গে এপেক্স ফুটওয়্যারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেছেন, দেশে চিকিৎসা ব্যয়ের প্রায় ৭৪ শতাংশ মানুষের নিজস্ব পকেট থেকে বহন করতে হয়, যা উন্নয়নশীল অর্থনীতির জন্য উদ্বেগজনক। এ খাতে বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের মাধ্যমে সেবার মান ও সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

কৃষি খাতে বরাদ্দ দ্বিগুণ করার আহ্বান মাহা মির্জার

গবেষক ও অধিকারকর্মী মাহা মির্জা বলেছেন, দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও গ্রামীণ অর্থনীতির ভিত্তি হওয়া সত্ত্বেও কৃষি খাত দীর্ঘদিন ধরে প্রয়োজনীয় গুরুত্ব পায়নি। তিনি কৃষি খাতে বাজেট বরাদ্দ বর্তমান ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১০ শতাংশে উন্নীত করার দাবি জানান।

তিনি বলেছেন, ২০২৬ সালেও কৃষকদের ধান শুকানোর জন্য রোদের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে, যা আধুনিক কৃষি ব্যবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। কৃষকের দোরগোড়ায় সুলভ মূল্যে ক্রপ ড্রায়ার, কম্বাইন হারভেস্টারসহ আধুনিক কৃষিযন্ত্র পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

মাহা মির্জা অভিযোগ করেন, অনেক ক্ষেত্রে কৃষি প্রণোদনা ও যান্ত্রিকীকরণের সুবিধা প্রকৃত কৃষকের পরিবর্তে রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের কাছে চলে যায়। তিনি বলেছেন, গ্রামীণ অর্থনীতিতে পর্যাপ্ত বিনিয়োগ না থাকায় অনেক কৃষক বছরের বড় একটি সময় কর্মহীন থাকেন এবং জীবিকার সন্ধানে শহরমুখী হতে বাধ্য হন।

তিনি ইউনিয়ন পর্যায়ে সরকারি কৃষিপণ্য ক্রয়কেন্দ্র বাড়ানো, সারের গুদাম নির্মাণ এবং দুধ ও অন্যান্য পচনশীল কৃষিপণ্যের জন্য কোল্ড স্টোরেজ ও প্রিজারভেশন সেন্টার স্থাপনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সংস্কার ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরির ওপর গুরুত্ব

আলোচনায় অংশগ্রহণকারী বক্তারা বলেছেন, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, বিনিয়োগ স্থবিরতা, কর্মসংস্থানের চাপ এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্যে প্রস্তাবিত বাজেটকে বাস্তবমুখী ও সংস্কারমুখী হতে হবে। তারা কর প্রশাসনের আধুনিকায়ন, কৃষি ও শিল্প খাতে উৎপাদনশীল বিনিয়োগ বৃদ্ধি, আর্থিক খাতের সুশাসন এবং দীর্ঘমেয়াদি নীতিগত স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

বক্তারা মনে করেন, অর্থনৈতিক সংস্কার, বেসরকারি খাতের বিকাশ এবং গ্রামীণ অর্থনীতির পুনরুজ্জীবনের সমন্বিত উদ্যোগই বাংলাদেশকে টেকসই প্রবৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিতে পারে।

গোলটেবিল আলোচনাঅর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলাবিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়নকর্মসংস্থান বৃদ্ধিকৃষি খাত পুনর্গঠন
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise